Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

শিশুদের ডায়রিয়া হলে কি করা উচিত


শিশুদের ডায়রিয়া হলে আপনি হয়তো বেশি মাত্রায় চিন্তিত হয়ে পারেন। কিন্তু এ সময় তাদের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। তাই আপনারা জেনে নিন, শিশুর ডায়রিয়া হলে কী কী লক্ষ্য করতে হবে।

শিশুদের ডায়রিয়াজনিত জল শূন্যতা মারাত্মক হতে পারে। এমন সমস্যার লক্ষণগুলো খেয়াল করুন যেমন শিশুর অস্থিরতা ও তৃষ্ণা খুব বাড়ে, চোখ গর্তে ঢুকে যায়, ত্বক শুষ্ক ও ঢিলে দেখায়। শিশু নিস্তেজ হয়ে গেলে বা তার প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে সেগুলো খারাপ লক্ষণ। যথেষ্ট খাওয়ার স্যালাইন দেওয়ার পরও এমন হতে পারে।

শিশুকে বারবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। বয়স দুই বছরের কম হলে ১০ থেকে ২০ চামচ; দুই বছরের বেশি হলে ২০ থেকে ৪০ চামচ স্যালাইন প্রতিবার মলত্যাগের পর দিতে হবে। বমি হলে ১০ মিনিট অপেক্ষার পর আবার স্যালাইন দিন। সব বয়সের জন্য স্যালাইন বানানোর নিয়ম কিন্তু একই, বয়স কম বলে আধা প্যাকেট বা কম জলে গুলে স্যালাইন বানাবেন না।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুকে ডাবের জল, ভাতের মাড় ইত্যাদি দিতে পারেন। তবে বাজারের কোমল পানীয়, জুস, বেশি চিনিযুক্ত চা কিংবা কফি দেওয়া যাবে না। এ ছাড়া স্বাভাবিক সব খাবার খাওয়ানো যাবে। শিশুকে মায়ের দুধ অবশ্যই দিয়ে যেতে হবে। অল্পবয়সী শিশুর ডায়রিয়া হোক বা না হোক, তাকে মায়ের দুধের পরিবর্তে অন্য কোনো দুধ দেওয়া উচিত নয়। আর মায়ের খাওয়াদাওয়ায় কোনো নিষেধ নেই।

শিশুদের বেশির ভাগ ডায়রিয়া ভাইরাসজনিত। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত নয়। তবে শিশু কিছুই খেতে না পারলে বা নিস্তেজ হয়ে পড়লে, মলের সঙ্গে রক্ত গেলে কিংবা ডায়রিয়া ১৪ দিনের বেশি স্থায়ী হলে তাকে হাসপাতালে নিতে হবে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon