Link copied!
Sign in / Sign up
4
Shares

রোজ একটি করে আপেল করতে পারে বাচ্চার নানা সমস্যার সমাধান। কেন?


খিদে পেলেই তো বাচ্চারা হাতে তুলে নেয় বার্গার অথবা পিৎজা। পেট ভরলেই আমরা ভেবে নিই শরীরও ভরলো ওদের। যদিও, এটি খুবই ভুল ধারণা। আসলে এই ধরণের খাবারগুলি বাচ্চাদের শরীরকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই, শরীরে বাসা বাঁধছে হাজারো সমস্যা। মূলত, খাদ্যগুলির মধ্যে কতটা পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, তা হয়তো আমরা কল্পনা করতে পারিনা। এর মধ্যে লাল এবং সবুজ আপেল যথাক্রমে ১২ এবং ১৩ তম স্থানে রয়েছে। তো দেখে নেওয়া যাক, আপেলের কোন কোন গুণ বাচ্চাদের কিভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

১. সাদা ঝকঝকে দাঁত

আপেল খেলে বাচ্চার দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন তারা চিবোতে শুরু করে, তখন মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এরফলে সেই ব্যাকটেরিয়া দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। 

২. সবরকম ক্যান্সার দূর করতে সাহায্য করে

আপেল খেলে ভবিষ্যতে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও এতে রয়েছে ট্রিটারপেনয়েডস যা লিভার ভাল রাখে বাচ্চাদের। আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা ভবিষ্যতে মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।

৩.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায়

যে সকল শিশুরা প্রতিদিন আপেল খায়, তাদের বেবি ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৪.কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে

আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা বাচ্চাদের অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে ভবিষ্যতে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে পরবর্তীকালে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকেনা।

৫.হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে

আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৬. গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে

পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৭.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে

বাচ্চা যখন বাথরুমে যায় তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই  সমস্যার একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ি বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন তাদের অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।

৮.ওজন কমাতে সাহায্য করে

অনেক এমন বাচ্চা আছে, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খাওয়ান বাচ্চাকে। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার বাচ্চার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে তাদের।

৯.লিভার সুস্থ থাকে

বাচ্চারা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই শিশুদের লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

১০.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে

আপেলের মধ্যে এক ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা কুয়েরসেটিন নামে পরিচিত। এটি বাচ্চাদেরশরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon