Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

শিশুদের নিয়ে ৩টি মজার বাঙালি নিয়ম যা আপনাকে জানতে হবে


যখন একটি ছোট্ট শিশু বাঙালি পরিবারে জন্ম নেয়, তখন কিছু ছোট ছোট নিয়ম অতিক্রম করে! এই নিয়ম বা কিছু মজার জিনিস এবং আপনার তাদের সম্পর্কে জানা উচিত!

১. সাধ

গর্ভাবস্থার নবম মাসে, গর্ভবতী মায়ের একটি ভোজনের আচার অনুষ্ঠান করা হয় যা পায়েস নামে একটি মিষ্টির সাথে শেষ হয়। বাঙলিরা বিশ্বাস করে যে শিশুজন্ম অর্থাৎ দেবতা প্রতারণা করে এবং তাদের বিশ্বাস করে, এইভাবে একটি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত। শিশুর জন্য আগে থেকে কোন নতুন কাপড় কেনা বা বিছানা তৈরি না। বাঙালিরা বিশ্বাস করে যে এই অনুষ্ঠানটিতে দেবতাদের সন্তুষ্ট করতে যাতে তারা পরিবারের একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারে।

২. অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা

শিশু জন্ম থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত বাঙালিরা তাদের শিশুর চোখ এবং কপালে কাজল দিয়ে থাকে।এটা বিশ্বাস করা হয় যে কজালের কালো রং মন্দকে ঘৃণা করে এবং শিশুকে যেকোনো ধরনের ক্ষতিকারক শক্তি থেকে রক্ষা করে। আত্মীয়স্বজন এবং কখনও কখনও বাবা-মায়েদের কাছ থেকে শুভেচ্ছা পাবার পর শিশুর যে সেবিকা থাকে সে সবার চোখের আড়ালে লঙ্কা পুড়িয়ে অশুভ শক্তিকে দূর করে।

৩. অন্নপ্রশ্ন বা মুখেভাত

বাঙালির রীতি হচ্ছে শিশুকে প্রথম ভাত জাতীয় খাদ্দের সাথে পরিচয় করানো যা “অন্নপ্রশ্ন”নাম পরিচিত। এই অনুষ্ঠান ছয় বা সাত মাস বয়সে বাচ্চাটিকে সুন্দর সাজে সজ্জিত করে এবং মায়ের কোলে বসানো হয়। তারপর তার সামনে একটি পবিত্র বই, একটি কলম এবং একটি রুপোর মুদ্রা দেওয়া হয় । যদি শিশুর কলমটি বাছাই করে থাকে তবে তার মানে,সে পড়াশোনার অনুরাগী হবে, পৃথিবী উর্বরতা এবং সমৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, রুপোর মুদ্রা অর্থ সম্পদকে নির্দেশ করে এবং পবিত্র বই ধর্মকে চিহ্নিত করে। এই অনুষ্ঠান এবং পূজা পরে, মা পায়েসের বাটিতে একটি সোনার আংটি ডুবিয়ে দেয় এবং শিশুর কাছে দেয়। এর সাথে মাছের ছোট্ট টুকরো, সবজি এবং মিষ্টি দইদেওয়া হয় । বাঙালি এই রীতিনীতি অনেকের কাছে বোকা মনে হতে পারে, তবে বাঙ্গালীরা মনবজাতকে নিয়ে আনন্দ দেবার প্রচেষ্টায় নিয়োজিত, এই অভিজ্ঞতাগুলি যেমন মিষ্টি বা মজার, তেমনি আপনার হৃদয়ে তাদের জায়গা করা নিশ্চিত।
Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon