Link copied!
Sign in / Sign up
13
Shares

আপনারা কি সন্তানের সামনেই ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি করেন?


অভিভাবকের জীবনে সন্তান সবচেয়ে বড়। স্বামী স্ত্রী যতদিন একে ওপরের সাথে সন্তান ছাড়া থাকেন ততদিন জীবন হয় একরকম আর শিশু জন্মানোর পর জীবনধারায় অনেক পরিবর্তন আসে। তখন স্বামী স্ত্রীর বন্ধন আরো অটুট ও গভীর হয়ে ওঠে কারণ দুজনে একসাথেই চাঁসন্তানের মঙ্গল। অভিভাবক হিসেবে আপনারা হয়তো সন্তানকে সেরা ও সুন্দর জীবনটি দিতে চান। আপনি দেনও। কিন্তু এমন অনেক কাজ আপনারা ভুলবশত করে থাকেন যা হয়তো সন্তানের সামনে কখনোই করা উচিত না, তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তার মধ্যে একটি হল সন্তানের সামনে আপনাদের ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি করা। 

১. শিশুরা মাটির ডেলার মত হয়, যা দেখে তাই শেখে। এমনকি, শিশু মনোস্তত্ববিধদের মতে শিশুরা খারাপ জিনিস বেশি তাড়াতাড়ি শিখে ফেলে যতটা তাড়াতাড়ি না ভাল জিনিস শেখে। তার ওপর শিশুরা দেশের ও সমাজের ভবিষ্যৎ। বাবা-মা ঝগড়া করার সময় যেসব নেতিবাচক শব্দ বা কথা ব্যবহার করে থাকেন তা সহজেই তাদের মাথায় ঢুকে যায় ও চরিত্রে প্রভাব ফেলে।

২. বাবা মেয়ের ঝগড়া, কথাকাটাকাটি ও কলহ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কুপ্রভাব ফেলে যার ফলে তাদের বাহ্যিক চরিত্রেও সেটি প্রতিফলিত হয়। প্রথমে তারা বিষন্নতাবোধ, অস্থিরতায় ভোগে ও ধীরে ধীরে তারা উগ্র স্বভাবের হয়ে যায়।

৩. বাবা মা ঝগড়া করলে বাচ্চারা ভাবে এই বুঝি বাবা মায়ের দূরত্ব বেড়ে যাবে ও তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। বাবা মায়েরা অনেক সময় বাচ্চাকেও ঝগড়ায় টেনে কোনো এক তরফে আসতে বলে, যা বাচ্চার জন্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর কারণ তার কাছে বাবা ও মা দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ। আবার অনেক সময় ঝগড়ার অতিরিক্ততা এতটা বেড়ে যায় যে স্বামী স্ত্রী সন্তানকেও মারধর করে তাদের রাগ মেটানোর জন্যে। এটি শুধু অন্যায় নয়, অপরাধও।

৪. ঝগড়া কোনো আনন্দমূলক ক্রিয়া নয়, বরং রীতিমত ভয়ের একটি ক্রিয়া। বাবা মা শিশুর সামনে ঝগড়া করলে শিশু তাতে ভীত ও সন্ত্রস্ত বোধ করে। 

৫. শিশু বড় হয়ে অন্যকে সম্মান করতে বাবা মায়ের থেকেই শেখে। ঝগড়ার সময় আপনারা হয়তো একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা বা অনুভূতি প্রকাশ করেন না। এর ফলে ভবিষ্যতে আপনাদের শিশুও বড় হয়ে কাউকে শ্রদ্ধা করতে পারবেনা।

এখন হয়তো আপনি বুঝতে পারছেন কতখানি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে আপনাদের ঝগড়ার কারণে আপনারই শিশুর ওপর যা আপনি কখনোই চান না। তাই সন্তানকে সুস্থ ও মঙ্গলময় ভবিষ্যৎ দেওয়ার জন্যে মেনে চলুন এগুলি:

১. যতই রাগ, অভিমান, অমিল থাকুক না কেন, মস্তিস্ক ঠান্ডা রাখুন ও সন্তানের সামনে সেটা হারিয়ে ফেলবেন না। সঙ্গীর সাথে আলোচনা করার জন্যে অপেক্ষা করুন, সন্তান ঘুমিয়ে পড়লে বা খেলতে গেলে বা ওই স্থানে উপস্থিত না থাকলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।

২. সম্পর্ক যদি কোনোভাবেই ঠিক না হওয়ার থাকে বলে মনে হয়, তাহলে সন্তানকে কোনোরকম অন্ধকার বা নিরাপত্তাহীনতায় রাখার দরকার নেই। শান্তভাবে সন্তানকে নিয়ে বসে শিশুসুলভ ভাবে সম্পর্ক ভাল নেই সেটি জানান ও এটার সাথে এটাও জানান যে সে কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় ভূগবেনা।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon