Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

শিশুর কি খাবারের প্রতি অনীহা? কি করবেন!


শুধু আপনি নয় আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ বাবা-মায়েরই ১টাই অভিযোগ যে তাদের সন্তান নাকি খাবার খেতে চায় না। এই বিষয়টি নিয়ে প্রতিটি বাবা-মা উৎকণ্ঠায় থাকেন। আপনি কি জানেন বিশেষ কিছু রোগের কারণে শিশুদের খাবার ইচ্ছে কমে যেতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি বিশেষ কোনো জটিল সমস্যা নয়। হয়তো শিশু তার রুচি, ইচ্ছে ও পরিমাণ অনুযায়ী সঠিক পরিমানে ঠিকই খাচ্ছে, কিন্তু বাবা-মা তাতে মনের দিক থেকে শান্তি পাচ্ছেন না। আপনাকে মনে রাখতে হবে, বয়স অনুসারে মানসিক ও শারীরিক বিকাশ অন্য বাচ্চাদের মত যদি হয়ে থাকে আপনার শিশুর তবে খাওয়া নিয়ে বাবা-মায়ের দুঃশ্চিন্তা করার মতো কিছু নেই।

আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি মনোযোগ কমিয়ে দেন তবে সে খাওয়া কমিয়ে দিতে পারে। এই সময় কর্মজীবী মায়ের সংখ্যা অনেক। তারা ব্যস্ততার কারণে নিজের সন্তানকে ঠিকমত সময় দিতে পারেন না। মায়েদের ব্যস্ততার জন্য শিশুর প্রতি অমনোযোগ শিশুর মনে দাগ কাটে। শিশু হয়তো শুধু খাবারের সময়টাতেই মাকে কাছে পায়, অথবা রাতের ঘুমোনোর সময়। তাই তার অবচেতন মন এটাই বিশ্বাস করে যে, খাবার খেতে বেশি সময় নিলে বা খাবার নিয়ে বেশি সময় কাটালে মায়ের সঙ্গ আরও বেশি পাওয়া যাবে। ঠিকমত না খেলে বা খাবার নিয়ে সময় কাটালে তাকে হয়তো বাবা-মা সময় বেশি দেবে । এই কারণেও শিশুরা খাবারের সময় নানান বায়না ধরে, ঠিকমত খেতে চায় না।

তবে সবার ক্ষেত্রে এই যুক্তি সাজে না। অনেক শিশু আছে যারা সত্যি সত্যি খায় না। এদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না। এই ক্ষেত্রে মনোযোগ দেবেন শিশুটি কি সত্যি অপুষ্টির শিকার বা তার কি রক্তশূন্যতা আছে? অনেক সময় শিশুর যদি খুব বেশি ইনফেকশন বা সংক্রমণ হলে খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। আপনাকে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

এর পাশাপাশি শিশুর পেটে কৃমি আছে কিনা তাও দেখতে হবে। কিছু বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া থাকতে পারে, অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যাও থাকতে পারে। এগুলোও শিশুর অরুচির এবং খাবার না খাওয়ার কারণ। অনেক সময় মূত্রনালীর সংক্রমণের কারণেও শিশুদের খাবারে অরুচি হতে পারে। তাই সমস্যা গুরুতর মনে হলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শমত কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া আপনাকে বিশেষ কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, যেমন:

১। শিশুদের সাথে খাওয়ানো নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে আচরণগত পরিবর্তন আনুন। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ঘুম থেকে ওঠার পর সাথে সাথে খাবার না দিয়ে আগে বুকের দুধ দিন। বুকের দুধ খাওয়ানোর ২-৩ ঘণ্টা পর অন্য খাবার দিন। কখনোই খাবার নিয়ে জোর করবেন না। শিশুকে নিজের হাতে করে খাবার অভ্যস্ত করে তুলুন। খাবার প্রস্তুত করার সময়, বাজার বা পরিবেশন করার সময় সম্ভব হলে তাকে সঙ্গে রাখুন। তার পছন্দমতো মাছ, মাংস বা সবজি কিনুন। এতে খাবারের প্রতি শিশুর আগ্রহ বাড়বে। এবং সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করে শিশুকে খাবার দিন।

২। শিশুকে যখন-তখন চিপস, জুস, চকলেট বা এই ধরণের ফাস্টফুড খাবার কখনোই দেওয়া যাবে না, এতে খিদে এবং তার পরিমান নষ্ট হয়।

৩। আহার গ্রহণ করার মধ্যবর্তী সময়গুলোতে শিশুকে অন্যান্য খাবার বেশি দেবেন না। যেমন: ভাত খাওয়ার দুই ঘণ্টা আগে দুধ বা হালকা কোনো স্ন্যাক্স দেবেন না। শিশুর স্কুল যদি ১২টায় ছুটি হয়, তবে ফিরে এসে তেমন কোনো ভারী খাবার না দেওয়াই উচিত। এক্ষেত্রে খিদে থাকা অবস্থাতেই দুপুরের খাবার দিয়ে দেওয়া যায়। তখন সে সহজেই খাবার গ্রহণ করবে।

৪। শিশুকে একই ধরণের খাবার প্রতিদিন দেবেন না। উদাহরণস্বরূপ রোজ ডিম সেদ্ধ না দিয়ে ডিমের তৈরি নানা জিনিস যেমন, পুডিং, ডিমের ভুজিয়া ইত্যাদি দিতে পারেন। দুধের ক্ষেত্রেও তাই। পুডিং, সেমাই বা পায়েসে প্রচুর দুধ থাকে, সেটাই খেতে দিন। ফল খেতে না চাইলে কাস্টার্ড করে দিন।

৫। অনেক সময় খাবার পরিবেশনে ভিন্নতা আনলেও কাজ হয়। রঙিন পাত্রে খাবার পরিবেশন করুন। খাবার টেবিলকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলুন। অথবা খাবারকে এমন আকর্ষণীয় বানান, মুখ, পাখি, বা অন্য ধরণের কিছু দিয়ে।

৬। শিশু যদি খুব অন্যমনস্ক থাকে, তাহলে খিদে নষ্ট হয়ে যায়। যেমন ধরুন আপনার শিশুর বন্ধুরা সবাই বাইরে খেলাধুলা করছে কিন্তু আপনি তাকে জোর করে বাড়ির মধ্যে রেখে তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছেন, তাহলে কিন্তু আপনার শিশুটি কোনোভাবেই খেতে চাইবে না। বরং টিভি, ভিডিও গেম, মোবাইলে খেলা দেখা কমিয়ে শিশুর জন্য পর্যাপ্ত খেলার ব্যবস্থা করুন, ফলে তার শারীরিক কসরত হবে এবং এতে খিদে বাড়বে।

৭। সচরাচর এটাই দেখা গেছে, শিশু যদি একা খায় তাহলে সে খুব বেশি খেতে চায় না। কিন্তু যদি পরিবারের সবার সাথে বসে একসঙ্গে খায়, তাহলে আপনার শিশুটিও খেতে উত্সাহ পাবে। তাই দিনে লাঞ্চ বা ডিনার সবাই একসাথে করুন।

৮। এসব কিছুর পাশাপাশি শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে কি না সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যদি দেখা যায় যে, শিশু তার সমবয়সীদের মতোই উচ্চ্চতা বাড়ছে এবং তার ওজনেই পরিমান ঠিক আছে তাহলে বুঝতে হবে তার শরীরে পুষ্টির কোনো ঘাটতি নেই। অর্থাৎ আপনার শিশুর খাওয়া-দাওয়া স্বাভাবিক এবং সঠিক আছে।

বেশিরভাগ দেখা যায়, শিশুর ওজন বয়সের তুলনায় বেশি অথচ বাবা-মায়ের অভিযোগ শিশুটি একদম নাকি খায় না। এই ধরনের পরিস্থিতিতে বাবা-মাএর বোঝা প্রয়োজন যে, শিশু যদি ঠিকঠাক না খাবার খায় তাহলে তার ওজন বেশি হতো না। এরপরও যদি মা-বাবা জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন তবে তা শিশুর জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে। আর যদি দেখেন শিশু ঠিকঠাক বাড়ছে না এবং বয়সের তুলনায় তার ওজন অনেক কম বা অতিরিক্ত বেশি তাহলে দ্রুত কোনো শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

Recently, we launched a baby-safe, natural and toxin-free floor cleaner. Recommended by moms and doctors all over India, this floor-cleaner liquid gets rid of germs and stains without adding harmful toxins to the floor. Click here to buy it and let us know if you liked it.

Stay tuned for our future product launches - we plan to launch a range of homecare products that will keep your little explorer healthy, safe and happy!

Click here for the best in baby advice
What do you think?
100%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon