Link copied!
Sign in / Sign up
6
Shares

যে ৫টি উপায়ে কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করবেন, তা জেনে রাখুন


আজকালকার এই দৌড়-ঝাপ ভরা জীবনে, একজন মহিলার পক্ষে নিজের পরিবার ও কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা খুবই কঠিন, এবং ঘরে একজন ছোট শিশু থাকলে তা আরও কঠিন হয়ে পরে । হয়তো, এখন আপনার অবস্থাও একইরকম । আপনি হয়তো সারাক্ষন ছোট্ট শিশুটির সাথে সময় কাটাতে চান, কিন্তু আপনাকে তো অফিসের দায় দায়িত্ব গুলিও সামলাতে হবে । এই সমস্যাটি শারীরিক এবং মানসিক দিক দিয়ে প্রভাব ফেলে । নিচে আলোচিত উপদেশ গুলি, আপনাকে ঘর ও অফিসের কাজের চাপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে, এবং কিছুটা স্ট্রেস ও টেনশন মুক্ত হতে সাহায্য করবে ।

আপনার পার্টনারের বা পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিন 

একা আপনাকে সব কাজ করতে হবে না, কারোর সাহায্য নিতে পারেন । পরিবারের সদস্যদের সামান্য সাহায্য আপনার কাজের চাপ অনেকটাই কমাবে । ঘরের টুকিটাকি কাজ গুলির দায়িত্ব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দিন । আপনার বাচ্চা যদি স্কুলে পড়ে তবে, আপনি বা আপনার পার্টনার ( কিংবা ঘরের কোন সদস্য ) তাকে স্কুলে দিয়ে আসতে এবং নিয়ে আসতে পারেন । সেরকমই, আপনি বা আপনার পার্টনার শিশুটিকে স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি হতে সাহায্য করতে পারে । একদম ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে, কোন দায়িত্ববান এবং অভিজ্ঞ বেবি সিটার রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ । কোন সন্দেহ থাকলে, ঘরে গুপ্ত ক্যামেরা বসিয়ে, শিশু এবং বেবি সিটারের গতিবিধি নজরে রাখতে পারেন । এতে আপনার টেনশন অনেকটাই কমবে ।

পরিবারকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন 

অনেক মহিলাই নিজের পরিবার বিশেষত নিজের বাচ্চাকে পর্যাপ্ত সময় না দিতে পারার কারনে স্ট্রেস অনুভব করেন । হয়তো আপনিও অফিসের কাজের চাপের কারনে ঘরেও স্ট্রেস অনুভব করেন । খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া, অফিসের কাজ ঘরে করার কোন প্রয়োজন নেই । ঘরে ফেরার পর হাত মুখ ধুয়ে, শিশুদের সাথে ১-২ ঘন্টা সময় কাটান, তাদের সাথে খেলা করুন, বই পড়ুন, কার্টুন দেখুন । প্রত্যেকদিন পরিবারের সাথে রাতে ডিনার করার চেষ্টা করুন, এতে আপনি বাকি সদস্যদের সাথে নানান বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন ফলে পরিবারের সাথে আপনার সম্পর্কের বন্ধন আরও মজবুত হবে ।

কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসতে পারেন 

কাজের চাপ আপনাকে শারীরিক এবং মানসিক দিক দিয়ে ক্লান্ত করে তুলতে পারে । তাই, কাজের চাপ থেকে মুক্তি পেতে পরিবারকে নিয়ে কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসতে পারেন । কাছাকাছি কোথাও ভ্রমণের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া সময় ফেরত পাবেন, এবং আপনার সাথে আপনার পার্টনার এবং সন্তানের সম্পর্ক আরও মধুর হয়ে উঠবে । সপ্তাহ শেষে কোন সমুদ্রতীরে বা রিসর্টে পরিবারের সাথে সময় কাটানো অত্যন্ত আনন্দদায়ক ।


জীবনসঙ্গীকে ভুলে যাবেন না কিন্তু 

অফিসের কাজ এবং সন্তান গুরুত্বপূর্ণ হলেও, জীবনসঙ্গী কে ভুলে যাবেন না কিন্তু । আপনিও আপনার পার্টনারের পাশে দাঁড়ান, যেভাবে আপনার পার্টনার আপনার পাশে দাড়ায় । মাসে এক-দুইবার আপনার পার্টনারের জন্য স্পেশাল কোন আয়োজন করতেই পারেন । দুজনে মিলে কোন রোম্যান্টিক ডেট এ যেতে পারেন কিংবা একসাথে সিনেমা দেখতেও যেতে পারেন এবং তাকে তার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না কিন্তু । কোথাও বাইরে ঘুরতে যেতে ক্লান্তি অনুভব করলে, বাড়িতেই তার প্রিয় খাওয়ার রান্না করতে পারেন । এইসব ছোটখাটো কাজ, আপনাদের সম্পর্ক আরও মধুর করে তুলবে ।

নিজের প্রায়োরিটিস গুলিকে বস বা ম্যানেজারের সাথে আলোচনা করুন 

অফিসের বস বা ম্যানেজার কে এমন কোন প্রতিশ্রুতি দেবেন না যা আপনি সম্পূর্ণ করতে পারবেন না । তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করুন যে, অফিস এবং বাড়ি দুই যায়গাতেই আপনার মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন । অফিসের দায় দায়িত্ব গুলিকে যেমন আপনি কোনদিন অবহেলা করবেন না, সেগুলিও যেন আপনার এবং আপনার পরিবারের মাঝে বাঁধা হয়ে না দাঁড়ায় । অফিসের কিছু বাড়তি দায়দায়িত্ব নিজের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলতে সরাসরি বস বা ম্যানেজারের সাথেই আলোচনা করুন, এতে আপনি আরও ভালোভাবে অফিস এবং ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবেন ।

অফিস ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য ঠিক থাকলে আপনার পরিবারও সুখী থাকবে । কিন্তু, এই ভারসাম্যের মাত্রা একেকজনের কাছে একেকরকম হয় । সুতরাং, নিজের জীবনের ভারসাম্যের মাত্রা ঠিক কেমন হবে তা জানতে নিজেকে একটু সময় দিন । আপনি কি অফিসের কাজের সাথে মা হওয়ার দায়িত্বগুলিও পালন করে চলেছেন ? কিভাবে আপনি দুই দিক সামাল দিচ্ছেন ?

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon