Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

নায়ক নয়, খলনায়কের জন্যে সুপারহিট যেই ১০টি বলিউড চলচ্চিত্র


বলিউড চলচ্চিত্রে চিরকালই কোথায় আছে, একজন নায়ক, একজন নায়িকা এবং একজন খলনায়ক থাকবেই।সাধারণত সিনেমার ক্ষেত্রে নায়কের দাপটে ছবি হয়ে ওঠে সুপারহিট। বর্তমানে অনেক এমন সিনেমাও হয়েছে যেখানে নায়িকারা কেড়ে নিয়েছেন সেই পদক। কিন্তু এমন সিনেমাগুলির কথা মনে পরে কি যেখানে নায়ক নয়, নায়িকা নয়, খলনায়ক করেছেন সিনেমা সুপার ডুপার বাম্পার হিট? খলনায়কের চরিত্র মানুষের কাছে নেতিবাচক হিসেবেই বেশিরভাগ সময় ধরা পরে যার ফলে ফলে দর্শকরা খলনায়কদের ঘৃণা করে থাকেন। আর স্বাভাবিকভাবেই  নায়ক নায়িকাদের জয়গান করেন। সোনালী পর্দায় বেশির ভাগ সময় এমনতা ঘটলেও কিছু এমন সময় সিনেমায় রয়েছে যেখানে খলনায়ক হয়ে উঠেছেন শ্রেষ্ঠ।  সিনেমা দেখার বহু বছর পরেও দর্শক নায়ক বা নায়িকার চেয়ে খোলনায়ককেই মনে ধরে রেখেছেন। আসুন তেমন কিছু দৃষ্টান্ত দেখে নেওয়া যাক। 

১. শোলে

১৯৭৫ সালে মুক্তি পায় এই সুপারহিট মুভি শোলে। রমেশ সিপ্পি পরিচালিত এই সিনেমায় গব্বর সিং চরিত্রে অভিনয় করেন আমজাদ খান। দুর্ধর্ষ খল চরিত্রে অভিনয় করে সেরা কো এক্টর ক্যাটাগরিতে ফিল্মফেয়ার মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি। ওনার অভিনয় এতটাই অসাধারণ ছিল যে ওনারই বলা একটি ডায়লগ "বেটা সো যা, ওয়ার্না রাত কো গব্বর আ জায়গা" বাস্তবেও অনেক মায়েদের তাদের শিশুকে ঘুম পাড়াতে সাহায্য করেছে।

২. মিস্টার ইন্ডিয়া

১৯৮৭ সালে শেখর কাপুরের পরিচালনায় মুক্তি পায় মিস্টার ইন্ডিয়া সিনেমা। ভারতবর্ষের একজন অন্যতম বিখ্যাত ও গুণী পরিচালকের মধ্যে এই পরিচালকের নাম আসে। এই সিনেমায় নায়ক হয়েছিলেন অনিল কাপুর যিনি অবশ্যই তাঁর চরিত্রে ছিলেন অটুট, কিন্তু খলনায়ক অমরিশ পুরি তাঁর মোগাম্বো চরিত্রে অনিল কাপুরকে ছাপিয়ে গিয়েছিলেন। "মোগাম্বো খুশ হুয়া" এই ডায়ালগটি আজও সকলের মধ্যে প্রচলিত।

৩. ডর

১৯৯৩ সালে মুক্তিপে এই মুভি। মুভিটি একটি সাইকোলজিক্যাল-থ্রিলার হিসেবে পরিচালনা করা হয় যেখানে খল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সুপারহিট নায়ক শাহরুখ খান এবং নায়ক হয়েছিলেন সানি দেওল। সিনেমায় নিমেষেই তিনি ছাপিয়ে উঠেছিলেন নাযুক চরিত্রকে। এই অসাধারণ চরিত্রের জন্যে তিনি জিতে নিয়েছিলেন ফিল্ম ফেয়ারের মতো সম্মানজনক পুরস্কার।

৪. ওমকারা

এই মুভিতে দুটি খল চরিত্রে অভিনয় করেন সাইফ আলী খান ও অজয় দেবগন। সিনেমাটি বিশেষ করে কেন্দ্রীভূত ছিল সন্দেহ, অবিশ্বাস, মহত্ত্ব ও ষড়যন্ত্রের ওপর। দুই খলনায়ক ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্যেও মনোনীত হয়েছিলেন।

৫. আজনবি

খল চরিত্রকেই মুখ্য চরিত্র করে তোলার জন্যে যেই পরিচালক বেশ কয়েক বছর ধরে কাজ করে চলেছেন তিনি হলেন আব্বাস মোস্তান। তার মধ্যে একটি বিখ্যাত সিনেমা হল অজনবি; যেখানে খল চরিত্রে অক্ষয় কুমার নায়ক ববি দেওল কেও ছাপিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর অভিনয়, ডায়লগ এবং উপস্থিতির মাধ্যমে। 

৬. অগ্নিপথ

কি বলা যায় এই সিনেমায় অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের ভূমিকাকে? নায়ক না খলনায়ক? ওনার অসাধারণ অভিনয়ের জন্যে দর্শকরা তাঁকে নায়ক ও খলনায়ক দুটি চরিত্রেই সমানভাবে নিয়েছেন। শুধু অভিনয়ই নয়, ওনার সাজসজ্জায় যে একেবারে অন্য একটি রূপ দেখা গেছে তা হয়তো কোনো ভিলেনকেই দেখা যায়নি।

৭. গ্যাংস অফ ওয়াসিপুর

একেবারেই ভিন্ন স্বাধের সিনেমা এটি যেখানে গ্যাংস্টারদের জীবন কাহিনীকেই অধারিত করা হয়েছে। ছবির পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ যিনি একজন প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তি ও এই সিনেমায় মুখ্য গ্যাংস্টার চরিত্রে রাখেন নায়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে যিনি খল চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করে জয় করেছিলেন হাজার ভক্তদের মন।

৮. ধুম

আজ অবধি ধুম সিনেমাটির ৩টি সিরিজ প্রকাশিত হয়েছে যেখানে নায়ক মানেই খোল চরিত্র। প্রথম ধুম-এ জন আব্রাহাম, দ্বিতীয়তে হৃত্ত্বিক রোশন এবং তৃতীয়তে আমির খান! এই সবকটি সিরিজে নায়কদের জন্য (অভিষেকেক বচ্চন ও উদয় চাপড়া) যতটা দর্শকরা আলোচনা করেন, তার চেয়ে ঢের আলোচিত খলনায়কদের চরিত্র। 

৯. ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই দোবারা

‘ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন মুম্বাই দোবারা’ সিনেমাটি ২০১৩ সালে মুক্তি পায় । পরিচালনা করেন মিলন লুথারিয়া। সিনেমার খলনায়ক অক্ষয় কুমারের দুর্ধর্ষ অভিনয়ের কাছে নায়ক ইমরান খান এতটাই সাদামাটা ছিলেন যে দর্শকই দ্বন্দ্বে পড়ে যান যে, কে নায়ক আর কে খলনায়ক।

১০. পদ্মাবত

এই সিনেমা নিয়ে জট বলবো ততই কম কর্ম সম্প্রতি ঝড় তুলেছিল এই সিনেমা রিলিজ হওয়া নিয়ে। নানা বাধা পেরিয়ে সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত সিনেমা পদ্মাবত শেষ অবধি রিলিজ হয় ২০১৮ র ২৫ জানুয়ারি। সিনেমাটির কেন্দ্রীয় তিন চরিত্রের দুটিতে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে শহিদ কাপুর, রণবীর সিং। দুই নায়কেরই ছিল অসাধারণ অভিনয় কিন্তু আলাউদ্দিন খিলজি চরিত্রে রণবীরের অভিনয়ের কাছে অনেকটাই ফিকে পড়ে যায় রাওয়াল রতন সিংয়ের ভূমিকায় অভিনয় করা শহিদ কাপুর। সিনেমায় খিলজির মেক আপে সুরমা পরা হিংস্র চোখের চাহনি থেকে শুরু হয়ে পাশবিক শারীরিক ভাষায় অত্যাচারী মনোভাব রণবীর অনবদয়ভাবে পালন করেছেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon