Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

স্তন্যপানের বিষয়ে ৫টি মিথ্যে তথ্য যা আপনাকে বিশ্বাস করা বন্ধ করতে হবে


 

যেহেতু স্তন্যপানের বিষয়ে খুলে কথা বলা হয় না, এটিকে ঘিরে অনেক ভুল ধারণা ও গুজবের সৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে কিছু খুবই অবিশ্বাস্য। এমনকি মায়েরাও বুঝতে পারেন না যে কোনগুলি বিশ্বাস করা উচিৎ, ও কোনগুলি বিশ্বাস করা উচিৎ নয়। আর যখন আপনার বাচ্চার প্রসঙ্গ আসে, তখন কোন ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়। তাই এখানে আমরা কিছু প্রচলিত ভুল ধারণাকে ভাঙ্গার চেষ্টা করব।

 

স্তনের আয়তন ছোট হলে কম মাতৃদুগ্ধ উৎপাদিত হয়

এটি ১০০% ভুল। স্তনের যে কোষগুলির প্রয়োজন হয় স্তন্যপানের জন্য, সেগুলি গর্ভাবস্থার সময় বাড়তে থাকে। দুগ্ধ নিঃসারণের নালীগুলি সেই চর্বিযুক্ত কোষে থাকে না, যেগুলির দ্বারা স্তনের আয়তন নির্ধারিত হয়। সেগুলি আগে থেকেই সম্পূর্ণ বর্ধিত রূপে থাকে। তাই আপনার কাপ সাইজ যাই হোক না কেন, আপনি বাচ্চাকে যথেষ্ট দুগ্ধ প্রদান করতে পারবেন।

 

সার্জারির দ্বারা স্তন্যপানের ক্ষমতা প্রাভাবিত হয়

      এটা সত্যি, কিন্ত এমন নয় যে স্তনের সার্জারি হওয়া সব মহিলারাই কোনদিন স্তন্যপান করাতে পারেন না। এটা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে আপনার কি প্রকারের সার্জারি হয়েছে তার উপর। স্তনের আয়তন বর্ধনের জন্য বেশিরভাগ সার্জারি বগল বা বুকের ওপরের দিকে সিলিকনের কাপ বসায়, যা দুগ্ধ নিঃসারণের নালীগুলির ওপরে কোন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এই পদ্ধতির মাধ্যমে যদি স্তনবৃন্তটির অপসারণ ঘটিয়ে সেটিকে নতুন করে বসান হয়, তাহলে দুগ্ধের প্রবাহে সমস্যা হতে পারে, কারণ এতে অনেক স্নায়ু ও দুগ্ধ নালী বিঘ্নিত হয়ে থাকে। সবসময় ডাক্তারকে দেখিয়ে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

 

স্তন্যপানের জন্য আপনার স্তনগুলি আরও ঝুলে পড়বে

এটা ঠিক, যে গর্ভাবস্থার সময় আপনার স্তনের আকৃতিতে বদল ঘটতে পারে। কিন্তু এই বদল ঘটে গর্ভবতী হলেই। এর সঙ্গে বিশেষভাবে স্তন্যপানের কোন সম্পর্ক নেই। আপনার স্তনের আয়তন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে উঠবে, তা আপনি স্তন্যপান করান কি না। স্তনের ওজন বাড়ার ফলে কখনও কখনও স্তনের লিগামেন্টে বেশি চাপ পড়ে থাকে। এই অধিক চাপ থেকে স্তন আরও ঝুলে পড়তে পারে।

 

স্তন্যপান হল জন্ম নিয়ন্ত্রণের এক নির্ভরযোগ্য উপায়

এটি এই ধারণা থেকে আসে যে স্তন্যপান দুটি বাচ্চার জন্মের মধ্যে অবকাশ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। এটা সব সময় সঠিক নয়। আপনি হয়ত নিয়মিত স্তন্যপান করাচ্ছেন, এবং আপনার পিরিয়ড (স্ত্রীরজ) এখনও আসেনি, কিন্তু এর সঙ্গে স্তন্যপানের কোন সম্পর্ক থাকা জরুরী নয়। এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাজ করে, কিন্তু জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে এটি ১০০% নির্ভরযোগ্য নয়।

 

বন্ধ দুগ্ধনালী নিয়ে স্তন্যপান করাবেন না

এটি সত্যির সম্পূর্ণ উল্টো। বাচ্চার দুগ্ধপানের স্বভাবে বদলের জন্য দুগ্ধনালী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যদি আপনার বাচ্চা বেশি ঘুমোয়, এমনকি তার সাধারণ খাওয়ার সময়েও, তার থেকে দুগ্ধ অধিপ্রবাহিত হতে পারে, যা দুগ্ধনালী বন্ধ করে দেয়। এটি সারানোর একমাত্র উপায় হোল অধিক স্তন্যপানের মাধ্যমে দুগ্ধের নিঃসারণ আবার চালু করা। খেয়াল রাখুন যে আপনার ব্রা যেন বেশি আঁটসাঁট না হয়, কারণ এর থেকেও দুগ্ধনালী বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon