Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

স্তনপান করানোর সময় আপনার অনুভূতি জানতে চান?


ব্যাপারটা আদৌ মনোরম নয়। স্তন ছাড়া অন্য এমন কিছু বোধ হয় যা একই সঙ্গে দারুণ অনুভূতি আর অস্বস্তির মধ্যে রাখতে পারে, বিশেষত স্তন্যপান করানোর সময়। নিজের স্তন থেকে দুধ বের করে, সেই দুধ বোতলে ভরে একটা শিশুকে খাওয়ানো যেন একই সঙ্গে স্বাভাবিক এবং একটা অনুভূতি। স্তন্যপান করানোর মধ্যে কোনও রকম আজগুবি ব্যাপারই নেই এবং প্রত্যেক মায়ের অধিকার থাকা উচিৎ।

তবে আপনার স্তনের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনগুলোকে আজগুবি বলা যেতেই পারে এবং এই আচমকা পরিবর্তনগুলোয় অভ্যস্ত হতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। কাজেই সেই পরিবর্তনগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিয়ে সাজিয়ে দেওয়া।

স্তন থেকে একটানা দুধ গড়িয়ে পড়া

স্তন থেকে দুধ গড়িয়ে পড়া একটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ঘটনা, তা না হলে আপনার শিশুর খাদ্য থাকবে না। এই খাদ্যর ওপর আপনার নিজের শিশু শুদু মাত্র নির্ভরশীল, তাই এই ঘটনাকে লজ্জা জনক হিসেবে কখনোই মনে করবেন না।

স্ট্রেচমার্ক

প্রেগন্যান্সির মাসগুলো কেটে যাওয়ার পরেও পেটে বা উরুতে কোনও স্ট্রেচ্‌ মার্ক না থাকলেও স্তনে অবশ্য স্ট্রেচ মার্ক থাকবে, সেগুলো আবছা হয় এলেও সম্পূর্ণ মিলিয়ে যাবে না কোনওদিন। আপনার জীবনে নতুন আনন্দের চিহ্ন মাত্র।

স্তনের শক্ত বা নরম হয়ে যাওয়া

স্তনগুলো পাথরের মত হয়ে যায় স্তন্যপান করানোর আগে। অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। এইসব নিয়ে চিন্তিত হবেন না, সবটাই স্বাবাভিক। আবার শিশুকে দুধ খাওয়ানো শেষ হলেই অবশ্য ব্যাপারটা একদম পালটে যায়। শিশু স্তন পান করলেই স্তন এক্কেবারে নরম। স্তন্যপান সত্যিই আজগুবি ও অপূর্ব।

সংক্রমণের ভয়

স্তন্যপান করানোর সময়গুলোতে স্তনে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকেই এবং ব্যাপারটা অস্বস্তিকর। নিজে যথেষ্ট পরিষ্কার থাকুন। কিন্তু তবু, শিশুর মুখের ব্যাকটেরিয়া যখন স্তনবৃন্তে আসে এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে সেই সময়ে স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তি হতে পারে।

নিপ্‌ল উলটে যাওয়া

উলটো বা চ্যাপ্টা নিপ্‌ল দিয়ে স্তন্যপান করানো ততটাও মন্দ ব্যাপার নয়। অনেক সময় নিপ্‌লস টেনে টেনে এই সমস্যা থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায় এবং শিশুরা অনায়াসে স্তন্যপান করতে পারে। তবুও, উলটনো নিপ্‌ল একটা অস্বস্তির উদ্রেক তো করতেই পারে।

নিপ্‌ল ফেটে রক্ত পড়া

মায়েরা, বিশেষত যারা সদ্য সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, দিনের অনেক বার তাঁদের স্তন্যপান করাতে হয়। তবে নিপ্‌ল ফেটে যাওয়া এবং ফেটে রক্ত পড়ার মত ঘটনা সচরাচর ঘটে না। তেমনটা হলে বুঝতে হবে যে আপনার শিশু সঠিক ভাবে স্তন মুখে নিতে পারছে না বা আপনি ব্রেস্ট পাম্প ভুল ভাবে ব্যবহার করছেন। সাধারণত স্তন্যপান করানো যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা কিছুতেই হওয়া উচিৎ না।

নিপ্‌ল অনেকটা বড় হয়ে যাওয়া

আপনার বোঝার আগেই হয়তো দেখবেন আপনার নিপ্‌ল বিশাল আকার ধারণ করেছে। এমন অস্বাভাবিক বড় হয়ে যাওয়া নিপ্‌ল কোনো ভয়ের কারণ নেই। সন্তানের স্তনপান করার সুবিধার জন্য এমনটা হয়ে থাকে।

একটা অন্যের চেয়ে বড়

এই সময়টা স্তনের আকার ক্রমশ পাল্টে যাবে। বাঁ দিকের স্তন ডান দিকের চেয়ে বড় হতে পারে। ব্রেস্ট ফীড করানো বন্ধ করার মাস খানেকের মধ্যে অবশ্য সে সমস্যা কেটে যাবে। তবু, সাময়িক হলেও একটা স্তন অন্যটার চেয়ে বড় হওয়াটা বেশ একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি ।

স্তন্যপান করানোর মত একটা জৈবিক ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হয়। নিজের সন্তানের ক্ষুধা নিবৃত্তির অধিকার সব মায়ের থাকা উচিৎ। সে’টা জনসমক্ষে হলেও, মায়েদের নিশ্চিন্তে স্তন্যপান করানোর অধিকার থাকাটা দরকারি। আর সেই অধিকারটুকুর ব্যবস্থা করতে হলে এগিয়ে আসতে হবে গোটা সমাজকে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon