Link copied!
Sign in / Sign up
11
Shares

শিশুর সামনে কোনো প্রকার ধোয়া নয়


যে কোনো ধরণের ধোয়া আপনার সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক, সে ধূপের হোক বা মশা দূর করার কয়েল। কিন্ত এবার সময় এসেছে এটি বন্ধ করার। কারণ এমনটা না করলে কিন্তু আমাদের সন্তানের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।ভাবছেন ধূপকাটির সঙ্গে শরীরের ভাল-মন্দের কী সম্পর্ক? বেশ গভীর সম্পর্ক আছে। তাই সাবধান হওয়াটা জরুরি। না হলে কিন্তু…! আসলে ধূপ থেকে ধোয়া বেরয়, তা শরীরে পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। দীর্ঘ সময় ধরে তা যদি দেহে প্রবেশ করতে থাকে, তাহলে নানাবিধ শারীরিক সমস্য দেখা দিতে পারে। যেমন।….

১. ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

দেখা গেছে ধোঁয়া থেকে, তাতে বেঞ্জন, কার্বোনায়েল এবং পলি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বোনের মতো কার্সিনোজেনিক উপাদান রয়েছে, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তবে এমনটা কিন্তু একদিনেই হয় না। দীর্ঘদিন ধরে ধোঁয়ার মাধ্যমে এই উপাদানগুলি শরীরে প্রবেশ করতে করতে চুরান্ত ক্ষতি করে থাকে।

২. চোখ এবং ত্বকের ক্ষতি

ধোঁয়া যেহেতু অস্বাস্থ্যকর, তাই এমন ধোঁয়ার মধ্যে অনেকক্ষণ থাকলে চোখ থেকে জল পড়া এবং স্কিনের নানাবিধ সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। সেই কারণেই তো গর্ভবতী মহিলাদের ধুপের ধোঁয়ার মধ্যে থাকতে মানা করেন চিকিৎসকেরা।

৩. শরীরের অন্দরে প্রদাহ

অ্যাস্থেমা রোগীদের ভুলেও ধূপের ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এমনটা করলে তাদের শরীরে প্রদাহ বেড়ে যায়। ফলে শ্বাসকষ্ট সহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এখানেই শেষ নয়, ধূপের ধোঁয়ার কারণে ব্রঙ্কিয়াল টিউবে জ্বালা হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. রেসপিরেটারি স্টিস্টেমের ক্ষতি

দীর্ঘদিন ধরে ধূপ ব্যবহার করলে আপার রেসপিরেটারি ট্রাক্ট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে লাংক্যান্সার সহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই নিজের, সন্তান এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের শরীরের কথা ভেবে আজ থেকেই ধূপের ব্যবহার বন্ধ করুন।

৫. সি ও পি ডি-এর আশঙ্কা

ধূপে উপস্থিত কার্বোন মনোঅক্সাইড, সালফার ডিওঅক্সাইড এবং ক্ষতিকারণ মনাইট্রোজেন দিনের পর দিন ধরে শরীরে প্রবেশ করতে থাকলে অ্যাস্থেমা এবং সিওপিডি-এর মতো রোগের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়।

৬. কোষেদের কর্মক্ষমতা কমে যায়

ধূপের ধোঁয়া এবং তাতে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর ধীরে ধীরে একাধিক কেষের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। সেই সঙ্গে কোষেদের আরও নানাভাবে ক্ষতি করে থাকে। ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে।

৭. কিডনির মারাত্মক ক্ষতি

ধূপের ধোঁয়ার কারণে লাং-এর যেমন মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে, তেমনি কিডনির কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে। আসলে ধোঁয়া যে মুহূর্তে শরীরে প্রবেশ করে, তখনই সারা দেহে ক্ষতিকর টক্সিনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। বিশেষত লেদের পরিমাণ বেড়ে যায়। এইসব টক্সিক উপাদানকে শরীর থেকে বার করতে কিডনির ওপর প্রভাব পরে। এর ফলে এক সময় গিয়ে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে।

৮. ঘরের অন্দরে দূষণের মাত্রা

ধূপের সুন্দর গন্ধে সারা ঘর ভরে যাওয়ার পর আমাদের অনেকেরই মন খুব খুশি হয়ে যায়। কিন্তু এই গন্ধ একেবারেই শরীরে পক্ষে ভাল নয়। কারণ ধোঁয়ায় উপস্থিত নাইট্রোজন অক্সাইড এবং কার্বোন মনোঅক্সাইডে সারা ঘরে সুন্দর গন্ধ ছড়িয়ে দিলেও আদতে কিন্তু ঘরের ভিতকরের বায়ুকে বিষাক্ত করে দেয় আর এই বিষাক্ত বায়ু ফুসফুসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে ক্ষতি করে।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon