Link copied!
Sign in / Sign up
5
Shares

পোস্ত খাবার উপকারিতা


পোস্ত! এমন একটি খাবার যা প্রায় প্রতিটি বাঙলিদের প্রিয়। পোস্ত খাবে না এমন বাঙলি খুব কম আছে। পোস্ত এমন একটি খাবার যা স্বাদে অপূর্ব। রান্নায় বিভিন্ন পদে পোস্ত নিশ্চয়ই খান? কিন্তু জানেন কি, পোস্ত শুধুমাত্র জিভের স্বাদই পূরণ করে না। জিভের স্বাদ পূরণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যেরও অনেক উপকার করে। পোস্ততে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, জিঙ্ক এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থও রয়েছে। চিকিত্‌সকদের মতে, বাড়িতে পোস্ত অবশ্যই রাখা উচিত্‌। কিন্তু স্বাস্থ্যের ঠিক কোন কোন উপকার করে পোস্ত।

১। চায়ের কাপে কয়েকদানা পোস্ত দিয়ে দিন। পোস্ত দেওয়া চা খেলে ঘুম ভালো হয়। উত্তেজনা কম করে, অনিদ্রা দূর করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আধঘণ্টা আগে পোস্ত দেওয়া চা খেলে খুব ভালো ঘুম হবে।

২। দক্ষিণ এশিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে মনে করা হয়, পাকস্থলীর যন্ত্রণা দূর করতে পোস্তর সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খাওয়া খুবই উপকারী।

৩। ত্বকের জন্যেও পোস্ত উপকারি। এতে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে ত্বককে আর্দ্র করে।

৪। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে আমাদের অনেকেরই শুষ্ক কাশি হতে দেখা যায়। পোস্ত দিয়ে তৈরি যেকোনও খাবার খান। এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ পোস্ত ৮ চামচ নারকেলের দুধের সঙ্গে মিশিয়ে রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে খান। শুকনো কাশি দূর হয়ে যাবে।

৫। মহিলাদের সন্তানধারণ ক্ষমতাও বাড়ায় পোস্ত।

৬। যখন শরীরে খুব গরম বেড়ে যায় তখন মুখে আলসার বা ঘা হয়। পোস্ত দানা শরীরকে ঠান্ডা রাখে আর ফলে মুখের আলসার হতে দেয় না। পোস্ত বাটার সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খেলে মুখের আলসার থেকে হওয়া ব্যথায় তৎক্ষণাৎ আরাম পাওয়া যাবে।

৭। পোস্ততে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে। কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে শুকনো ভাতের সঙ্গে পোস্ত বাটা খান।

৮। যাদের ইনসমনিয়া আছে তারা পোস্ত বাটা আর চিনি মিশিয়ে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খান দেখবেন অনেক তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে।

৯। ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় রক্তে কোলেস্টেরল কমায়, ফলে হৃদযন্ত্র ভাল থাকে। হার্ট ডিজিজ বা হার্ট অ্যাটাক রোধ করতে রোজ ডায়েটে অল্প করে হলেও পোস্ত রাখুন।

১০। ক্যালসিয়াম আর ফসফরাস থাকায় হাড়কে আরও শক্তিশালী করে তোলে। জয়েন্ট পেইন বা হাড় ফুলে গেলে তৎক্ষণাৎ আরাম পাওয়ার জন্য পোস্ত বাটা লাগান।

১১। বিভিন্ন রকমের স্কিন ডিসিজ যেমন চুলকানি বা ন্যাচারাল রেমিডির কাজ করে পোস্ত। গাঢ় করে পোস্ত বাটার মধ্যে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান। ভাল করে মিশিয়ে অ্যাফেকটেড এরিয়াতে লাগান।

১২। ক্যালসিয়াম,আয়রন আর কপার থাকায় ব্রেনের কর্মক্ষমতায় উন্নতি ঘটায়।

১৩। পোস্ততে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকায় ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায় এবং এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারেন। শরীরে প্রতিরোধ শক্তি বেড়ে যায়।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon