Link copied!
Sign in / Sign up
7
Shares

প্রতিদিন আপনার সন্তানকে টকদই খাওয়ান


বড় হবার সাথে সাথে আপনার সন্তানের শরীরের হাড় ক্ষয়ে যেতে থাকে, এমন কি আপনার নিজেরও কমে যাচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। রোজ টক দই খান। কমে যাবে যাবে আপনার শরীরের হাজারো সমস্যা। এমনকি টক দই আপনাকে দিতে পারে দীর্ঘায়ু। আপনার এবং সন্তানের জন্য টক দই হল অলরাউন্ডার। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২ সবই পাবেন টক দই থেকে।

১. খাদ্যনালী বা অন্ত্রের মধ্যে থাকে মাইক্রোফ্লরা যা হজমে সাহায্য করে। টক দইয়ের মধ্যে থাকে গুড ব্যাক্টেরিয়া যা অন্ত্রের মাইক্রোফ্লরাকে ভাল রাখে, ফলে হজম ভাল হয়।

২. অনিয়মিত খাবার খাওয়ার কারণে এর কারণে অনেকেই গ্যাসট্রিক ও কোলনের সমস্যায় ভোগেন। টক দই এসব ক্ষেত্রে কার্যত ওষুধের মতো কাজ করে।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়ারিয়া, ল্যাক্টোস সমস্যা, এসব তো আছেই, টক দই খুব ভাল কাজ করে কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও।

৪. দইয়ের মধ্যে যে গুড ব্যাক্টেরিয়া আর প্রোবায়োটিকস থাকে, কলোরেক্টাল ক্যান্সার রোধে তা সাহায্য করে।

৫. বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হাড় খয়ে যায়। দুর্বল হয় হাড়ের গ্রন্থি। দইয়ের মধ্যে যেহেতু ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম দুই-ই থাকে, তাই তা অস্টিওপোরোসিস রোধে সাহায্য করে।

৬. ডায়াবেটিসে ওজন বৃদ্ধি। এই সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। টক দই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট পুড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ওজন কমিয়ে বডি ফিট রাখতে সাহায্য করে। দইয়ের প্রোবায়োটিকস অন্ত্রের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৭. ৮ আউন্স দইয়ে ৬০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম থাকে। দইয়ের পটাসিয়াম, সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে, ঠিক থাকে স্নায়ুতন্ত্রও।

৮. দইয়ে থাকে ল্যাক্টোবেসিলাস, অ্যাসিডোফিলাস এর মতো বিভিন্ন প্রোবায়োটিকস যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। হজম ভাল হলে মন ভাল থাকে। অন্ত্রের সঙ্গে তাই মনের নিবিড় সম্পর্ক। টক দই অন্ত্রকে যেভাবে নানা দিক থেকে সুরক্ষিত রাখে, তাতে ভাল হজম আর ভাল মন দুই বজায় থাকে।

৯. পার্কিনসনস, অ্যালজাইমার্স, অটিজমের মতো রোগের ক্ষেত্রে টক দইয়ের উপকারিতা অনেক। ক্রনিক ব্যথা দূর করতেও সাহায্য করে দই। বারবার অ্যান্টিবায়োটিক খেলে অন্ত্রের খারাপ ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে ভাল ব্যাক্টেরিয়ারও মৃত্যু হয়। সেই কারণে কথায় কথায় ওষুধ না খেয়ে মেপে দই খান। বহু রোগ থেকে দূরে থাকবেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon