Link copied!
Sign in / Sign up
8
Shares

সারোগেসি নিয়ে সমস্ত তথ্য যা আপনার জানা প্রয়োজন

 


কে না চায় তার একটি ফুটফুটে সন্তান হোক? কিন্তু আমাদের দেখে এরকম অনেক দম্পতি আছেন যাঁদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ইচ্ছে থাকলো তা সম্ভন হয়না। তার পেছনে যে শহুদহু বন্ধাত্বই কারণ হয়, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে অনেক সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শারীরিক কারণেও সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তা বলে কি কেউ নিঃসন্তান হয়ে থাকবে? একেবারেই না। ইদানিং বলিউডের বহু নামি দামি অভিনেতা-অভিনেত্রীই এক নোবডি উপায়ে সন্তান জন্ম দিতে সফল হয়েছেন। তার নাম 'সারোগেসি'! যদিও এই পদ্ধতিটি অনেক ক্ষেত্রে অনেকে খুব একটা মন থেকে মেনে নিতে পারেন না, বা এটি টেস্ট টিউব বেবির মত অতটা স্বীকারোক্তি পায়নি মানুষের মনে, কিন্তু আমাদের দেশে এই পদ্ধতি আইনত ভাবে সিদ্ধ। 

 

সারোগেসি কি?

সারোগেসিকে কোনো নতুন পদ্ধতি বলা ভুল হবে। একজনের নারীর গর্ভে অন্য দম্পতির সন্তান ধারনের পদ্ধতিকে বলা হয় সারোগেসি। আইভিএফ বা টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে স্ত্রী ও পুরুষের ডিম্বাণু ও শুক্রাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে তা নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। 

 

দুভাবে এই পদ্ধতি কাজ করে

একটি হচ্ছে ট্রেডিশনাল সারোগেসি আর অন্যটি হচ্ছে গেসটেসনাল সারোগেসি ।১প্রথম পদ্ধতিতে যদি একজন স্ত্রী প্রাকৃতিক প্রজননে অক্ষম থাকেন কিন্তু পুরুষের কাছ থেকে সুস্থ ও সবল শুক্রানু পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সাহায্য নিয়ে মাতৃগর্ভের বাইরে আলাদা ভাবে ডিম্বানু নিষিক্তকরন করে তারপর ভ্রুন-টি নারীর গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয় । আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পরিবারের অন্য কোন মহিলা সদস্য বা বাইরের কোন মহিলা স্বেচ্ছায় বা অর্থের বিনিময়ে কোন দম্পতির দেওয়া ভ্রুন গর্ভে ধারণ করে । 

 

কেন সারোগেসির প্রয়োজন হয়?

যেসব দম্পতিরা অনেক চেষ্টার পরও সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হন,তখন সারোগেসির সাহায্য নিয়ে থাকেন। আগেই বলেছি এই অক্ষমতার কারণ শুধু বন্ধ্যাত্ব নয়, এছাড়া রয়েছে নানা কারণ যেমন:

১. বহুবার গর্ভপাত হওয়া 

২. আইভিএফ চিকিৎসায সত্ত্বেও গর্ভধারণ না হওয়া

৩. অকালে মেনোপজ হওয়া 

৪. জরায়ু অস্বাভাবিকতা বা অস্ত্রোপচারের কারণে বাদ চলে যাওয়া 

 

সারোগেসি দুই রকমের হয় 

১. পার্শিয়াল সারোগেসি

এটি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু আর সারোগেট মায়ের ডিম্বাণু থেকে শিশুর জন্ম হয়।

২. ট্রু-সারোগেসি/জেস্টেশনাল/আইভিএফ সারোগেসি

এই পদ্ধতিকে আইভিএফ বলা হয়। এখানে মোঃ বাবার ডিম্বাণু ও শুক্রাণুকে একটি টেস্ট টিউবের মধ্যে নিষিক্ত করে মায়ের গর্ভধারণ করানো হয়।

 

পার্শিয়াল সারোগেসির কিছু নিয়ম:

পার্শিয়াল সারোগেসিতে একজন ওপর মহিলার ডিম্বাণু এবং গর্ভ দুটিই ভাড়া নেয়া হয়। সেক্ষেত্রে সন্তানের ওপর মায়ের একটা যতই জৈবিক অধিকার থাকুক না কেন ভূমিষ্ট সন্তানের ওপর সেই মহিলার কোনো অধিকার থাকেনা। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কতৃপক্ষরা আইঁনত ভাবে সারোগেট মাদারকে সব বুঝিয়ে তবেই রাজি করান ও আসল দম্পতি ও সেই মাকে সম্পূর্ণ অচেনা করে রাখা হয়।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon