Link copied!
Sign in / Sign up
5
Shares

নিজের মধ্যে যৌবনকে ধরে রাখুন


আপনার জীবন অতিবাহিত করার ধরণের ওপর নির্ভর করে আপনার যৌবন। কিন্তু কীভাবে নিজের যৌবনকে ধরে রাখবেন? পরিমান মতো খাবার এবং শরীরচর্চা করতে হবে। চা-কফি বা অন্য কোনও পানীয়, চিনি ছাড়া খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। দেখবেন আপনার চেহারায় বয়সের ছাপ কম পড়বে। কারণ অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার যাঁরা খেতে ভালবাসেন, তাঁদের চেহারায় বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি পড়ে।

কিন্তু এমনটা হয় কেন?

কারণ, মিষ্টি জাতীয় খাবার শরীরে প্রবেশের পর ত্বকের স্বাভাবিক দু’টো প্রোটিনের (কোলাজেন এবং ইলাস্টিন) কার্যপ্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। এই দু’টি প্রোটিন বয়স প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ফলে অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে তাড়াতাড়ি।

প্রচুর ঘুমোন

শরীরকে তরতাজা রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত সাত আট ঘণ্টা টানা ঘুম প্রয়োজন। রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে এবং সকালে সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠতে চেষ্টা করুন। এতে সকালে অফিসে যাওয়ার আগে অনেকটা সময় পেয়ে যাবেন। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যাওয়া এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার সুফলটাও পাবেন।

শরীরচর্চা করুন নিয়মিত

সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা কিছু খেয়ে ব্যায়াম বা জিমে যেতে পারেন। ব্যায়াম কিংবা যোগাসন যাই করবেন, নিজের বয়সের দিকে খেয়াল রেখে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা শরীরচর্চা করলে শরীর-মন দুইই ভাল থাকবে। যার প্রভাব পড়বে চেহারায়। এছাড়াও সকালের শান্ত পরিবেশে বাড়ির পাশের পার্কে গিয়ে হাটা বা দৌড়োতে পারেন।

ফাস্টফুড

প্রথমেই ফাস্টফুডকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। খান টাটকা শাক সব্জি। চেষ্টা করুন সেদ্ধ করা খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়ার। আপনার যদি ধূমপানের অভ্যাস থাকে, তাহলে সেটাও পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, সিগারেটের তামাকের মধ্যে থাকা নিকোটিন ফুসফুসের সাথে শরীরের অন্যান্য অংশেরও ক্ষতি করে। এমনকী, দীর্ঘদিন যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের ফুসফুসের ভিতরে কার্বনের পুরু আস্তরণও পড়ে যায়। ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার স্বাভাবিক ক্ষমতা কমে যায়।

মনে রাখবেন, শরীরের বয়সটা আসলে কয়েকটা সংখ্যা। মনের বয়সটাই আসল! তাই মনের দিক থেকে তরুণ থাকার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে অল্পবয়সিদের সঙ্গে মেলামেশার চেষ্টা করুন। সময় পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়ুন। মনে রাখবেন, বছরে অন্তত দু’বার বেড়াতে তো যেতেই হবে! কেউ সঙ্গে না থাকলেই একাই বেরিয়ে পড়ুন। দেখবেন, মনের বয়স আর বাড়ছে না মোটেই।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon