Link copied!
Sign in / Sign up
17
Shares

শীতকালে শিশুকে রোজ স্নান করাবেন না করাবেন না?

শীতের দিনে শিশুদের স্নান করানোর ব্যাপারে অনেকেই বেশ শঙ্কায় থাকেন। প্রতিদিন স্নান করালে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে, আবার না করালেও বিপদ। নিয়মিত স্নান না করালে ত্বকের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক শুষ্ক থাকে, খসখসে ভাব হয়। আবার নিয়মিত স্নান না করালে শিশুর শরীর ঘেমে যায়। এই ঘাম থেকে দুর্গন্ধ হয়, ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠে, ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে; এমনকি পুঁজও জমতে পারে। ঘাম গায়ে বসে গিয়েও অনেক সময় শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে।

অনেকে নবজাতককে নিয়মিত স্নান করান না। এ কারণে বাচ্চার গায়ে ফুসকুড়ি ওঠে এবং এর মধ্যে পুঁজ জমে যায়। তাই শিশুর অন্য কোনো সমস্যা না থাকলে নিয়মিত স্নান করানো উচিত। জন্মের পর নবজাতককে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্নান না করানো উচিত। এরপর প্রতিদিন স্নান করানো যেতে পারে।

নবজাতক, অর্থাৎ যাদের বয়স শূন্য থেকে ৩০ দিনের মধ্যে, তাদের সপ্তাহে দুদিন, এর পর থেকে, অর্থাৎ ৩০ দিনের বেশি বয়সী শিশুদের প্রতিদিন স্নান করানো উচিত। তবে অল্প ওজন নিয়ে জন্ম গ্রহণকারী শিশুর নাক দিয়ে জল পড়লে, নিউমোনিয়ার কোনো লক্ষণ থাকলে বা ঠান্ডা লাগার কোনো লক্ষণ থাকলে স্নান করানোই উচিত নয়। খুব ছোট শিশু কিংবা ঠান্ডার সমস্যা আছে এমন শিশুর ক্ষেত্রে বা যেদিন বেশি কুয়াশা থাকবে, সেদিন শিশুর স্নানের সময় কমিয়ে দিয়ে হালকা উষ্ণ জলতে দ্রুত স্নান করিয়ে ফেলতে পারেন।

শীতে শিশুকে গ্লিসারিনযুক্ত সাবান দিয়ে স্নান করানো ভালো। স্নান শেষে নরম তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছে দিন। এরপর ত্বক শুকিয়ে যাওয়ার আগেই চটজলদি ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে দিন। এতে শিশুর ত্বক ভালো থাকে; শুষ্ক ও খসখসে হয় না।

শীতে শিশুকে নিয়মিত স্নান না করালে চুলকানি, ছত্রাকসহ বিভিন্ন রকম চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। এক দিন পর পর চুলে ভালোভাবে শ্যাম্পু করিয়ে দিন, যাতে ধুলা-ময়লা জমে খুশকি না হয়।

শীতকালে স্নানের জলর তাপমাত্রা সহনীয় ও আরামদায়ক হতে হবে। এ সময় শরীরের তাপমাত্রা ও জলর তাপমাত্রা সমান রাখা উচিত। এতে শরীরের রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এ ছাড়া হালকা গরম জলতে স্নান করলে শরীরের বন্ধ লোমকূপ খুলে যায়। ফলে, ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ ও কোমল করে তোলে। শিশুর ত্বকের জন্য মালিশ খুব উপকারী; বিশেষ করে শীতে স্নানের আগে শিশুকে কিছুক্ষণ রোদে রাখার পর জলপাই তেল দিয়ে পুরো শরীর মালিশ করে দেওয়া উচিত। মালিশ করার তেল কুসুম গরম করেও নিতে পারেন। এতে শীতে শিশু ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা কম থাকবে আর ত্বকও অনেক ভালো থাকবে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon