Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

স্নায়ুর যন্ত্রণা কি? এর উপসম কিভাবে করবেন


মাথা ব্যথা, কোমরে ব্যথা বা পেটে ব্যথার মতই স্নায়ুর যন্ত্রণাও তীব্র এবং অসহ্য হয়ে উঠতে পারে। স্নায়ু বা নার্ভের ব্যথা তখনই হয় যখন আপনার স্নায়ুর ওপর অত্যধিক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপ পড়লেই আপনার স্নায়ুতে বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্নায়ু যন্ত্রণার কারণগুলো কী কী?

স্নায়ুর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়া, নার্ভ ফুলে ওঠা, ডায়াবেটিস হচ্ছে এগুলোর মূল কারণ। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ক্যান্সার বা এইচ আই ভির জন্যও এই ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্নায়ুতে যন্ত্রণার লক্ষণগুলো ঠিক কী কী?

নার্ভে ব্যথা বা স্নায়ুর অন্যান্য সমস্যা থাকলে বিভিন্ন রকমের লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন:

স্নায়ুর অসাড় হয়ে পরা,অল্প ফুলে যাওয়া, তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হওয়া, মাংসপেশিতে খিঁচুনি হওয়া, মাঝেমধ্যে স্নায়ুতে হঠাৎ কারেন্ট লাগার মত তীব্র অনুভূতি হওয়া।

স্নায়ুর যে কোনও ব্যথার চিকিৎসা কী ভাবে করা উচিৎ?

১. যদি স্নায়ুর ব্যথা অসহ্যকর হয়ে ওঠে, তাহলে সতর্ক হওয়া উচিৎ যাতে শরীরের যে অংশে ব্যথা রয়েছে সেখানে বেশি চাপ না পড়ে। বাড়তি চাপ পড়লেই নার্ভের ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। অতএব শরীরের কোনও অংশে ব্যথা থাকলে, সেই অংশটা বেশি নড়াচড়া না করাই ভালো।

২. আপনি কি ঘাড়ের ব্যথায় ভুগছেন? তাহলে চেষ্টা করুন আপনার ঘাড়ের মাংসপেশিকে যতটা সম্ভব সোজা করে রাখতে এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করুন নেক ব্রেস। এতে আপনার ঘাড়ে মাংসপেশির খিঁচুনি ভাব কেটে যাবে।

৩. শরীরে কোনও অংশের স্নায়ুতে ব্যথা হলে অনেক সময় সেই অংশটা ফুলে যায় আর সে বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক না হলে আপনার নার্ভের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। শরীরের কোনও অঙ্গ ফুলে গেলে যেটা সবার আগে করা দরকার সেটা হল শরীরের সেই অংশে ব্লাড সার্কুলেশনকে বাড়িয়ে তোলা। আর ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ানোর খুব ভালো উপায় হচ্ছে গরম আর ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়া। যে কোনও রকমের নার্ভের ব্যথায় সেঁক দিলে নিশ্চিত ভাবেই উপকৃত হবেন। সেঁক দেওয়ার পদ্ধতিকে হাইড্রোথেরাপিও বলা হয়।

৪. ভালো করে মালিশ করলে আপনার মাংসপেশি যেমন মজবুত হয়ে উঠবে, তেমনই আপনার দেহের রক্ত চলাচলও আরও ভালো ভাবে হবে। কাজেই ভালো ভাবে মালিশ করতে পারলে শরীরের ব্যথা অনেকটা লাঘব হবে।

৫. স্নায়ুর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সব চেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে নিয়মিত এক্সারসাইজ করা। কারণ এতে দেহের ব্লাড সার্কুলেশন যেমন ভালো হয়, তেমনই রক্তে অক্সিজেন আরও ভালো ভাবে প্রবাহিত হয়। তাছাড়া এক্সারসাইজ মাংসপেশিকে টোন করতে সাহায্য করে যাতে বিভিন্ন রকমের চাপা ব্যথা কমে আসে। কী ধরণের এক্সারসাইজ করলে আপনি উপকৃত হতে পারেন? ভোরবেলা হাঁটতে বেরিয়ে পড়ুন বা সাঁতার কাটা শুরু করুন।

এই সব করেও যদি আপনার স্নায়ুর ব্যথা না কমে তাহলে আপনার অবশ্যই উচিৎ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যাতে আপনি সময়মত সঠিক চিকিৎসা করাতে পারেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon