Link copied!
Sign in / Sign up
9
Shares

সন্তানের সবচেয়ে ভালো যত্নের জন্য বাছাই করা কিছু সীমানির্দেশক


 ডে কেয়ার বাছবেন কি হিসেবে? নিজেই দেখে নিন

১. শিশু কার সাথে সময় কাটাবে?

সবথেকে আগে দেখতে হবে কর্মীদের মান। ডে কেয়ারের সব থেকে বড় গুন হলো তাদের বিশেষ প্রশিক্ষিত কর্মীরা। এই সুবিধা আয়াদের নেই। সব বাচ্চাদেরই সুন্দর, কোমল, নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ চাই যেখানে সে আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে পারে। এই ডে কেয়ার তেমনি একটি চমৎকার পরিবেশ প্রদান করে যাতে তার মধ্যে সে উন্নতি লাভ করে।

২. ভালো পর্যালোচনা

ভালো ডে কেয়ার সম্পর্কে মা-বাবার কাছে থেকে ভালোভাবে জানা যায়। জায়গাটির স্বাগত ও বন্ধুত্বপুর্ণ পরিবেশ হওয়া উচিত এবং সেটি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া দরকার। সেই কেন্দ্রস্থল থেকে সম্পর্কস্থাপন ও প্রশংসাপত্র চেয়ে নেবেন। অন্য মা বাবাদের থেকে জায়গাটির ব্যাপার জানতে চাইবেন।

৩.সুরক্ষা

বাচ্চার সুরক্ষা মা বাবার প্রথম চিন্তা। এই বয়সে বাচ্চারা সব অন্যদের দেখে করে এবং মাঝে মাঝে বিপজ্জনক জিনিসও করে। তাই ডে কেয়ারে মা বাবার দেখার জন্য সিসিটিভি থাকা দরকার। খেলার মাঠ অভিন্ন হওয়া দরকার এবং কর্মীদের প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি জানতে হবে। শিশুদের পর্যবেক্ষণ করার লোক থাকা উচিত। এবং ডে কেয়ার কেন্দ্রস্থল থেকে শিশুদের অচেনা লোকেদের হাতে যেন না দেওয়া হয়।

৪. স্বাস্থ্য বিধি

ভালো ডে কেয়ার কেন্দ্রস্থল সব সময় পরিষ্কার পরিছন্ন, স্বাস্থ্য বিধির নিয়ম থাকে আর তারা সেটা বাচ্চাদেরও ভালো করে শিখিয়ে দেয়। খেলনা ও পড়াশোনা সম্পর্কিত সমস্ত জিনিশ যেন বিষাক্ত না হয় এবং সেগুলি বার বার পরিষ্কার করতে হবে। একই জামা, প্যাসিফায়ার ও দন্তোদ্গম এর কামড়ানোর বস্তূ যেন একাধিক শিশুকে না দেওয়া হয়। কেন্দ্রস্থলে মাদের দেওয়া দুধ রাখার ভালো জায়গা থাকা দরকার। বাচ্চাদের চট করে শরীর খারাপ হয় তাই কেন্দ্রস্থলে সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে শক্ত নীতি থাকা উচিত। এই সব মাথায় রেখে কেন্দ্রস্থল দেখবেন।

৫. পুষ্টিকর তাজা খাবার

শিশুদের সর্বদা পুষ্টিকর, উচুঁ মানের ও তাজা খাবার দেয় মায়েরা। ঠিক তেমনি আপনি নিশ্চিত করুন যে আপনার পছন্দের ডে কেয়ার যেন একই রকম পুষ্টিগুণ বজায় রাখে এবং পুষ্টিবিজ্ঞানী দ্বারা ঠিক করা খাবার থাকে। আপনার শিশুর খাওয়ার ধরন নিয়ে যেন আপনার সাথে তারা কথা বলে নেয়। কোনো খাবারে এলার্জি থাকলে কর্মীদের জানিয়ে দেবেন। ওখানকার রান্নাঘর যেন খেলার জায়গা এবং ডাইপার বদলানোর জায়গা থেকে দুরে থাকে।

৬. নিজস্ব যত্ন

সব শিশু আলাদা এবং যে ডে কেয়ার এই কথা মাথায় রাখে তাদেরই বাছবেন। প্রত্যেক তিন শিশুকে দেখার জন্য অন্তত একটি কর্মী থাকা দরকার। বয়সের পার্থক্য অনুযায়ী বাচ্চাদের আলাদা রাখা দরকার, নাহলে বড় বাচ্চারা অজান্তে শিশুদের ক্ষতি করতে পারে। সেন্টারে বিভিন্ন সহ-পাঠক্রম সংক্রান্ত কার্যক্রম থাকা উচিত যাতে শিশুর সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করতে হয়।

৭. বুদ্ধিমান শিশুদের মানুষ করা

যেহেতু আপনার শিশু অনেকটা সুময় ওখানে কাটাবে তাই আপনাকে দেখতে হবে যে সে বুদ্ধিমত্তা ভাবে জড়িত হচ্ছে কি না। প্রাথমিক শিক্ষা বাচ্চার বড় হওয়ার মহত্ত্বপুর্ন ভাব। এমন জায়গা দেখবেন যাতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক উন্নতি হয়। জায়গাটি যেন শিশু মনবৌজ্ঞানিক দ্বারা অনুমোদিত হয়।

ভালো ডে কেয়ারের সন্ধানে আমরা আপনাদের সাথে আছি। ভারতের ৫টি শহর ও ৫৪ কেন্দ্রস্থল ঘুরে আমরা দেখেছি মায়েরা ও বাচ্চারা ক্লে (KLAY) ডে কেয়ার পছন্দ করেছে। ‘ক্লে’ ওপরে দেওয়া সব নিয়ম মেনে চলে ও শিশুদের দরকারী যত্ন ও শিক্ষা দেয়। তারা সব কিছুর খেয়াল রাখে, কর্মীদের মান, বাচ্চার পরিবারের ইচ্ছা , খেলা ধুলো ও যত্ন। মা বাবাদের ও শিশুর সাথে শেখার সুযোগ দেয়। তাই অবিলম্বে কাছাকাছি কেন্দ্রস্থল খুঁজে বাচ্চার নাম লিখিয়ে আসুন।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Click here for the best in baby advice
What do you think?
100%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon