Link copied!
Sign in / Sign up
10
Shares

আপনারবাচ্চা কি স্কুলে যায়? স্কুলে যাওয়া বাচ্চাদের রোজ দুধ খাওয়ানো কি আদেও ভালো?

 

আপনি যদি প্রতিদিন আপনার বাচ্চাদের স্কুল থেকে এলে বা স্কুলে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ দিচ্ছেন, তাহলে সময় থাকতে তা বন্ধ করে দেখুন যে এটি তার শরীরে কি করছে। কেননা এর দ্বারা মা-বাবারা সম্পূর্ণ অজান্তে অক্সিটোসিন নামক এক বিশেষ হরমোন প্রতিদিন তাঁদের বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন!

শুধু যে আমাদের দেশে ভেজাল দুধ সম্পর্কে আপনার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত তাই নয়, যেভাবে দুধের পরিমান বাড়াবার জন্য গরু-মোষকে অক্সিটোকিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় সে ব্যাপারেও সচেতন হওয়া আবশ্যক।

এবং মনে রাখবেন, এই হরমোনটি শুধু যে পশুদের প্রভাবিত করে তাই নয়, এটি অল্পবয়স্ক শিশুদের দ্রুত বয়ঃসন্ধির দিকেও ঠেলে দেয়। একটি দৈনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে অনেক গোয়ালা তাদের গবাদি পশুকে অক্সিটোকিন ইঞ্জেকশন দেয়, যা তাদের প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, এমনকি তাদের বন্ধ্যা করে দেয়।

ভারতীয় শিশুরা অল্প বয়সে বয়ঃসন্ধিতে উপনীত হচ্ছে।

এই ব্যাপারে আরও বিপজ্জনক সত্য হচ্ছে যে এই হরমোন প্রকৃতপক্ষে বহুসংখ্যক শিশুকে অকাল যৌবনারম্ভের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অর্থাৎ, আপনার মেয়েটি বহু আগেই রজোদর্শন করবে এবং আপনার ছেলেটির মাত্র দশ বছর বয়সেই গোঁফ-দাড়ি গজাতে শুরু করবে।

মিড-ডে পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃত্রিমভাবে অক্সিটোসিন হরমোন ইঞ্জেকশন দেওয়া নিষিদ্ধ হলেও গবাদি পশুকে গোপনে দেওয়া হয়।

গর্ভবতী মহিলাদের প্রসব বেদনা ত্বরাণ্বিত করার জন্য অক্সিটোসিন বা পিটোসিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। বাণিজ্যিক খাটালগুলিতে মোটামুটি দিনে দুবার করে অক্সিটোসিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এই ইঞ্জেকশন দেওয়ার ফলে গবাদি পশুর দুগ্ধগ্রন্থিতে তাদের বাছুরের জন্য যে দুধ জমা থাকে, সেটাও বেরিয়ে আসে বলে লিটার কয়েক বেশী দুধ পাওয়া যায়। আবার, অক্সটোসিন মেয়েদের শরীরে বেড়ে ওঠার হরমোনগুলির ওপর ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া করে, যে কারণে খুব কম বয়সেই মেয়েরা ঋতুমতী হয়ে পড়ে।

এটি কিভাবে বাচ্চাদের যৌবনারম্ভের বয়স কমিয়ে আনে?

নব্বইএর দশকেও মেয়েদের আদ্যঋতু হত ১৬ বছর বয়সে। এই বয়সটি ভয়ঙ্করভাবে নেমে আসছে এবং ইদানীং মেয়েদের মাত্র ৯-১০ বছর বয়সে অকাল ঋতু দেখে উদ্বিগ্ন মা-বাবারা আমাদের কাছে ছুটে আসছেন। ছেলেদের মধ্যে গাইনেকোমেস্টিয়া (বক্ষস্ফীতি) দেখা দেওয়াও বেড়ে চলেছে।

এর কারণ, বাইরে থেকে, যেমন, দুধ ও ডেয়ারীতে প্রস্তুত খাদ্যের সঙ্গে অক্সিটোসিন প্রবেশ করে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার উচিত গবাদি পশুর ওপর হরমোনের অপব্যবহার কড়া হাতে দমন করা। খাদ্যে এবং দুগ্ধজাত দ্রব্যে হরমোনের মাত্রা নির্ধারণের জন্য আরও পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা উচিত।

এই হরমোনটি ভারতে কেন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না?

আপনি এখনই যা পড়লেন, সেটি পড়ার পর আপনার মনে যদি এই প্রশ্নটি জেগে থাকে, তাহলে জানাই যে এই হরমোনটি সরাসরি বিক্রী করা আসলে নিষিদ্ধ।

জন্তুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা নিরোধক আইনের অনুচ্ছেদ ১২ মোতাবেক, খাদ্য ও ভোজ্যবস্তুতে ভেজাল নিরোধক আইন এবং ঔষধ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী যে সব ওষুধে এই হরমোন আছে, তা ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন ছাড়া কেনা যায় না।

দুর্ভাগ্যবশতঃ, বেআইনি ভাবে এটি এখনও বিক্রী হচ্ছে এবং বহু খাটাল ও ডেয়ারী মালিক দুধের উৎপাদন বাড়াবার জন্য সেটি ব্যবহার করছেন। কিন্তু এই জঘন্য ব্যবসার ফলে ভালর চেয়ে খারাপ হচ্ছে বেশী, আর চরম প্রভাবিত হচ্ছে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা।

তাহলে কি করা উচিত?

আপনার বাড়িতে যে দুধ নেওয়া হয়, সর্বদা তার উৎস সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ হোন এবং সম্ভব হলে তা ল্যাবোরেটরিতে পরীক্ষা করান। আর একটি উপায় হল, দুধে কোনও রকম ভেজাল আছে কিনা সে ব্যাপারে নজর রাখা। কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ামকের নির্দেশিকা অনুযায়ী কিভাবে আপনার বাড়িতেই এটি করতে পারেন, তা এখানে দেওয়া হল।

জল : পালিশ করা মসৃণ পাটায় এক ফোঁটা দুধ ফেলুন। বিশুদ্ধ দুধ একটা দাগ রেখে গড়াবে, যেখানে জল মেশানো দুধ দাগ না রেখে গড়াবে।

ডিটারজেন্ট : ৫-১০ এম এল দুধের নমুনার সঙ্গে সমপরিমাণ জল মিশিয়ে ঝাঁকান। যদি ফেনা হয়, তাহলে দুধে ডিটারজেন্ট মেশানো আছে।

কৃত্রিম দুধ : কৃত্রিম দুধের স্বাদ একটু তিতকুটে হয় এবং গরম করার পর হলদেটে হয়ে যায়। আঙ্গুলে নিয়ে ঘষলেও কৃত্রিম দুধ চিনতে পারবেন, যদি সাবানের মতো পিচ্ছিল লাগে, তাহলে তা কৃত্রিম।

শ্বেতসার : নমুনার দুধে একটু আয়োডিন দ্রবন মেশান – যদি নীল রঙ দেখতে পান, তার মানে সেই দুধে শ্বেতসার আছে।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

Recently, we launched a baby-safe, natural and toxin-free floor cleaner. Recommended by moms and doctors all over India, this floor-cleaner liquid gets rid of germs and stains without adding harmful toxins to the floor. Click here to buy it and let us know if you liked it.

Stay tuned for our future product launches - we plan to launch a range of homecare products that will keep your little explorer healthy, safe and happy!

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon