Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

শীতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করুন


আপনি আপাদমস্তক যত্ন সারা বছরই নেন বটে। কিন্তু এই সময় একটু বেশিই খেয়াল রাখতে হবে নিজের চেহারার। রান্নাঘর থেকেই পেয়ে যাবেন এমন কিছু উপকরণ যা আপনার ত্বকের জন্য উপকারী।

ফেসপ্যাক

মুখের ত্বককে মোলায়েম রাখার জন্য সপ্তাহে দু’তিনবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতেই হবে। শীতে কোল্ড ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। ফলে ত্বকে ধুলোময়লা আটকে যায়। ফেসপ্যাক আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে পরিষ্কারও রাখে।

ওটস আমন্ড ফেসপ্যাক

পাঁচ-ছ’টা আমন্ড এবং দু’টেবিলচামচ ওট ভিজিয়ে থেঁতো করে নিন। তাতে টক দই এবং মধু মেশান। মিশ্রণটা ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

মিল্ক ফেসপ্যাক

এক চা-চামচ দুধের সঙ্গে প্রয়োজনমতো অ্যালোভেরা জেল, দুধ, দু’ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল এবং মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

কোকো ফেসপ্যাক

আধ টেবিলচামচ কোকো পাউডার এবং এক চা-চামচ বেসন মেশান। তাতে সামান্য মধু এবং নারকেলের দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

বডি অয়েল

শীতকালে মুখের ত্বকের সঙ্গে দেহের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রয়োজন অতিরিক্ত যত্নের। প্রতিদিন স্নানের আগে ব্যবহার করতে পারেন নন-স্টিকি বডি অয়েল। ত্বককে আর্দ্র করার পাশাপাশি র‌্যাশের সমস্যাও দূর করবে।

ল্যাভেন্ডার বডি অয়েল

দু’কাপ আমন্ড অয়েল এবং আধ কাপ জোজোবা অয়েলের মধ্যে অল্প ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল, ভ্যানিলা এসেনশিয়াল অয়েল এবং ল্যাভেন্ডারের পাপড়ি মিশিয়ে বানিয়ে নিন এই তেল। প্রতিদিন স্নানের আগে ব্যবহার করতে পারেন।

মিন্ট বডি অয়েল

দুই কাপ অলিভ অয়েলের মধ্যে দুটো ভিটামিন ই ক্যাপসুল এবং বেশ কয়েকটা পুদিনা পাতা মিশিয়ে বানিয়ে নিন। আর্দ্রতার সঙ্গে ত্বকের পুষ্টিও যোগায় এই অয়েল।

দারুচিনি বডি অয়েল

এক কাপ আমন্ড অয়েলের সঙ্গে আধ কাপ অলিভ অয়েল মেশান। তাতে অল্প পরিমাণে সিনামন এসেনশিয়াল অয়েল, ভ্যানিলা এসেনশিয়াল অয়েল, রসুন তেল এবং চার-পাঁচটা দারচিনি মিশিয়ে তেল বানিয়ে বোতলে ঢেলে রাখুন। সপ্তাহে দু’বার এই তেল দিয়ে বডি ম্যাসাজ করতে পারেন।

এছাড়া যা লক্ষ্য রাখবেন

১। এই সময় থেকেই ত্বক আর্দ্রতা হারাতে শুরু করে। তাই নিয়মিতভাবে ত্বকের এক্সফোলিয়েশন আর ময়েশ্চারাইজিং করা জরুরি।

২। সাবানের ব্যবহার বন্ধ করে দিন। নাহলে ত্বক আরও শুকনো হয়ে পড়বে। জেল জাতীয় ক্লেনজারও যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। পরিবর্তে বেছে নিন যে কোনও হাইড্রেটিং ক্লেনজার। ড্রাই স্কিন হলে কোনও ক্রিম-বেস্‌ড ক্লেনজার ব্যবহার করতে শুরু করুন।

৩। অয়েল-বেস্‌ড স্ক্রাবার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন স্ক্রাবিং জরুরি। মধু আর চিনির ন্যাচারাল স্ক্রাবের জুড়ি হয় না। এছাড়া ত্বক নরম রাখতে মধু, দুধ, আমন্ড, ওটমিল দিয়ে ফেস মাস্ক বানাতে পারেন।

৪। স্নানের শেষে বডি অয়েল লাগানোর অভ্যেস করে ফেলুন। তেল মাখার অভ্যেস না থাকলে গোলাপজল-গ্লিসারিনেও কাজ চলবে। ঠোঁট আর গোড়ালির যত্ন নিন আলাদা করে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে অবশ্যই নাইট ক্রিম লাগাবেন।

৫। ত্বকের মৃত কোষ নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার এই সময়। চুলে খুশকির সমস্যাও শুরু হওয়ার সময় এটা। খুশকি দূর করার একটা সোজা উপায় হল স্নানের আগে নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করা। তারপর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখতে পারেন। মিনিট পনেরো পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon