Link copied!
Sign in / Sign up
15
Shares

পুরান মতে আপনার সন্তান কি কি চিন্তা করত মাতৃগর্ভে

 

 

যেদিন আপনি জানলেন যে আপনি মা হতে চলেছেন। তার পর থেকে প্রতিমাসে ধীরে ধীরে শিশুর বৃদ্ধি হতে থাকে।

গর্ভাবস্থার প্রথম একমাসে গর্ভস্থ সন্তানের মাথা

দ্বিতীয় মাসে হাত-সহ শরীরের অঙ্গগুলি

তৃতীয় মাসে নখ, লোম, হাড়, লিঙ্গ, নাক, কান, মুখ

চতুর্থ মাসে ত্বক, মাংস, রক্ত, মেদ, মজ্জার

পঞ্চম মাসে শিশুর খিদে-তৃষ্ণার অনুভূতি

ষষ্ঠ মাসে শিশু মাতৃগর্ভে নড়াচড়া শুরু করে

গরুড় পুরাণ মতে বলা হয়েছে, মহিলাদের মাসিক চলাকালীন সময়েই নাকিগর্ভধারণ করেন। এর ফলে তাঁরা ৪দিন অপবিত্র থাকেন।

মিলনের ফলে পুরুষের বীর্য মহিলার গর্ভে প্রবেশ করে। এর একমাসের মধ্যে তা একটি পিণ্ডর আকার ধারণ করে এবং একটি ডিমের আকারের সমান হয়ে যায়।

মা যে সমস্ত খাবার খান, তার থেকে পাওয়া পুষ্টিতেই গর্ভস্থ শিশু বড় হয়ে ওঠে। এই সময়ে মায়ের গর্ভের মধ্যে, অবস্থান করে শিশুটি। কৃমি-জাতীয় পরজীবীর কামড়ে শিশু কষ্টও পায়, এবং দিশাহীন হয়ে পরে। মা যদি কোনও ঝাল, তেতো, কষা বা মশলাদার খাবার খায় তবে শিশুর কষ্ট হয়।

এর পরবর্তী পর্যায়ে শিশু সম্পূর্ণ উল্টো দিকে ঘুরে যায়, মাথা নীচের দিকে এবং পা উপরের দিকে হয়ে যায়। শিশু নড়াচড়াও করতে পারে না। গরুড় পুরাণ অনুযায়ী, খাঁচায় বন্দি পাখির মতোই কষ্টে থাকে শিশুটি। এই সময় শিশু হাতজোড় করে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে, যে সে কবে মুক্তি পাবে । কারণ তিনিই তাকে গর্ভে স্থাপন করেছেন।

গর্ভাবস্থার সপ্তম মাসে শিশুর জ্ঞান হয় এবং সে ভাবে, মাতৃগর্ভ থেকে সে কবে বাইরে আসবে। সেই সময়ে শুদু মাত্র শিশু ঈশ্বরের সাথে কথা বলতে পারে এবং ঈশ্বরের কথা মনে করতে পারে কিন্তু ঈশ্বরকে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কায় সে দুঃখও পায়। সেই কারণে এই সময়ে গর্ভস্থ শিশু অত্যন্ত দুঃখে থাকে এবং ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ করে।

গর্ভস্থ শিশু ভগবান বিষ্ণুর স্মরণ করার সময়ে ভাবে, যে সে পরিবারের জন্য সুখ আন্তে চলেছে তবে কেন সে এখন কষ্টে আছে। বিষ্ণুকে স্মরণ করে, যাতে সে সুস্থ ভাবে মুক্তিলাভ করতে পারে। একই সঙ্গে গর্ভস্থ শিশু ভাবতে থাকে, যে এই কষ্টের মধ্যে ক্ষুধার্ত অবস্থায় সে দিন কাটাচ্ছে, কবে এখান থেকে তার মুক্তি হবে?

গরুড় পুরাণ অনুযায়ী, শেষ পর্যায় মাতৃগর্ভে থাকা শিশু ভগবানের কাছে অনুরোধ করে, যে সে আর বাইরে আসতে চায় না। কারণ বাইরে এলে তাকে পাপ কাজ করতে হবে। এবং পাপের ভোগ করতে সে চাই না।

গরুড় পুরাণ মতে, সংসারের বন্ধন থেকে কেউ মুক্ত হতে পারে না। যখন শিশু মাতৃগর্ভ থেকে বাইরে আসে, তখন সে ভগবানের মায়ায় মোহিত হয়ে থাকে। ভগবানের মায়ায় মুগ্ধ থেকে সে কিছু বলতে পারে না।

এইভাবে ন’মাস মাতৃগর্ভে কাটানোর পরে শিশুর জন্ম গ্রহণ করে। প্রসবের পর থেকেই শিশু শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া শুরু করে। এই সময়ে তার কোন জ্ঞান থাকে না। সবকিছু ভুলে যায়। এই কারণেই জন্মের সময়ে শিশু কাঁদতে শুরু করে।

গরুড় পুরাণ মতে, সংসারের বন্ধন থেকে কেউ মুক্ত হতে পারে না। যখন শিশু মাতৃগর্ভ থেকে বাইরে আসে, তখন সে ভগবানের মায়ায় মোহিত হয়ে থাকে। ভগবানের মায়ায় মুগ্ধ থেকে সে কিছু বলতে পারে না।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon