Link copied!
Sign in / Sign up
8
Shares

থাইরয়েড সম্বন্ধে আপনার যা জানা দরকার


বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় মহিলাদের মধ্যে থাইরয়েডকে কেউ পাত্তা দিতে চায় না। বিশ্বের ১০% মহিলাদের এই রোগ আছে এবং তাই মহিলাদের এই নিয়ে সচেতন হওয়া দরকার। পিরিয়ড অসময়ে হলে বা ওজন বেশি বেড়ে গেলে আমরা বেশি মাথা ঘামাই না কিন্তু এইগুলি থাইরয়েডের চিহ্ন হতে পারে। থাইরয়েডের অবস্তান গলার নিচে এবং এটির কাজ হলো রক্তে থাইরয়েড হরমন মেশানো ও শরীর ঠিক করে কাজ করছে কি না তা দেখা। থাইরয়েড বিগড়ে গেলে হৃৎপিণ্ড ও কলেস্টেরল সমস্যা হতে পারে।

থাইরয়েড বেশি থাকলে ওজন কমে যায়, ক্লান্তি ও ঘুম বেড়ে যায়, পায়খানা বেশি বেশি হয় ও গ্ল্যান্ড টি আকারে বেড়ে যায়। থাইরয়েড কম হলে ক্লান্তি ও ওজন বাড়ে, চুল পরে যায়, কলেস্টেরল বেড়ে যায়, হার্ট রেট কমে যায় এবং লোকে বহু জিনিস ভুলে যায়।

থাইরয়েড সমস্যা বোঝা খুব মুশকিল, তাই ব্লাড টেস্ট করাতে হয়। এটি মহিলাদের মধ্যে বেশি হয়। হরমন পরিবর্তন হলেই থাইরয়েড সমস্যা শুরু হয় যেমন মেনোপজ বা গর্ভাবস্থা। থাইরয়েড কম থাকলে বার বার গর্ভপাত হতে পারে। যাদের থাইরয়েড কম তাদের গর্ভাবস্থার সময় ওষুধ ১.৫ গুন করে দেওয়া হয়।

থাইরয়েড ঠিক রাখার অনন্য আয়োডিন যুক্ত খাবার দরকার। প্রতিদিন ১৫০ এম সি জি আয়োডিন প্রয়োজন হয় এই সময়। মাছ, ডিম ও দুধে প্রচুর আয়োডিন থাকে। জল খাওয়ার আগে সেটিকে ফিল্টার করে নেবেন কারণ পার্ক্লোরেত থাকলে তা থাইরয়েডকে আয়োডিন নিতে দেয় না।

থাইরয়েড ধরা পড়লে জলদি চিকিত্সা করবেন। সবার আগে আন্টি থাইরয়েড ওষুধ শুরু করুন। রেডিও একটিভ চিকিত্সাও এক্ষেত্রে ভালো। চিকিত্সার সাথে ব্যায়াম করা অতি আবশ্যক।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon