Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

রূপচর্চায় সর্ষের তেলের অবদান


সর্ষের তেলের গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। রান্নার কাজে সর্ষের তেলের ঝুড়ি নেই বললেই চলেই। সর্ষের তেল রান্নায় নিয়ে আসে এক অন্যরকম স্বাদ। তাছাড়া সর্ষের তেল চুলে জন্য বেশ উপকারী। চুলের আগা ফাটা, চুল পড়া রোধ, চুল ঘন কালো করতে সর্ষের তেলের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু এখানেই শেষ নয় ত্বকের যত্নেও রয়েছে এর অবদান। আসুন দেখে নেই।


প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন

সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলে গেছেন বা সানস্ক্রিন ব্যবহারে আপনার অ্যালার্জি আছে? চিন্তা নেই, সর্ষের তেলই সানস্ক্রিনের কাজ করবে। সর্ষের তেল এবং ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে নিন। ভিটামিন ই অয়েল সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে থাকে। এর সাথে ত্বকের বলিরেখা, বয়সের ছাপ রোধ করতে সাহায্য করে। সর্ষের তেল খুব ভালভাবে ম্যাসাজ করুন, যাতে ত্বকে কোন তেল না থাকে।


ত্বকের দাগ দূর করতে

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সর্ষের তেল অনেক কার্যকরী। বেসন, টকদই, সরিষার তেল এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার এই প্যাক ব্যবহার করুন।


ঠোঁট ফাটা রোধ করতে

ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষা তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়োশ্চারাইজার ঠোঁট ফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তুলে।


চুল পাকা রোধ করতে

সর্ষের তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্কতা রোধ করে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সর্ষের তেল ম্যাসাজ করুন চুল এবং মাথার তালুতে। এটি আপনার চুল পাকা রোধ করবে।


নতুন চুল গজাতে

সর্ষের তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই তেল আয়রন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের উৎস। যা চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে থাকে।

তবে সর্ষের তেল ব্যবহারের পূর্বে নিশ্চিত হয়ে নিন খাঁটি কিনা। নকল বা ভেজাল সরিষা তেল ব্যবহার করবেন না। এতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থােকে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon