Link copied!
Sign in / Sign up
20
Shares

শিশুর ৭ টি খাবারের রেসিপি যা আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে


একটি নতুন মায়ের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ যে তাদের বাচ্চা যখন বড় হয় তখন বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য বুকের দুধ যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্ট নয়। এই উদ্বেগ সঙ্গে সঙ্গে শিশুর খাদ্য এবং বিভিন্ন শিশুর খাবার বিভিন্ন উপাদানের উদ্বেগ জন্মায় এবং এর মধ্যে অনেক রাসায়নিক ও ক্ষতিকারক পদার্থ আছে। এই বিষয়ে আপনাকে সাহায্য করার জন্য, এখানে বাড়িতে তৈরী শিশুর খাদ্যর জন্য কিছু রেসিপি আছে যা করতে খুব কঠিন না এবং তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর। এটি মনকে শান্তি দিতেও সাহায্য করে যেহেতু আপনি জানেন যে এর ফলে কী ঘটছে এবং কী না।

 

আপনার শিশুর খাওয়ানো আগে প্রথম কিছু জিনিসটি লক্ষ্য করা উচিত। নীচে কিছু নির্দিষ্ট খাদ্যের তালিকা রয়েছে যা সাধারণ অ্যালার্জি জাতক পদার্থ ধারণ করে থাকে:

১. ডিম

২. মাছ

৩.খোলাত্তয়ালা মাছ (চিংড়ি)

৪. সোয়াবীন

৫. গম

৬.বাদাম গাছ

জৈব পণ্য আপনার শিশুর খাদ্যে ব্যবহার করার জন্য সেরা হবে, যেমন যে কোনো ফল, এবং আলু, মিষ্টি আলু, শসা ইত্যাদির মতো কিছু সবজি।

এখানে কিছু ভারতীয় মায়ের দ্বারা তৈরি সেরা ঘরে তৈরী খাদ্যের রেসিপি। ৪=৬ মাস বয়সী শিশুদের জন্য:

 

১. দুধ ওটস পুডিং:

এটি করতে আপনার প্রয়োজন হবে গ্লুটেন ছাড়া জৈব ওটস ¼ কাপ,

¾ কাপ জল, মিষ্টি (চিনি না), এবং দুধ। ৪-৬ মাসের মধ্যে শিশুদের জন্য, ওটকে অবশ্যই ঝেড়ে এবং তারপর জল দিয়ে মিশ্রিত করা উচিত। তারপর অল্প আঁচে উপর ধীরে ধীরে রান্না করুন। রান্না করা হলে, ওটসের মিশ্রনের মধ্যে দুধ মেশান ।

 

২. মটর পিউরি:

এটি করতে ৩ কাপ মটরশুটি প্রয়োজন হবে, এবং ২ টেবিল চামচ জল। ফ্রোজেন মটরস প্রথমে ২ মিনিট জন্য সিদ্ধ করতে হবে এবং তারপর জল সঙ্গে পেস্ট করতে হবে যতক্ষণ না মাখনের মতো মসৃণ মিশ্রণ না হয়।

 

৩. কলা মিশ্রণ :

এটাই সম্ভবত করতে সবচেয়ে সহজ। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো কয়েকটি কলা ধুয়ে, খোসা ছাড়িয়ে নিন, এবং তারপর হাতের সাহায্যে বা ব্লেন্ডারে তাদের ভালভাবে মেশান। ৪-৬ বছরের বয়সের শিশুদের পছন্দসই হিসাবে একটি পাতলা সামঞ্জস্য রেখে বানানো প্রয়োজন।

 

৪. গাজর পিউরি :

এটি করতে, আপনি গাজর ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপর ভালোভাবে সিদ্ধ করতে হবে। সিদ্ধ হয়ে গেলে, সঠিক সমন্বয় করার জন্য তাদের একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। মনে রাখবেন, এটি ৬ মাসের নিচে কোন শিশুর জন্য অবশ্যই এটি পাতলা হতে হবে।

৫. আভাকাডো মিশ্রণ :

এটি অনেকটা কলা মিশ্রণ এর মতো, আভাকাডো গুলো ধুয়ে, বীজ ছাড়িয়ে নিন, এবং এটি একটি ব্লেন্ডারে পেস্ট করুন। প্রায় ১০-১২ মাস শিশুদের জন্য হাতের সাহায্যে ভালভাবে মেশান, সামান্য দানা থাকতে পারে, কিন্তু ৪-৬ মাসের শিশুদের জন্য, এটি মসৃণ এবং ভাল মিশ্রিত করা উচিত।

৬. মিষ্টি আলু:

মিষ্টি আলু মিশ্রণ বা পিউরি সুস্বাদু এবং আপনার শিশুর জন্য সুস্থ ও পুষ্টিকর। এটি তৈরীর প্রথম পদক্ষেপ মিষ্টি আলু থেকে ময়লা ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভালো করে সিদ্ধ করতে হবে যতক্ষণ না খুব নরম হয়, এবং তারপর জল ফেলে দিয়ে, একটি ব্লেন্ডার ব্যবহার করে এটি মিশ্রিত করা যতক্ষণ এটি মসৃণ এবং ঘন না হয়।

৭. আপেল পিউরি:

এটা দ্রুত তৈরি করা যায় এবং খেতে সুস্বাদু (আপনার শিশু এবং আপনার উভয় জন্য)।প্রথমে, ৪টি অংশে আপেলটি টুকরো করুন এবং বীজ ফেলে দিন। এটি নরম না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন, ১০-১৫ মিনিট সময় লাগবে। রান্না হয়ে গেলে, এটি ঠান্ডা করুন, তারপর খোলা ছাড়িয়া ব্লেন্ড করণ মসৃন না হওয়া প্রজন্ত। এটি ফ্রিজে রাখতে পারেন জমানোর জন্য।

 

১ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদের জন্য,আপনি অন্যান্য ধরনের ধরনের খাবার যেমন শিশুর স্ট্যু, মিষ্টি ভুট্টা স্যুপ, সবজি ও বার্লি স্যুপ, ইত্যাদি তৈরি করতে পারেন। সবকিছু ভাল করে মিশ্রিত করতে হবে। যাইহোক, প্রায় ১ বছর বয়স্ক শিশুদের খাওয়ানোর সময়, যেমন আভাকাডো, কলা বা অ্যাপল পিউরির মতো কিছু শিশুর খাবার সম্পূর্ণভাবে পিউরি করার প্রয়োজন নেই। একটি ছোট দানা আপনার বাচ্চা মারি দিয়ে চিবোতে পারে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon