Link copied!
Sign in / Sign up
81
Shares

পটল দিয়ে ১০টি রকমারি খাদ্য তৈরী করতে চান?

 


পটোল পুষ্টিকর খাদ্য। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২ ও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। পটোল দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম মজাদার পদ। চলুন দেখে নেওয়া যাক পটোলের কিছু মজার রেসিপি-

 

১. সরষে পটোল

উপকরণ: মাঝারি পটোল ১০টি, কালিজিরা ১ চা-চামচ, কাঁচা লঙ্কা তিন-চারটি, সরষে বাটা দুই টেবিল চামচ, পোস্তদানা দুই চা-চামচ, নুন ও চিনি স্বাদমতো।

 

প্রণালি: পটোল ছিলে নুন দিয়ে হালকা ভাপিয়ে নিতে হবে। সরষের তেলে কালিজিরা ও কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে হলুদ, সরষে বাটা ও পোস্ত দানা দিয়ে কষিয়ে পটোল দিয়ে রাঁধতে হবে। স্বাদমতো নুন ও চিনি দিয়ে নেড়েচেড়ে নারকেলের দুধ দিয়ে ঝোল ঘন হলে নামাতে হবে।

২. খিরসা পটোল

 

উপকরণ: দুধ ২ লিটার, খোসা ও শাঁস ফেলে দেয়া পটোল ২৫০ গ্রাম, বাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ, পেস্তা কুচি ১ টেবিল চামচ, খাওয়ার সোডা ১ চিমটি, গোলাপজল দেড় টেবিল চামচ, জাফরান সিকি চামচ, চিনি ও জল ১ কাপ করে (শিরার জন্য), খিরসা প্রতিটি পটোলের জন্য ১ টেবিল চামচ করে। খিরসা তৈরি: ২ লিটার দুধ অল্প আঁচে ঘন করে ১ লিটার করুন। এবার আঁচ বাড়িয়ে অনবরত নাড়ুন, যেন নিচে পোড়া না লাগে। আধা টেবিল চামচ করে বাদাম ও পেস্তা মিশিয়ে নাড়ুন। শুকিয়ে আঠালো হলে একটি পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করে নিন। তৈরি হয়ে গেল খিরসা।

 

প্রণালি: গোলাপ জলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। পাত্রে জল বসান। ফুটে উঠলে তাতে এক চিমটি খাওয়ার সোডা ও পটোলগুলো ছেড়ে নেড়ে দিন। ৩-৪ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ভালো করে জল ছেঁকে নিন। অন্য চুলায় চিনি ও জল দিয়ে জ্বাল দিয়ে শিরা তৈরি করে নিন। এবার পটোলগুলো শিরাতে ছেড়ে দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। সেদ্ধ হলে ছেঁকে উঠিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। প্রতিটি পটোলের ভেতরে পরিমাণমতো খিরসা দিয়ে মুখটা হালকা চেপে দিন। পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে ওপর থেকে গোলাপজলে ভেজানো জাফরান ও অবশিষ্ট বাদাম পেস্তা ছিটিয়ে দিন। চাইলে পটোলের গায়ে রুপালি তবক ব্যবহার করতে পারেন।

 

৩. পটোলের দোলমায় মাছের ডিম

উপকরণ: পুর বানানোর জন্য: নুন হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করা জল ঝরানো মাছের ডিম পৌনে এক কাপ। পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ। কাঁচা লঙ্কা কুচি এক টেবিল চামচ। যেকোনো সস এক টেবিল চামচ। হলুদ গুঁড়া সিকি চামচ। তেল দুই টেবিল চামচ। নুন আধা চা-চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী।

 

প্রণালি: ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিয়ে হলুদ ও দুই টেবিল চামচ জল দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। তাতে মাছের ডিম, নুন ও কাঁচা লঙ্কা কুচি এবং সস দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিন। দুই মিনিট পর ঢাকনা খুলে আবারো নেড়ে চুলা বন্ধ করে ঢেকে দিন। পাঁচ মিনিট পর একটি বাটিতে বেড়ে রাখুন।

 

দোলমা রান্নার জন্য উপকরণ: বড় বা মাঝারি পটোল ৮-১০টি। পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ। হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ। লঙ্কা গুঁড়া সিকি চামচ। পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ। টক দই আধা কাপ। আদা বাটা এক চা-চামচ। রসুন বাটা আধা চা-চামচ। জিরা বাটা আধা চা-চামচ। কাঁচা লঙ্কা চেরা চারটি। তেজপাতা দুটি। নুন এক চা- চামচ। গরম মসলার গুঁড়া আধা চামচ। চিনি দুই চা-চামচ। তেল তিন টেবিল চামচ। ঘি এক টেবিল চামচ।

 

প্রণালি: পটোল ধুয়ে দুই ধারের মুখ কেটে ছিলে ভেতরের বিচি পরিস্কার করে নিন। দুই পিঠে দু-তিনটি করে আঁক দিন। এবার প্রতিটি পটোলের ভেতর ঠেসে পুর ভরে দিন। কর্নফ্লাওয়ার ঘন করে অল্প গুলে তা দিয়ে পটোলের মুখ বন্ধ করে দিন। ফ্রাই প্যানে দুই টেবিল চামচ তেল নিয়ে তাতে অল্প জ্বালে ঢেকে পটোলের দুই পিঠ ভেজে নিয়ে উঠিয়ে রাখুন। একটি বাটিতে টক দইয়ের সঙ্গে লবণ, হলুদ ও লঙ্কা ের গুঁড়া, চিনি, আদা, রসুন ও জিরা বাটা মিশিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। ফ্রাই প্যানে বাকি তেল গরম করে তেজপাতার ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে নিন। বাদামি হয়ে এলে বাটা পেঁয়াজ দিয়ে লাল করে ভেজে দইয়ে মেশানো মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এতে লঙ্কা ও সিকি কাপ জল দিয়ে পটোলগুলো ছেড়ে নেড়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে দিন। ঝোল টেনে এলে গরম মসলার ফাঁকি ও ঘি দিয়ে নেড়ে আবারও কম আঁচে ঢেকে রাখুন পাঁচ মিনিট। তারপর চুলা বন্ধ করে দিন। ১০ মিনিট পর পরিবেশন করুন।

 

৪. কিমা পটোল ভুনা

উপকরণ: কিমা ২৫০ গ্রাম, পটোল ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কিউব করে কাটা ২টি, তেজপাতা একটি, গরম মসলা, আস্ত একটি করে এলাচ ও দারুচিনি, কাঁচালঙ্কা আস্ত ৫-৬টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, নুন স্বাদ অনুযায়ী, তেল ও জল পরিমাণমতো।

 

প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে কিমা ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। পটোলের খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে রাখুন। এখন একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে কিউব করা পেঁয়াজ, আস্ত গরম মসলা এবং তেজপাতা দিয়ে হালকা ভেজে একে একে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা, স্বাদ অনুযায়ী নুন এবং অল্প জল দিয়ে মসলা ভালো করে কষিয়ে তাতে পটোল এবং কিমা দিয়ে আবার কষিয়ে নিন। তারপর তাতে পটোল এবং কিমা দিয়ে আবার কষিয়ে নিন। তাতে ধনেপাতা কুচি, আস্ত কাঁচালঙ্কা এবং জিরার গুঁড়া দিয়ে ভুনা করে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

৫. পটোল পাতুরি

উপকরণ: পটল (লম্বা কাটা) ২ কাপ, সর্ষে বাটা ২ চা চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ চা চামচ, কাঁচালঙ্কা বাটা ৩-৪টি, নারিকেল বাটা আধা কাপ, নুন প্রয়োজনমতো, চিনি পরিমাণমতো, জল সামান্য।

 

প্রণালি: প্রথমে পটোল ধুয়ে কেটে নিন। চুলায় পাত্র দিয়ে তাতে তেল দিন। তেলে পটোল দিয়ে সামান্য ভেজে তুলে রাখুন। এবার ওই তেলেই একে একে নারিকেল বাটা, সর্ষে বাটা, পোস্তদানা বাটা ও কাঁচা লঙ্কা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার তাতে পটোল দিন। ৫ মিনিট রান্না করে তাতে নুন ও চিনি দিয়ে দিন। ৫ মিনিট রান্না করে মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন। এবার সার্ভিং ডিশে ঢেলে ভাত অথবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার পটোল পাতুরি।

 

৬. রসাল পটোল

উপকরণ: পটোল ২৫০ গ্রাম, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা এক চা চামচ, কাঁচালঙ্কা বাটা এক চা চামচ, লেবুর রস দুই টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, চিনি একটু, নুন স্বাদমতো, হলুদ প্রয়োজনমতো।

 

প্রণালি: পটোল ছিলে কেঁচে নিন। লবণ, হলুদ, লঙ্কা দিয়ে মেখে হালকা করে ভেজে নিন। সব বাটা মসলা তেলে দিয়ে কষিয়ে তাতে পটোল দিন। নুন ও অল্প জল দিন। জল শুকিয়ে তেল বের হলে লেবুর রস, চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন।

 

৭. কাসুন্দি দিয়ে আস্ত পটোলের কৌড়া

উপকরণ: পটোল মাঝারি সাইজের ৮-১০টি, কাসুন্দি বড় দেড় চামচ, কাঁচালঙ্কা ৪-৫টি, লঙ্কা বাটা আধা চা চামচ, হলুদবাটা ১ চা চামচ, একটু তেঁতুল, পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ, শুকনোলঙ্কা ২টি, চিনি, নুন ও তেল পরিমাণমতো।

 

প্রণালী: পটোল আঁচড়িয়ে দুই মাথা কেটে ফেলুন। এরপর দুই পাশে চিরে ২-৩ ফালা করে দিতে হবে। তেল গরম করে পটোল ভেজে নিতে হবে। এই তেলে শুকনোলঙ্কা ও পাঁচফোড়ন দিয়ে গন্ধ বের হলে লঙ্কা বাটা, হলুদবাটা অল্প পানিতে গুলে ঢেলে দিন। একটু কষে নিয়ে পটোল সেদ্ধ হওয়ার মতো জল দিতে হবে। ফুঠে উঠলে পটোল, নুন ও চিনি দিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে কাঁচালঙ্কা অল্প চিরে ও তেঁতুল চটকে দিয়ে দিন। গা মাখা ঝোল থাকতে কাসুন্দি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। এরপর খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

 

৮. পটোলের দোলমা

উপকরণ: পটোল (বড় সাইজের) ১২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১/২ চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১/২ চা চামচ, গোল লঙ্কা গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, কাঁচালঙ্কা কুচি দেড় চা চামচ, মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, আদা বাটা ১ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়া ১/২ চা চামচ, নুন পরিমাণ মতো, তেল ৪ টেবিল চামচ, টমেটোসস ২ টেবিল চামচ।

 

প্রস্তুত প্রণালি: সব বাটা মসলা, লবণ, গুঁড়া লঙ্কা , গোল লঙ্কা ের গুঁড়া ২ কাপ জল দিয়ে মাংসের কিমা সিদ্ধ করে নিতে হবে। মাংসের কিমা সিদ্ধ করে জল শুকিয়ে নিন। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে এলে মাংসের কিমা দিয়ে ভালোমতো ভুনতে হবে। টমেটো সস, গরম মসলার গুঁড়া, কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট নেড়েচেড়ে নামাতে হবে। পটোল ভালোভাবে ধুয়েমুছে চেঁচে নিতে হবে। পটোলের দু’দিকের মুখ কাটা যাবে না। পটোল লম্বালম্বিভাবে চিরে তার ভেতর থেকে বিচি বের করে মাংসের কিমা ভরে দিয়ে সুতা দিয়ে পেঁচিয়ে চেরা অংশটি বন্ধ করতে হবে।

 

রান্নার জন্য: পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, রসুন বাটা ১/২ চা চামচ, বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ, মিষ্টি দই দেড় টেবিল চামচ, ঘি ১/২ কাপ, কাঁচালঙ্কা ফালি ৫-৬টি, নুন পরিমাণমতো, আদা বাটা ১ চা চামচ, পোস্ত দানা বাটা দেড় টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা দেড় টেবিল চামচ, গোল লঙ্কা গুঁড়া ১ চা চামচ, টক দই ১/২ কাপ, মালাই ১ কাপ, তেল ১/২ কাপ।

 

প্রস্তুত প্রণালি: প্যানে ঘি, তেল গরম করুন। পেঁয়াজ বেরেস্তা করে সব মসলা দিয়ে একটু নেড়ে ২ কাপ জল দিন। মসলা কষানো হলে পটোলগুলো দিয়ে অল্প আঁচে সিদ্ধ করতে হবে। মাঝে মধ্যে খুব আস্তে পটোলগুলো উল্টে দিতে হবে। টক দই, মিষ্টি দই, গরম মসলার গুঁড়া ও গোল লঙ্কা গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে পটোলে দিয়ে দিন। অল্প আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন। ঝোল কমে তেল ওপরে এলেই মালাই, কাঁচালঙ্কা দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।

 

৯. পুরভরা পটোল তরকারি

উপকরণ: পটোল ৪টি, চিংড়ি মাছ ৮-১০টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, কাঁচা লঙ্কা ের কুচি ২টি, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ।

 

মিশ্রণ তৈরি: ময়দা বা বেসন ১ কাপ, হলুদগুঁড়া সামান্য, নুন স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।

 

প্রণালি: পটোল ধুয়ে খোসা ফেলে মাঝখানে কেটে দুই টুকরা করে দানা ফেলে দিতে হবে। চিংড়ি মাছ, পেঁয়াজকুচি, কাঁচা লঙ্কা , লবণ, আদা ও রসুনবাটা একসঙ্গে হাতে মেখে পুর তৈরি করতে হবে এবং পটোলের মাঝখানে ভরে দিয়ে বেসনের তৈরি মিশ্রণে ডুবিয়ে ভেজে নিতে হবে।

 

 

১০. নারকেল পটোল

উপকরণ: পটোল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ৩ চামচ, কাঁচালঙ্কাকুচি, হলুদ ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, জিরে গুঁড়ো ১ চামচ লবণ, চিনি (১/২ চামচ) ও সরষের তেল আন্দাজমতো, আদা ও রসুন একসঙ্গে বাটা ১ চামচ, নারকেল কোরা বাটা (আধখানা), সরষে বাটা ১ চামচ।

প্রণালী: প্রথমে পটোলগুলি ভালো করে ছাড়িয়ে লম্বা করে ৪ টুকরো করে নিন। এবার পটোলগুলি লাল করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে এলে তুলে রাখুন। ঐ তেলে পেঁয়াজ ও রসুনটা ভেজে নিয়ে সব মশলা দিয়ে নুন ও চিনি দিন। কাঁচালঙ্কাকুচি ও নারকেল কোরা বাটা দিয়ে দিন। এবার ভাজা পটলগুলি ও সরষে বাটা দিয়ে একটু কষে নিন। একটু মাখা মাখা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

আমাদের এই পোস্টটি পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। টাইনিস্টেপ আপনাদের জন্যে আনলো amazon থেকে আরো বেশি ডিসকাউন্ট এ শপিং করার সুবর্ণ সুযোগ যা আপনি সরাসরি amazon -এ শপিং করলে পাবেন না।

মন খুলে শপিং করতে এখানে ক্লিক করুন ও খুশি থাকুন। 

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

Recently, we launched a baby-safe, natural and toxin-free floor cleaner. Recommended by moms and doctors all over India, this floor-cleaner liquid gets rid of germs and stains without adding harmful toxins to the floor. Click here to buy it and let us know if you liked it.

Stay tuned for our future product launches - we plan to launch a range of homecare products that will keep your little explorer healthy, safe and happy!

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon