Link copied!
Sign in / Sign up
5
Shares

শিশুর গ্যাস : কি ভাবে সমলাবেন তাদের?


শিশুরা খুব মিষ্টি হয় ,মাঝে মাঝে নিজেদের বায়ু ত্যাগের শব্দে নিজেরাই ভয় পেয়ে যায়.শিশুরা দিনে সাধারণত ১৮ -২১ বার বায়ু ত্যাগ করে। কারণ তারা খাবারে র সাথে কিছু বাতাস ও গিলে নেয়। ইটা তে কিছু যাই আসে না যে শিশু বোতলে দুধ পান করে না মাতৃদুগ্ধ পান করে। যখন শিশু কাঁধে বা অন্য জিনিস যখন চোষে তখন ও এই ঘটে।


এর লক্ষণ গুলি কি কি?

যদি আপনার শিশুর শরীরে গ্যাস আটকে থাকে তাহলে কিছু কিছু লক্ষণ আপনি দেখতে পারবেন যেগুলো হলো:

-ছটফটে এবং মেজাজ

-পেট ফাঁপা

-ঘন ঘন ঢেকুর

-অস্বস্তির কারণে কান্না

-আওয়াজ করে বায়ু ত্যাগ

-সক্ত পেট


আপনি কি জানেন?

শিশু যদি গ্যাসের যন্ত্রনায় কষ্ট পায় তাহলে তার পা দুটো উপরে সোজা করে তুলে ভাঁজ করতে হবে আর চাপ দিতে হবে তারপর দেখতে হবে তার সমস্যা আছে না গেছে।

কি ভাবে আমি আমার শিশুকে স্বস্তি দেব?

শিশু কে গ্যাসের ব্যাথা এ কষ্ট পেতে দেখা মা বাবা র ক্ষেত্রে একটা বিশাল যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা। এখানে কিছু পদ্ধতি দাওয়া হলো যার মাধ্যমে আপনি আপনার শিশুকে একটু শান্তি দিতে পারবেন।


কাপড়ের পট্টি দিয়ে বেঁধে রাখা

শিশুকে নিয়ে কাপড়ের পট্টি দিয়া শক্ত ও সুন্দর করে জোটারে হবে যাতে শিশু আরাম অনুভব করে ঠিক যেমন সে আপনার গর্ভে ছিল।

চনমনে থাকুন

যখন আপনার সন্তান ক দুধ পান করবেন তখন দুলে দুলে খাওয়ান যাতে আপনার সন্তান ওয়ারাম অনুভব করে।


চুষি চুষতে দিন

চুষি চুষলে আপনার শিশু গ্যাস ও মুক্তি পেতে পারে। যে চুষলে শরীর থেকে এনডোফর্মিং যা শরীর ক মসৃন রাখে।

মালিশ

শিশুর পেটে দিয়া ঘষলে তা শিশুর শরীরে একটা চাপ সৃষ্টি করে যা শিশুর পরিপাক যন্তের নার্ভ গুলোকে সচল রাখে।

বাতাসে সাইকেলিং

চিৎ করে আপনার শিশু ক সোয়ান এবং তার পা দুটো এমন ভাবে নাড়ান যেন সে বাতাসে সাইকেলিং করছে বলে মনে হয়। ইটা শিশুর কাছে খেলা কিন্তু এর দ্বারা আপনি সরাসরি ওর কষ্ট কমাতে পারবেন ও বায়ু নির্গত হবে।


পিঠে ঘষুন

বাতাসের কিছু অংশ শিশুর পাকস্থলী তে আটকে থাকে যা পিঠে ঘষার ফলে বেরিয়ে যাই। শিশুর খাওয়া শেষ আগে এ তার পিঠে ঘষুন যাতে হজম প্রক্রিয়া চলা কালীন তার অসুবিধা না হয়।

কখন আমি আমার সন্তান ক ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাবো?

পাকস্থলীতে গ্যাস জমে থাকলে তা চিকিৎসামূলক এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমস্যা নয়। যদি আপনি আপনার শিশুর মধ্যে কিছু লক্ষণ যখন দেখবেন তখন তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন সাথে সাথে।

যদি আপনার সন্তান পায়খানা না করে বা রক্ত পায়খানা করে।

যদি আপনার সন্তান বমি করে।

সন্তানের শরীরের উষ্ণতা লক্ষ্য করুন।যদি উষ্ণতা ১০০.৪ ডিগ্রি বা তার বেশি থাকে তাহলে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা আছে। যদি শিশুর বয়স ৩ হয়ে তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon