Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

সদ্যজাত শিশুর মধ্যে গ্রীষ্মকালে হওয়া কয়েকটি সাধারণ অসুখ


১. জলবিয়োজন অর্থাৎ ডিহাইড্রেশন

সাধারণত প্রচন্ড পরিমানে তাপ ও ঘাম হওয়ার ফলে আপনার শিশুর শরীরের জলের অভাব দেখা যেতে পারে যার ফলস্বরূপ জলবিয়োজন বা ডিহাইড্রেশন হতে পারে। বিশেষ এই সময় আপনার শিশু যদি জল কম পান করে এবং বেশি পরিমানে ঘামে, তাহলে এর সম্ভাবনা ও ক্ষতির মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

২. রোদের প্রভাবে ত্বকে ছোপ পড়া অর্থাৎ সানবার্ন

শিশুদের ত্বক অতিরিক্ত সূক্ষ্ম হয়। সূর্যের তাপ আমরা যারা প্রাপ্তবয়স্ক তাদের জন্যেই যে পরিমান ক্ষতিকারক, সেখানে শিশুদের জন্যে তা আরো অনেক বেশি পরিমানে ক্ষতিকারক। এর ফলে ত্বকে পোড়া দাগ বা সানবার্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. ফোড়া বা ফোস্কা

অতিরিক্ত গরমের ফলে শিশুদের ত্বকে ফোড়া বা ফোস্কা হতে পারে যা তাদের জন্যে বেশ পীড়াদায়ক ও হতে পারে। এরকম কিছু হলে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুর ত্বকে কোনো বিশেষ পাউডার বা মলম লাগান।

৪. মশার কারণে হওয়া রোগ

গ্রীষ্মকালে নানা রকমের মশার থেকে হওয়া হানিকারক রোগের সম্ভাবনা থাকে। যেমন, ডেঙ্গু,চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ইত্যাদি। কাজেই শিশু খেলাধুলা করতে বেরোলে বা ঘরে থাকাকালীন গায়ে মশা কামড়ানো থেকে আটকানোর মলম লাগিয়ে রাখুন এবং শিশু যেখানে ঘুমায় সেখানে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।

৫. জলবায়িত রোগ

যেহেতু গ্রীষ্মকাল হল মশাদের ডিম পাড়ার সময়, ফলে এই সময় জলবায়িত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেড়ে যায়। তার মধ্যে কয়েকটি হানিকারক রোগ হল জন্ডিস, টাইফয়েড, কলেরা, আমাশা, ইত্যাদি। ফলে, এই সময় কোনো মতেই না জেনে শুনে যেখান সেখান থেকে জল পান করা উচিত নয়। বরং এই সময় শিশুকে জল ফুটিয়ে তা ঠান্ডা করে পান করানোই নিরাপদ। বাইরে বেরোলে অবশ্যি নিজের সাথে একটি পরিষ্কার বোতলে পান করার জল নিয়ে বেরোবেন।

৬. ঘামাচি ও চুলকুনি

প্রখর গরমের ফলে ঘাম থেকে শরীরে ঘামাচি ও চুলকুনি হওয়ার অতিরিক্ত সম্ভাবনা থাকে যা আপনার শিশুকে অস্বস্তি ও জ্বালায় ফেলে দেয়।

কাজেই চেষ্টা করা উচিত যাতে শরীরের বেশির ভাগ অংশই নরম জামাকাপড়ে ঢাকা থাকে, আবার এতটা না যেখানে তার গরমে কষ্ট হতে পারে। চেষ্টা করবেন শিশুকে গ্রীষ্মে অতিরিক্ত ভিড় বা লোকসমাবেশ থেকে মুক্ত রাখতে যাতে সে খোলামেলা থাকতে পারে। শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাও খুব জরুরি এবং চিকিৎসকের থেকে ক্রমাগত শিশুর প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধের সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon