Link copied!
Sign in / Sign up
10
Shares

নাক ডাকার কারণে অশান্তি?


স্বামীর নাক ডাকার চোটে ঘুমের দফারফা হয় অনেক স্ত্রী-রই। কিন্তু উল্টো ঘটনা সচরাচর ঘটে না। তাহলে কি মহিলারা ঘুমিয়ে নাক ডাকেন না! যদিও মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই ঘুমের নানা সমস্যায় ভোগেন।  

নারী পুরুষ নিবিশেষে এই সমস্যা প্রায় প্রতিটি মানুষের ঘরে। নাক ডাকার বহু কারণ রয়েছে। মূল কারণ হল নাকের ভিতরে বায়ু চলাচল আংশিকভাবে ব্লক হয়ে যাওয়া। এর ফলেই গর্জনটির জন্ম হয়। ওবেসিটি, ঘুমের ওষুধ, সর্দি-কাশি, সাইনাস, অ্যালার্জি, ধূমপান, মদ্যপান, টনসিল বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি নানা কারণ থাকতে পারে নাক ডাকার পিছনে। নাক ডাকা থেকে শরীর স্বাস্থ্যে বেশ কিছু প্রভাবও পড়ে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে এমনকী স্ট্রোক হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

পাশাপাশি এ-ও দেখা গিয়েছে, পুরুষ সঙ্গীদের নাক ডাকার ফলে মহিলা সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাতের ঘটনা খুব পরিচিত। কিন্তু উল্টো ঘটনা ঘটতে কমই দেখা যায়। এ নিয়েও সমীক্ষা করা হয়। দেখা গিয়েছে, নাক ডাকার কারণে সঙ্গীকে বেডরুম থেকে বার করে দেওয়ার ঘটনা বেশি ঘটায় মেয়েরাই। তবে এ জন্য মেয়েদের অতিমাত্রায় সংবেদনশীলতাকেও দায়ী করেছেন কেউ কেউ।

এই সমস্যা নিয়ে কি করবেন সেই নিয়েই আর চিন্তা করবেন না, নীচে রইল ঘরোয়া উপায়ে নাক ডাকার প্রকোপ কমানোর কিছু টিপ্‌স। এতেও কাজ না হলে অবশ্যই যোগাযোগ করুন কোনও ভাল স্নোর ক্লিনিকে।

১. ঘুমোতে যাওয়ার আগে হালকা গরম জলে নুন মিশিয়ে ১০ মিনিট গার্গল করুন।

২. প্রতিদিন নিয়ম করে এক কাপ ভাল গ্রিন টি এবং দু’তিনটি তুলসি পাতা চিবিয়ে খান।

৩. নিয়মিত মদ্যপান এবং অতিরিক্ত ধূমপান, দু’টিই অবিলম্বে বর্জন করুন।

৪. ঘুমোনোর আগে ভেপার নিন বেশ খানিকক্ষণ যাতে শ্বাসনালীতে বায়ু চলাচলে কোনও বাধা না থাকে।

৫. পাশ ফিরে ঘুমোনো অভ্যাস করুন এবং যতটা পারা যায় উঁচু বালিশে মাথা রাখুন।

৬. ভরপেট আইঢাই করে খেয়েই শুয়ে পড়বেন না। ঘুমোনোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে খাওয়া-দাওয়া সেরে নিন।

৭. খুব নাক ডাকলে দু’তিন ড্রপ অলিভ অয়েল খেয়ে নিন, কাজ দেবে।

৮. নাকের ডগায় দু’তিন ফোঁটা ঘি দিলে বেশ খানিকটা কমানো যায় গর্জন।

৯. টক জাতীয় ফল নাক ডাকা কমাতে সাহায্য করে। রোজ একটি করে টকজাতীয় ফল খান।

১০. ভাজাভুজি, আইসক্রিম, ফ্রোজেন ফুড, চকোলেট, টোম্যাটো সস, পোট্যাটো চিপ্‌স যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন।

১১. ঘুমের ওষুধ এবং সিডেটিভ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।

১২. দিনের মধ্যে দু’তিনবার এবং ঘুমোনোর আগে শিরদাঁড়া সোজা করে বাবু হয়ে বসে ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ করুন।

১৩. প্রবল নাক ডাকার সময়ে ইউক্যালিপ্টাস এবং পাইন পাতার ঘ্রাণ নিলে কমে যায় গর্জনের প্রকোপ।

১৪. বেশ কয়েকটি যোগাসন নিয়মিত অভ্যাস করলে নাক ডাকা কমাতে সাহায্য করে। যেমন ভুজঙ্গাসন, নৌকাসন, ধনুরাসন, সূর্য্য নমস্কার ইত্যাদি।

১৫. ভ্রামরী ও উজ্জ্বয়ী প্রাণায়াম, কপালভাতি এবং ‘ওম’ উচ্চারণ নিয়মিত করলেও কমে যায় নাসিকা গর্জন। 

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon