Link copied!
Sign in / Sign up
3
Shares

রান্না ছাড়া সুস্বাস্থ্য পেঁয়াজের নানা রকম গুন জানতেন?

 


সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থার কত উন্নতি হয়েছে। নতুন নতুন যন্ত্রপাতি, রকমারি ওষুধ, ড্রাগ আবিষ্কার হয়েছে। ফলে চিকিৎসা পদ্ধতিও অনেক সরল হয়েছে। তবে সঙ্গত কারণেই বেড়েছে চিকিৎসার খরচও। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন প্রাচীন কালে যখন এত ওষুধ, মলম ছিল না তখন মানুষ কীভাবে পরিস্থিতির সামল দিত? আগেও মানুষ অসুস্থ হতো, এবং তাদের চিকিৎসাও হতো। কিন্তু তা হতো আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে বা ঘরোয়া টোটকায়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক উপকরণের গুণাবলী জেনে তা চিকিৎসার কাজে লাগানো হতো। আর সেই কারণেই হয়তো তারা অনেকবেশি স্বাস্থ্যবান এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হতেন।

পেঁয়াজ হল এগুলির মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরন। শুধু রান্না বা কোনও একটি কাজে নয়, পেঁয়াজের ব্যবহার হতো ভিন্ন ক্ষেত্রে। আসুন জেনে নেই পেঁয়াজ সম্পর্কে কিছু স্বাস্থ্যকর তথ্য।

১. ত্বকে হাল্কা গরম ছ্যাঁকা বা ফোসকায় দারুণ কাজ করে পেঁয়াজ। একটা পেঁয়াজ কেটে ছ্যাঁকা লাগা বা ফোসকা পরার জায়গায় লাগালে জ্বালাযন্ত্রণা কমবে। এমনকি হাত কেটে গিয়ে রক্ত বেরতে শুরু করলে সেখানে কাটা পেঁয়াজ লাগালেও রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যাবে।

২. কোনো পোকা কামড়ানোর পর ত্বকের চুলকুনি, অস্বস্তি, ব্যথা দুর করতে সাহায্য করে পেঁয়াজ। যেখানে অস্বস্তি হ”েছ শরীরের সেই অংশে কাটা পেঁয়াজ ঘষলে সমস্যার সমাধান হবে নিমেষে।

৩. পিরিয়ডের সময় কি প্রচন্ড পেটে ব্যাথা হয়? তাহলে পিরিয়ড যখন শুরু হওয়ার কথা তার কয়েকদিন আগে থেকে আপনার রোজকার ডায়েটে একটি করে কাটা পেঁয়াজ রাখতে শুরু করেন। এতে ঋতুচক্রের ব্যাখা অনেকটা প্রশমিত হয়।

৪. পায়ের তলায় যদি যন্ত্রণাদায়ক উপমাংসের জন্ম হয় তাহলে পেঁয়াজের রস বের করে নিয়মিত ঘষুন। তাহলে তা আস্তে আস্তে কমতে কমতে একেবারে মিলিয়ে যাবে।

৫. আপনার যদি হাল্কা জ্বর হয় তাহলে রাতে শোয়ার সময় পায়ে মোজা পরে মোজার ভিতরে পেঁয়াজ ঢুকিয়ে রাখুন। এই অবস্থাতেই ঘুমোন। পরেরদিন সকাল বেলা দেখবেন আপনার জ্বর আগের চেয়ে কমবে। আর যদি না কমে তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

৬. আপনার যদি গা গুলোতে থাকে, সারাক্ষণ বমি বমি ভাব মনে হয় তাহলে ২ চা চামচ পেঁয়াজের রস খেয়ে নিন। বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন নিমেষেই।

৭. আপনার চুল কি বড় হতে সময় নেয়? তাহলে সপ্তাহে একবার নিয়মিত পেঁয়াজের রস চুলে তালুতে লাগিয়ে মালিশ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। এতে চুলে বৃদ্ধির হার বাড়বে।

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon