Link copied!
Sign in / Sign up
4
Shares

সদ্যজাত শিশুর হার্টে ফুটো! বর্তমান যুগের এক দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা; এর ব্যাপারে সমস্ত কিছু জানুন


একটি সুস্থ শিশু বয়ে নিয়ে আসে আশার আলো, সৌভাগ্যের দীপশিখা ঠিক তেমনি জন্মগত ত্রুটি নিয়ে বেড়ে ওঠা শিশুও তার পরিবারকে নিয়ে যায় হতাশার সমুদ্রে, সেও পরবর্তীতে জাতির জন্য বোঝা হয়ে উঠে । জন্মগত হৃদরোগ এমনই একটি রোগ যার শুরু মায়ের গর্ভে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি ১০০০ জন জীবিত শিশুর মধ্যে ৮ জন শিশু জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এই ১০০০ জনের ৮ জনের মধ্যে আবার ২-৩ জনের রোগের লক্ষণ জন্মের প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই নানাবিধ উপসর্গ সহ প্রকাশ পায়। বাকিদের পরবর্তীতে জীবনের যেকোনো সময় তা প্রকাশ পেতে পারে । 


জন্মগত হৃদরোগ কাকে বলে

মায়ের গর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর হৃদযন্ত্র তৈরি ও বিকশিত হবার প্রাক্কালেই যদি কোনো প্রকার ত্রুটি হয় এবং শিশু সেই হৃদযন্ত্র নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়, তবে তাকে জন্মগত হৃদরোগ বলে। অনেক সময় একে শিশুর হার্ট এ ফুটা বা ছিদ্র আছে এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়।


কারণ 

জন্মগত শিশু হৃদরোগের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায় নাই। তবে গর্ভাবস্থায় ও গর্ভ পরিকল্পনাকালীন সময়ে বিভিন্ন ঔষধ, রাসায়নিক দ্রব্য, রেডিয়েশান, মায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ, প্রভৃতি রোগ, গর্ভাবস্থায় মায়ের রুবেলা সংক্রমণ ইত্যাদির সাথে শিশু হৃদরোগের যোগসূত্র পাওয়া যায়। এছাড়াও জেনেটিক কিছু রোগ যেমন – ডাউন সিনড্রোম, টারনার সিনড্রোম নিয়ে জন্মানো শিশুরা হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে।


লক্ষণসমূহ 

জন্মের পর থেকেই ঘন ঘন ঠান্ডাকাশি ও শ্বাসকষ্ট, মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে অসুবিধা ও অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া , হাত ও পায়ের আঙ্গুল ও ঠোঁটে নীলাভ ভাব, ওজন ও শারীরিক বৃদ্ধির অপ্রতুলতা ইত্যাদি।

শিশুর প্রতি মায়েদের লক্ষণীয় বিষয় 

১। শিশুটির জন্মের পর পরই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা ।

২। ভীষণ রকমের কালচে বা নীলাভ ভাব তার ঠোঁটে বা চামড়ায় দেখা যাচ্ছে কিনা

৩। শিশুটির হার্ট বিট যদি অস্বাভাবিক রকমের কম বা বেশি হয় অথবা ছন্দোবদ্ধ না হয়ে অস্বাভাবিক ভাবে চলে ।

৪। বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করার পর মায়ের দুধ পান করার সময় হাঁপিয়ে যায় কিনা।

৫। অল্প অল্প দুধ পান করে ক্লান্ত হয়ে ছেড়ে দিয়ে আবার কিছু সময় পর দুধ পান করছে কিনা।

৬। দুধ পান করার সময় শিশুটি অস্বাভাবিক রকমের ঘামছে অথবা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।

৭। শিশুটি অন্য সব বাচ্চাদের মত ওজনে বাড়ছে না।

৮। জন্মের পর থেকেই শিশুর বার বার ঠাণ্ডা কাশি লেগেই আছে কিনা এবং সে কারণে বার বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে বা ডাক্তারের কাছে যেতে হচ্ছে।

৯। শিশুটি কান্নার সময় অস্বাভাবিক রকমের কালো হয়ে যায় এবং একই সাথে শ্বাস কষ্ট হয়। একটু বড় বাচ্চারা খেলার সময় একটু দৌড়াদৌড়ি করলেই কালো হয়ে যায়, শ্বাস কষ্ট হয় এবং উপুড় করে শুইয়ে দিলে বা বড় বাচ্চারা হাঁটু গেড়ে বসলে তাদের স্বস্তি আসে। বড় বাচ্চাদের কখনো কখনো বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদিও হতে পারে।

উপরের যেকোনো একটি লক্ষন দেখা দিলেই শিশুকে দ্রুত ডাক্তার এর কাছে নিতে হবে।


রোগ নির্ণয় 

সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে বেশির ভাগ হৃদরোগ চিকিৎসায় ভালো হয়।

একটি মাত্র পরীক্ষা যদি করা হয় রোগ সনাক্তের জন্য তাহলে সেটা হলো কালার ডপলার ইকোকারডিওগ্রাফী ( Color Doppler Echocardiography)। এখন মোটামুটি সব হাসপাতাল বা হৃদরোগ সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ইকোকারডিওগ্রাফী পরীক্ষা হয়। এছাড়াও চেস্ট এক্সরে, ইসিজি, হলটার মনিটরিং, ক্যাথ স্টাডি, কার্ডিয়াক সিটি স্কান, এম আর আই ইত্যাদি।

চিকিৎসা 

১. ঔষধের মাধ্যমে ।

২. ইন্টারভেনশান বা বিনা অপারেশনে রক্তনালীর মাধ্যমে ।

৩. সার্জারি বা অপারেশন ।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon