Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

শিশুর চিকুনগুনিয়া হলে তার লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

অসুস্থতা এড়াতে একজন মায়ের তার শিশু ও নিজের সম্পর্কিত তথ্য এবং চিকিৎসার সমস্ত কিছু জানা প্রয়োজন। কারণ রোগের জ্ঞান তাকে ও তার শিশুকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। এটিই হল একজন ভাল মা ও একজন সেরা মায়ের মধ্যে পার্থক্য। তিনি শিশুকে সস্নেহের পাশাপাশি কষ্ট ও রোগ থেকে দূরে রাখেন। আমরা আমাদের পাঠকদের চিকুনগুনিয়া নামক রোগ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিতে চাই যাতে আপনি সেই সময় শিশুকে রক্ষা ও চিকিৎসা করতে পারেন।

চিকুনগুনিয়া কি?

চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাল জ্বর। এই ভাইরাস একটি মশা কামড়ানো দ্বারা শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে; মশাটির নাম হল এডিস এজিপ্টি। এডিস এজিপ্টি হলুদ জ্বর রোগেরও কারণ। চিকুনগুনিয়া রোগটি এক ব্যক্তির কাছ থেকে সরাসরি ছড়িয়ে পড়ে না, তবে এডিস মশার কামড়ের পরে একজন সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে অসুস্থ ব্যক্তিটির ভাইরাস সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

সাধারণত এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়, অতএব, এটি থেকে বাঁচতে হলে মশার কামড় থেকে এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এর কামড় গুরুতর এবং বিপজ্জনক রোগ হতে পারে। চিকুনগুনিয়া এখনো একটি অজানা জ্বর।

চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ:

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসটি শিশুটির দেহে প্রবেশ করার সময় অনুরূপ উপসর্গ তৈরি করে, যেমন ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। মশার কামড়ের ২ থেকে ৫ দিন পর, চিকুনগুনিয়া উপসর্গ দেখা দিতে শুরু হয়। নিম্নলিখিত উপসর্গ বিবেচনা করুন:

১. এক থেকে তিন দিনের জন্য জ্বর হচ্ছে, হাড়ের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা এবং ফোলা ফোলা ভাব।

২. দ্রুত ঠাণ্ডা লাগা কাঁপুনির সাথে এবং তার সাথে তুমুল জ্বর এবং কাশি।

৩. উস্কো খুস্কো ত্বক।

৪. মাথা ও শরীরের ব্যথা।

৫. বমি

৬. চোখের মধ্যে ব্যথা

৭. ঘুম না হওয়া।

৮. ক্ষুধা হ্রাস হওয়া।

9. মৃদু ঝাঁকানি।

১০. হাত ও পায়ের অবশ ভাব ও তার সাথে মাথা ঘোরা।

১১. কিছু শিশুর মাড়ি এবং নাক থেকে রক্তপাত।

যদি আপনার চিকুনগনিয়া থাকে, ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করেন। এই রোগের জন্য কিছু ভাল ঘরোয়া প্রতিকার আছে কারণ এই অসুখের প্রতিকারের জন্য বেশি ওষুধ পাওয়া যায় না। এখনো অবধি কোনো টিকাও তৈরি করা হয়নি, যা রোগের আগে প্রয়োগ করা উচিত। চিকিত্সার ক্ষেত্রে ডাক্তাররা লক্ষণগুলি কমিয়ে আনার চেষ্টা করেন। 

 

শিশুর স্বাস্থ্য দ্রুত ফিরিয়ে আন্তে এই প্রতিকারগুলি চেষ্টা করুন:

১. অনেক অনেক উষ্ণ গরম জল পান করেন যা শিশুটির ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

২. দুধ-দই বা অন্যান্য জিনিস খান।

৩. নিমপাতার রস করে শিশুকে খাওয়ান।

৪. শিশুর কাপড় এবং বিছানা পরিষ্কার রাখুন।

৫. আরো এবং আরো পেঁপে এবং বেরিল খাওয়ান।

৬. সবসময় আপনার বাড়ির ভিতরে এবং চারপাশে পরিষ্কার রাখুন।

৭. আপনার চারপাশের ঘরের বা জায়গাগুলিতে জল সংরক্ষণ করবেন না।

৮. সময় সময়ে ঘরের মধ্যে রাখা এয়ার কুলার বা কন্ডিশনার পরিষ্কার করুন। যদি এটি না হয়, তাহলে আপনি সপ্তাহে একবার ঘরে গ্যাসোলিন ব্যবহার করে কিছু পুড়িয়ে তার ধোয়া ঘরে প্রবেশ কোরান।

৯. ঘুমের সময় মশারি ব্যবহার করুন।

১০. শরীর ঢাকা পোষাক পড়ান জখম শিশুকে বাইরে নিয়ে বেরোচ্ছেন।

১১. আঢাকা খাদ্য বা খোলে পাত্রের জল খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

১২. সন্ধ্যায় ঘরের জানালা বন্ধ করে রাখুন যাতে বাড়ীতে মশা প্রবেশ করতে না পারে।

যখন কারুর এই রোগ হয়, তখন তাদের সাথে আসে পাশে লোকজনদের এই রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অতএব, যদি আপনার চিকুনগুনিয়া বা এরকম রোগ থেকে বাঁচতে যান, তাহলে বিশেষ করে দিনের মশা থেকে সুরক্ষা নিন। বর্ষার সময় আপনার পরিবারের যত্ন নিন।

যাইহোক, এই মাসে দেশের অনেক অংশে বৃষ্টিপাত হয়, এই পোস্টটি ভাগ করে, আপনি অরুর জীবন রক্ষা করতে পারেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon