Link copied!
Sign in / Sign up
17
Shares

আমিষ দিন হোক, কি নিরামিষ; বাচ্চা থেকে বড় সকলের জন্যে মুখরোচক রেসিপি সাবুদাদা বড়া বা কাটলেট!


বাঙালিরা হয়তো একটা সাবুদানা বড়া বা কাটলেটের নামের শটে পরিচিত নন, আবার অনেকে পরিচিত। আসলে এটি একটি একটি বিখ্যাত মহারাষ্ট্রীয় স্টিট ফুড। ঠিক যেমন আজকের দিনে পাও ভাজি আর কারুর অপরিচিত নয়, সেভাবে সাবুদানা বড়া বা কাটলেটও ধীরে ধীরে বাঙালিদের প্রিয় খাদ্য হয়ে উঠছে। এর সবচেয়ে সুবিধা হল, এটি নিরামিষের দিনেও আপনি অনায়াসে বিকেলে চায়ের সাথে স্ন্যাক্স হিসেবে খেতে পারেন ও বাচ্চাদেরও এটি খাওয়াতে পারেন। এটি বাইরে থেকে মুচমুচে এবং ভিতরে নরম হওয়ার ফলে দারুন মুখরোচক একটি খাবার। তার ওপর সাবু দানা পাওয়াও একেবারেই কঠিন না। তাহলে রইলো আপনাদের জন্যে রেসিপি সাবুদানা বড়া বা কাটলেট।

উপকরণ 

সাবুদানা বড়া বড়া বা কাটলেট বানাতে গেলে লাগে সাবুদানা - ২ কাপ, খোসা ছাড়ানো আলু সেদ্ধ- ৪টি, আদা কুচি -১ চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচি - ২ চামচ, সাদা তিল - ১ চামচ, নুন- পরিমান মতো, কর্নফ্লাওয়ার - দেড় চামচ, বাদাম ভাজা বাদাম গুঁড়ো করে - ৫ চামচ, সাদা তেল- পরিমান মত, জল - হাফ কাপ


প্রণালী 

প্রথমে একটি পাত্রে সাবুদানা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন ও বেশ কিছুক্ষন জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। প্রায় ৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর জল থেকে সাবুদানা ছেঁকে উঠিয়ে নিন। আঙুলে কয়েকটি সাবুদানা নিয়ে টিপে দেখুন সেটি নরম হয়েছে কি না। যদি না হয় সেটি আরো কিছুক্ষন ভিজিয়ে রাখুন অথবা ৫ মিনিট সেদ্ধ করে নিন জলে ও ছেঁকে তুলে নিন। এবারে আলু সেদ্ধটি ভালো করে মাখুন ও তাতে সাবুদানাগুলি দিয়ে দিন। এখন তাতে আদা কুচি, লঙ্কা কুচি, সাদা তিল ও পরিমান মত নুন মিশিয়ে নিন। ৯। এবার ভালো করে মাখুন ও একটি ঘন গোলার মত তৈরী করুন (এমন গলা যা বড়া বানানোর মত)। এবারে কড়াইয়ে বা ফ্রাইং প্যানে সাদা তেল ঢেলে গরম করুন ও অল্প অল্প লেচি নিয়ে টেলি ফেলুন। প্রথমে ৩ মিনিট এক পিঠ ভাজা হলে  ঘুরিয়ে দিন। বাদামি রং হয়ে এলে বুঝবেন ভাজা প্রায় হয়ে এসেছে। গ্যাসের আঁচ একদম কম রাখবেন যাতে পুড়ে না যায়। 

ভাজা হয়ে গেলে ভালো করে তেল ঝরিয়ে একটি পাত্রে বড়াগুলি উঠিয়ে রাখুন ও গরম গরম পরিবেশন করুন।

মনে রাখবেন

১। আপনি যদি বড়া হিসেবে খেতে চান তাহলে গোল গোল আকারের লেচি বানিয়ে তেলে ফেলবেন, কাটলেট হিসেবে খেতে চাইলে চ্যাপ্টা চ্যাপ্টা করবেন।

২। সাবুদানা খুব ভাল করে ধুতে ভুলবেন না।

২। মাঝারি মাপের জলে সাবুদানা ভেজাবেন, অতিরিক্ত জলে ভেজালে তা গোলে যেতে পারে। 

৩। আমিষ হিসেবে আরো সুস্বাদু করতে গেলে একটু পেঁয়াজ কুচু ও অল্প রসুন কুচিও মাখার সময় দিতে পারেন।


Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon