Link copied!
Sign in / Sign up
11
Shares

পিল ব্যবহার না করে গর্ভাবস্তা আটকানো

গর্ভনিরোধক পিলের অনেক এফেক্ট আছে। মাথার যন্ত্রণা, বমি থেকে শুরু করে ঠিক সময়ে পিরিয়ড্‌স না হওয়া, তা ছাড়াও, দীর্ঘদিন এই গর্ভনিরোধক পিল খেলে গর্ভাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং ৭২-ঘণ্টা পিলগুলি বেশি খেলে একটা সময় পর তা আর কাজ করে না। চিকিৎসাশাস্ত্র অনেক দূর এগিয়ে গেছে, সেই জন্য জেনে নিন পিল ছাড়া কীভাবে আটকাবেন গর্ভধারণ।

পিল খাওয়া ছাড়াও আরও বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে গর্ভধারণ এড়ানো সম্ভব।

১. পিরিয়ডে কন্ডোম

মেয়েদের পিরিয়ড চলাকালীন অনেকেই কন্ডোম ব্যবহার না করেই সেক্স করেন। কারণ অনেকরি ধারণা, মাসের ওই সময়টিতে গর্ভধারণের কোনও সম্ভাবনা নেই। আদতে কিন্তু সম্ভাবনা একটা থেকেই যায়। তা ছাড়া পিরিয়ডের সময়ে কন্ডোম ছাড়া সেক্স করলে নানা ধরনের ইনফেকশনও হতে পারে পুরুষাঙ্গে।

২. ঝুঁকি

ইজ্যাকুলেশনের আগে পুরুষাঙ্গ যোনির ভিতর থেকে বের করে নেওয়াকেই মনে‌ করা হয় গর্ভধারণ এড়িয়ে চলার সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি। কিন্তু এতেও সম্ভাবনা থেকেই যায় কারণ ইজ্যাকুলেশনের আগে পুরুষাঙ্গ থেকে যে রস নিঃসৃত হয়, তার মধ্যে অনেক সময় স্পার্ম থেকে যায়। তা ছাড়া সম্পূর্ণ উইথড্র করার আগেই ইজ্যাকুলেশন শুরু হয়ে যেতে পারে। ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল।

৩. হাত নয়

প্রি-ইজাকুলেশন নিঃসরণের পর যদি পুরুষাঙ্গে হাত দিয়ে থাকলে, একটি টিস্যু পেপারে হাত মুছে তবেই কন্ডোম পরা উচিত। ওই নিঃসরণে স্পার্ম থাকতে পারে এবং কন্ডোমের বাইরের অংশে ওই নিঃসৃত রস যদি কোনওভাবে লেগে যায় তবে মিলনের সময়ে কন্ডোম পরে থাকলেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা থেকে যায়।

৪. সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন

কন্ডোম না থাকা অবস্থায় পুরুষাঙ্গকে যোনির সংস্পর্শে আনা উচিত নয়। প্রি-ইজাকুলেশন নিঃসরণে স্পার্ম থাকার সম্ভাবনা থাকে। স্পার্ম হল এমনই এক ধরনের জীবকোষ যা নিঃসরণের পর ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে এবং যোনিরসের সংস্পর্শে এলে সেই রসের মধ্যে দিয়ে পৌঁছে যেতে পারে ডিম্বাশয়ে।

৫. গর্ভনিরোধক জেল

মেয়েদের জন্য বেশ কিছু গর্ভনিরোধক জেল রয়েছে। কন্ডোমের পাশাপাশি এগুলি ব্যবহার করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা ৯৯% এড়ানো সম্ভব। অ্যাপ্লিকেটর ইন্টারকোর্সের অন্ততপক্ষে ৫ মিনিট আগে যোনির অনেকটা ভিতরে পুশ করতে হয়। শরীরী উত্তেজনার ফলে অ্যাপ্লিকেটরটি গলে গিয়ে জেলটি বেরিয়ে আসে ও একটি আবরণ তৈরি করে। স্পার্ম এই তরলের সংস্পর্শে এলে নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই এই ধরনের অ্যাপ্লিকেটর ব্যবহার করা উচিত। এর কোনও সাইড এফেক্ট নেই এবং এতে যৌন উত্তেজনা বা তৃপ্তিতে কোনও প্রভাব পড়ে না।

৬. গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ওষুধ গর্ভনিরোধক পিলের পরিবর্ত যা গর্ভনিরোধক হিসেবে ৯৯% কার্যকর। একটি ইঞ্জেকশন নিলে ৩ মাস পর্যন্ত গর্ভধারণ আটকানো যায় তবে এই ৩ মাসে পিরিয়ড্‌স হবে না। এই ইঞ্জেকশন নিতে হয় নিতম্বে বা বাহুতে।

৭. গর্ভনিরোধক প্যাচ

এটি পরতে হয় বাহুতে। ত্বকের রঙের এই প্যাচটি বিশেষ হরমোন নিঃসরণ ঘটায় যা ত্বকের মধ্য দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। একটি প্যাচ এক সপ্তাহ পর্যন্ত কাজ দেয়। একটি মাসের মধ্যে পিরিয়ড্‌সের সপ্তাহটি বাদ দিয়ে বাকি ৩ সপ্তাহ পরতে হয় এই প্যাচ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই প্যাচ কখনোই পরা উচিত নয় কারণ এতে শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

৮. কপার-টি

কপার-টির মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের হরমোন থাকে যা স্পার্ম নষ্ট করে দেয় ও গর্ভধারণ আটকায়। কপার-টি থাকলে পিরিয়ড্‌সের উপর কোনও প্রভাব পড়ে না।

গর্ভনিরোধক জেল, প্যাচ, ইঞ্জেকশন এবং আইইউডির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যিক।  

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon