Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

অভিভাবক হিসেবে শিশুকে শেখান ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা জ্ঞান


আমাদের সার্বিক সুস্থতার জন্য সবসময় কিছু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা খুব জরুরি। এসব স্বাস্থ্যবিধি বা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই গড়ে তোলা উচিত। বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং অসুস্থতাকে দূরে রাখতে হলে শিশুকে এখন থেকেই সেখান ব্যাক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো।

১) টয়লেট থেকে এসে বা খাবার খাওয়ার আগে হাত ধোয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিভিন্ন প্রাণী বা ময়লা স্পর্শ করার পরও হাত ধুতে হবে। বাচ্চাদেরকে হাত এবং কব্জির উপর, আঙুলের ফাঁকে ভালোভাবে সাবান দিয়ে ঘষে হাত ধোয়ার শিক্ষা দিন।

২) প্রতিদিন নিয়মিত স্নান করার অভ্যাস আপনার শিশুকে রাখবে পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ। যতদিন শিশু স্নান করতে না শিখে ততদিন কোনোভাবেই বাথরুমে একা ছাড়বেন না। নিজে কাছে থেকে বাচ্চাকে শেখাবেন কিভাবে স্নানের সময় নিজেকে পরিষ্কার করতে হয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত অঙ্গগুলো, যেখানে অপরিচ্ছন্নতার কারণে ইনফেকশন হতে পারে, তা কিভাবে পরিষ্কার করতে হবে শিখিয়ে দিন।

৩) দিনে ২ বার দাঁত মাজার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বাচ্চারা দাঁত মাজাকে খুবই বিরক্তিকর মনে করে, একবারও করতে চায় না। এই অভ্যাসটাকে একটু মজার করতে তাকে শিশুসুলভ ব্রাশ ও পেস্ট কিনে দিন। আজকাল বাজারে বাচ্চাদের মোটরওয়ালা ব্রাশও পাওয়া যায় যা তাদের কাছে ব্রাশ করার সময়টা আনন্দময় ও সহজ করে তোলে।

৪) শিশু একটু বড় হলে ফ্লস করা শেখান। দাঁতের ফাঁকে আটকে খাবার অনেক সময়ই শুধু ব্রাশ করলে বের হয়না। ছোটবেলা থেকেই ফ্লস করলে দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২ তর্জনীতে পেঁচিয়ে কিভাবে দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে ফ্লস করতে হয় তা শিশুকে শিখিয়ে দিন।

৫) আপনার শিশুর জানতে হবে কেন হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে নিতে হয়। তাকে বুঝিয়ে বলুন কিভাবে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে বিভিন্ন অসুখের রোগ-জীবাণু। তাই খেয়াল রাখবেন ওর কাছে যেন সব সময় টিস্যু বা রুমাল থাকে।

৬) নখ কাটার ব্যাপারেও বাচ্চাদের মধ্যে বেজায় বিরক্তি। তাই তারা নিজেরা সচেতন না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত তাদের হাত ও পায়ের নখ কেটে দেয়ার দায়িত্ব আপনার। এসময়েই আপনার শিশুকে বোঝাতে হবে নিয়মিত নখ না কাটলে কিভাবে পেটে কৃমি হওয়া থেকে শুরু করে কত রকম অসুখ-বিসুখ হতে পারে।

শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এই অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা খুব জরুরি। বিভিন্ন রকম খেলার মাধ্যমে বা পুরষ্কারের বিনিময়ে তাদেরকে এই ব্যাপারে উৎসাহিত করা যেতে পারে। যেমন- প্রতিটি ভাল কাজের জন্য শিশুটি ৫ পয়েন্ট করে পাবে, এভাবে ১০০ পয়েন্ট হলে সে একটি পুরষ্কার পাবে। এভাবে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার স্বভাব গড়ে তুললে সে অনেক অনাকাঙ্খিত রোগ-বালাই থেকে বেচেঁ থাকবে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon