Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

নতুন বছর, নতুন সাজ ত্বক পরিচর্যার আবশ্যিকতা


আপনার বয়স ২০, ৪০, ৬০ বা এর মধ্যবর্তী যাই হোক না কেন, প্রাত্যাহিক কিছু রূপ চর্চার অভ্যাস আপনাকে নিয়ম করে বজায় রাখতে হবে। উঠতি বয়েসে আপনার ত্বক যেমন ছিল তেমন চিরকাল থাকবে না। আপনি বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে তার পরিবর্তন হতে থাকে, যেমন ত্বক বাস্তবিক শুকনো হয়ে যায় এবং ব্রণ দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগে, বয়েস বৃদ্ধির সঙ্গে তাল রেখে, রূপ চর্চার সূচীতেও পরিবর্তন আনা জরুরী।

ত্বক পরিচর্চার সূচীতে এই পাঁচটি পরিবর্তন আনুন তাহলে অল্প সময়েই আপনার ত্বক মসৃণ এবং পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠবে।

১। একটা প্রাত্যাহিক সূচী তৈরি করুন এবং সেটি মেনে চলুন

এর আগে আপনার ত্বক পরিচর্চার যে সূচী ছিল, হয়ত আপনি মনে করতেন, এসব করার সময় কোথায়। কিন্তু তখন আপনি ছিলেন ২০১৬ সালে। এখন থেকে শুরু করুন, প্রয়োজন (ব্রণ সমস্যা, শুষ্ক ত্বক সমস্যা, ইত্যাদি) অনুসারে রূপচর্চার সামগ্রীগুলি পছন্দ করুন এবং আপনার সূচী মেনে চলুন, তাহলে আপনার ত্বকের ক্ষতি আটকানো যাবে। যদি এই উপদেশ আপনি মেনে চলেন ভবিষ্যতে একারণে আপনি নিজেকেই ধন্যবাদ দেবেন। দ্য হাফিংটন পোস্ট (The Huffington Post)-এর মতামত অনুসারে ত্বক পরিচর্চার একটি অন্যতম অংশ হল একটি নির্দিষ্ট সূচীর নিয়ন্ত্রণে থাকা। একবার এই অভ্যাসগুলি রপ্ত হয়ে গেলে আপনার ত্বক আগামী বছরগুলিতে অপেক্ষাকৃত কম বয়েসীর মত সুন্দর দেখাবে।

২। সানস্ক্রীন এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

আপনার ত্বকের প্রকৃতি যাই হোক না কেন, যে কোন ঋতুতেই আপনার ত্বক সূর্যরশ্মির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আপনি প্রত্যহ এসপিএফ ৩০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন আপনার ত্বককে শুধুমাত্র ত্বক ক্যান্সার থেকে রক্ষা করার জন্য নয়, তাকে বলিরেখা, কোঁচকানো ভাব, বড় ক্ষতচিহ্ন এবং অমসৃণতা থেকে মুক্ত করতে। এই পদ্ধতিকে যতটা সম্ভব ঝঞ্ঝাটমুক্ত রাখতে আপনি এমন ময়েশ্চারাইজার খুঁজুন যার মধ্যে এসপিএফ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত আছে। ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর সব থেকে ভাল সময় স্নান করার ঠিক পরে এবং শুতে যাওয়ার আগে।

৩। রাতে শুতে যাওয়ার আগে সমস্ত মেক আপ তুলে ফেলুন

মুখে মেক আপ ভর্তি অবস্থাতে শুতে চলে যাওয়া হয়ত আরামদায়ক মনে হতে পারে, কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার আগে আপনি ত্বকের যত্ন নিতে ভুলবেন না। ত্বককে খুব ভাল করে পরিস্কার করা জরুরী কারণ যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকেন তখন আপনার ত্বক নিজেই নিজের পরিচর্চা করে। ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ পরিস্কার করলে আপনার মুখের মেক আপের উপর জমা ধুলো থেকে রক্ষা পাবেন। এর ফলে ত্বক ফেটে যাওয়া এবং ত্বকের নির্জীবতা কমবে।

৪। নিয়মিতভাবে ত্বকমোচন

কিছু লোক হয়ত বলবেন যে বয়স নিরোধক ক্রীম এবং উচ্চমানের ময়েশ্চারাইজার হল যৌবনোজ্জল ত্বকের চাবিকাঠি, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন যে ত্বকমোচন আপনার উজ্জ্বল ত্বক প্রাপ্তির এবং তার সৌন্দর্য রক্ষার একটি অন্যতম সেরা উপায়। একটি ভাল ত্বকমোচনসহায়ক প্রসাধনী, ত্বকের উপরের অনুজ্জ্বল স্তরকে সরিয়ে দেয়, বলিরাখা, ব্রণর উপদ্রব, শুকনো ক্ষোত চিহ্ন কমিয়ে দেয় এবং ত্বককে সজীব উজ্জ্বল এবং নতুন রূপ দেয়।যদিও আপনি হয়ত জানতে চাইবেন আপনার ত্বকের প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কি ধরণের পরিমার্জক (স্ক্রাব) ব্যবহার করা দরকার। উদাহরণ স্বরূপ যদি আপনার ত্বক খুব সংবেদনশীল হয় বা ঘন ঘন ব্রণ দ্বারা আক্রান্ত হয়, তবে আপনি বার বার শক্ত পরিমার্জক (স্ক্রাব)ব্যবহার করবেন চাইবেন না। পরিবর্তে সপ্তাহে দু’-তিন দিন এমন কোন পরিমার্জক ব্যবহার করতে চাইবেন যা মসৃণ পদার্থ দিয়ে তৈরি এবং প্রাত্যাহিক ব্যবহারের জন্য আরও নরম কোন দ্রবণ পছন্দ করবেন।

৫। নিয়মিত ব্যায়াম

নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র নিজের শরীরকে সুঠাম রাখতে সাহায্য করে না, আমাদের নিজেদের সার্বিক স্বাস্থ্যকেও রক্ষা করে। ব্যায়াম আমাদের সারা শরীরের ত্বককে সটান করে, হৃদযন্ত্রে রক্ত সংবহনের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং পেশীর শক্তি বাড়ায়, যার ফলে ত্বক দেখতে যুবকদের মত হয় এবং উজ্জ্বলতা লাভ করে। এর ফলে আপনার মানসিক চাপ দূর হয়, যা অন্যথায় বলিরেখা তৈরি করে এবং ত্বকের ক্ষতি করে। কাজ শেষ করার পর আপনি নিশ্চিতভাবে মুখ পরিস্কার করুন যাতে ত্বকের ক্ষত আপনার টি-জোনকে অবরুদ্ধ না করে দেয়।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon