Link copied!
Sign in / Sign up
4
Shares

শাশুড়ির সাথে ঝামেলা? এখানে রইল গর্ভাবস্থায় তাদের সাথে মানিয়ে চলার কিছু কৌশল:-

শাশুড়িরা, মনের দিক থেকে পবিত্র হলেও মাঝে মাঝে বিশেষত তাদের নাতি নাতনিদের আগমনকালে তারা হয়ে উঠতে পারেন একটা উপদ্রব। যদি তিনি আপনাকে তার পছন্দসই নাম বলে বলে এবং যা পাচ্ছেন তাই আপনাকে খাইয়ে খাইয়ে বিরক্ত নাও করছেন, আপনি হয়তো দেখবেন কিভাবে আপনার নিজের থেকেও বেশি করে আপনার সন্তানের কাছে যাওয়া যায় সেই নিয়ে তিনি ফন্দি ফিকির করতে ব্যস্ত। কিন্তু, এর মানে এই মোটেই নয় যে এটা সবসময় তিনি কোনো নেতিবাচক চিন্তা ভাবনা থেকে করছেন। সম্ভাবনা রয়েছে যে আপনার শাশুড়ি হয়তো তার নাতি বা নাতনিকে নিয়ে একটু বেশিই উদ্বিগ্ন এবং ফলস্বরূপ, তিনি কিছু সীমা অতিক্রম করে ফেলছেন। কিন্তু এটাই ঠিক সময় যখন আপনি তাকে বোঝাতে পারবেন যে এই সম্পূর্ণ গর্ভাবস্থায় এবং বাচ্চার বিকাশে তার ভূমিকাটা ঠিক কী এবং এটা আপনার তাদের যতটা নম্রভাবে বোঝানো সম্ভব বোঝানো উচিত। কিন্তু, আমরা বুঝি যে কিভাবে এই সমস্যাটাকে সামলাবেন অনেকসময় সেটা আপনার পক্ষে সেটা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং তাই, আমরা আপনাদের কিছু পরামর্শ দিতে পারি যা আপনার ব্যবহার করতে পারেন।

 

১. কখনোই আপনার স্বামীকে এসবের মাঝে টানবেন না

প্রথমত, আপনি আপনার স্বামীকে কখনোই এরকম পরিস্থিতিতে ফেলবেন না যেখানে তাকে তার স্ত্রী এবং তার মায়ের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হয়। আক্ষরিকভাবেই এটা হলো সবথেকে বাজে জিনিস যা আপনি তার সাথে করতে পারেন। তারথেকে, আপনার আপনার শাশুড়ির সাথে যা সমস্যা হচ্ছে তাকে নিজে থেকে সমাধান করার চেষ্টা করুন। আপনি আপনার স্বামীর কাছ থেকে পরামর্শ চাইতেই পারেন কিন্তু কখনোই তাকে মধ্যস্থতা করতে বাধ্য করবেন না। একইভাবে, যদি আপনার শাশুড়ি আপনার স্বামীকে মাঝে আনতে চান তো তাদের সাথে বসুন এবং শান্ত ভাবে বোঝান যে এসবের মাঝে না আসতে কারণ এটা শেষ অব্দি তাদেরকেই আঘাত করবে।

২. তাকে আপনার গর্ভাবস্থার় অংশ হতে দিন, কিন্তু আপনার মতো করে

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, ভেতরে ভেতরে, আপনার শাশুড়ি কেবলমাত্র আপনার এই অবস্থার একটা অংশ হতে চান যাতে তিনি আরো একবার মাতৃত্বের স্বাদ ফিরে পেতে পারেন। একবার যখন আপনিও বৃদ্ধ হবেন, দেখবেন আপনিও হয়তো একই কাজ করবেন। এবং তাই, তাকে তার মুহূর্তগুলো পেতে দিন কিন্তু এটাও নিশ্চিত করুন যে তার এই গর্ভাবস্থায় এবং পরবর্তীকালে জড়িত থাকা নিয়ে আপনি স্বচ্ছন্দ।

 

৩. তার সাথে কথা বলুন

আপনি যা ভাবছেন তা নিজের মনের মধ্যেই রেখে দেওয়ার ফল কিন্তু মারাত্মক হতে পারে যতক্ষণ না আপনি সেই মানুষটার সাথে কথা বলে নিচ্ছেন যার জন্য আপনি ক্ষুব্ধ, আপনি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা জানতে পারবেন না এবং জানতে পারবেন না তারা যা করেছে তার পেছনে কারণটা ঠিক কী। সুতরাং, আপনার শাশুড়ির সাথে কথা বলুন এবং ওনাকে বলুন যে কিছু জিনিস আপনার খারাপ লেগেছে এবং ওনাকে পুরো ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করতে দিন। পাশাপশি, মানুন বা না মানুন, অনেক পরিস্থিতিতেই আপনার ওনার সাহায্যের প্রয়োজন হবে। সুতরাং, আগে থেকেই ওনার সাথে একটা সম্পর্ক তৈরি করে রাখলে, ওনাকে সাহায্যের জন্যে ভরসা করতে পারবেন।

৪. ধৈর্য রাখতে চেষ্টা করুন

হ্যাঁ, মাঝে মধ্যেই আপনার শাশুড়ি আপনার চরম বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু, আপনাকে একটু ধৈর্য রাখতে হবে এবং আপনার পুরো শরীরে হরমোনের চলাফেরার কারণে, একটু ধৈর্য ধরতে শেখা ভালো নাহলে আপনি আপনাদের সম্পর্কের কোনো অসংশোধনীয় ক্ষতি করে ফেলতে পারেন। আপনার এটা অবশ্যই করা উচিত এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার চেষ্টা করা উচিত। ওনার সাথে আক্রমণাত্মকভাবে কথা বলবেন না বরং ঝগড়া শুরু না করে দৃঢ় ভাবে জানান আপনার মনে কী আছে।

 

৫. চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময়ে মাঝে মাঝে অনেক সঙ্গে নিয়ে যান

আপনার শাশুড়িকে অন্যান্য জায়গায় নাক না গলাতে দিয়েও সন্তুষ্ট রাখার সব থেকে ভালো উপায় হলো যখন আপনি চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছে তখন তাদেরও সাথে করে নিয়ে যাওয়া। এভাবে তিনি নিজের নাতি বা নাতনির হৃদস্পন্দন শুনতে পাবেন এবং বুঝতে পারবেন কিভাবে শিশুটির উন্নতি হচ্ছে। এবং একবার তিনি চিকিৎসকের সাথে সেইসব পরামর্শগুলো নিয়ে কথা বলে নিচ্ছেন যেগুলো তিনি আপনাকে দিচ্ছিলেন, আপনি নিজেকে সেগুলো থেকে বাঁচাতে পারবেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon