Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

এই ঠান্ডায় সুস্থ থাকার কিছু বিশেষ উপায়


সারা বছরের এই ৪ থেকে ৫টি মাস ঠান্ডায় আনন্দ করার সময়, কিন্তু এই সময় সুস্থ থাকাটাও জরুরি। সুস্থ থাকার জন্য ঠান্ডায় কিছু নিয়ম মানা গুরুত্ব পূর্ণ।

১. শীতে বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই হাতে গ্লাভস পরে বের হবেন। কারণ শরীরের হিট গুলো হাতের মাধ্যমে বেড়িয়ে যায়। তাই হাতের গ্লাভস শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করবে।

২. শীতকালে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই। তাই আপনাদের মধ্যে যারা খুব রোগা আছেন তারা বেশি করে খাবার খান। তবে যারা মোটা তারা অবশ্যই এই সময় খাবারটা ডায়েট করে খাবেন। কারণ আপনি অতিরিক্ত মোটা হয়ে যেতে পারেন।

৩. এই সময় সকালে বা দুপুরে কাজে বের হওয়ার সময় সান্স ক্রিম মেখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ শীতকালে সূর্য পৃথিবীর অনেক কাছে চলে আসে। আর তাই এই সময় সূর্য রশ্মির ৮০% ক্ষতিকারক পদার্থ আমাদের স্কিনের ক্ষতি করতে পারে।

৪. আমরা অনেকেই মনে করি যে শীতে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বাড়ির বাইরে বের হলে আমাদের শরীর হয়ত খারাপ করবে। তবে আপনি জানেন কি? ঠান্ডাতে আমাদের শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অনেক বেড়ে যায় ফলে শরীর খারাপ হবার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

৫. শীতকালে শরীরকে গরম করতে অনেকেই মদ্য পান করে থাকে। কিন্তু আপনি জানেন কি, মদ্য শুধু আমাদের শরীরের ত্বককে গরম করে এবং শরীরের ভিতরের হিট আস্তে আস্তে কমিয়ে দেয়। মদ্য পান না করাই ভালো হবে।

৬. শীতকালে আমাদের জলের তৃষ্ণা খুব কম পায়। তাই গরমকালের তুলনায় শীতকালে জল খাওয়ার পরিমাণ অনেক কমে যায়। কিন্তু শরীর ঠিক রাখতে গেলে আমাদের প্রতিদিন অন্তত্য পক্ষে ২ লিটার জল খাওয়া আবশ্যক। না খেলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া কিডনির সমস্যা, হজমের সমস্যা প্রভৃতিও দেখা দেয়। তাই জল তৃষ্ণা না পেলেও কিছু সময়ের ব্যবধানে বেশি করে পান করুন। এতে দেখবেন শীতকালে শরীরের কোনও সমস্যাই দেখতে পাওয়া যাবে না।

৭. শীতকালে ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচতে আমরা অনেক গরম জামা পরি। কিন্তু প্রয়োজনের থেকে বেশি গরম জামা পরার ফলে আমাদের শরীরের ভেতরে ঘাম হয়ে যায়। যার জন্য ঠাণ্ডার লাগার সমস্যাও দেখা দেয়। তাই বেশি গরম জামা না পরে ঠাণ্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচতে যেটুকু দরকার সেইটুকু পরাই উচিত।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon