Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

সন্তানকে মৌসুমি জ্বরে রক্ষা করবেন কি ভাবে

ঋতু পরিবর্তনের কারণে জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা ইত্যাদিকেই মৌসুমি জ্বর ধরা হয়। হাঁচি-কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে থাকা, সারা শরীরে ব্যথা, মাথা ভার হয়ে থাকা, খাওয়ায় অরুচি, মুখে তিতাভাব ইত্যাদি ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ।

বৃষ্টিতে ভিজতে পছন্দ করেন কমবেশি সবাই। সেই আনন্দ ত্যাগ করতে হবে। তাই বাইরে বেরোনোর সময় ছাতা, রেইনকোট সঙ্গে রাখুন। যাত্রাপথে বৃষ্টিতে আটকে গেলে যতটুকু সম্ভব মাথা ভেজা এড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। নিরাপদ স্থানে পৌঁছে মাথা মুছে নিতে হবে এবং ভেজা কাপড় পাল্টে ফেলতে হবে। বৃষ্টিতে ভেজার পর সম্ভব হলে অবশ্যই স্নান করতে হবে। আর স্নান সুযোগ না থাকলে কমপক্ষে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আদা, লেবু দিয়ে লাল চা, গরম দুধ, সুপ ইত্যাদি খেলে ভালো লাগবে।

ঘরে মৌসুমি জ্বরে আক্রান্ত রোগী থাকলে তাকে ভিন্ন ঘরে রেখে পরিচর্যা করা উচিত। মৌসুমি জ্বর ছোঁয়াচে নয়, তবে রোগীর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে। মশার ব্যাপারেও এসময় চাই বাড়তি সতর্কতা।

আক্রান্ত হলে করণীয়

বিভিন্ন ধরনের জ্বার কমানোর ওষুধ রয়েছে। আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বর কমানোর ওষুধ খেতে হবে। মনে রাখা উচিত, ওষুধ যতটা সম্ভব কম সেবন করাই ভালো। অনেকেই সাত দিনের বেশি জ্বর থাকলে কিংবা ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রির বেশি জ্বর হলে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করে দেন। যা প্রয়োজনীয় নয়, বরং হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ধরনের ওষুধ সেবন করা যাবে না।

রোগীর মাথা ধোয়ানো এবং কপালে জলপট্টি দেওয়া উপকারী। প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হবে। জলের পাশাপাশি ডাবের জল, স্যালাইন, ফলের সরবত ইত্যাদি পান করতে হবে। জ্বর সারাতে ভিটামিন-সি আছে এমন ফল যেমন- আনারস, কমলা, আমড়া, লেবু ইত্যাদি অত্যন্ত উপকারী।

জ্বরে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে যে, শুধুই ভাইরাস জ্বর, নাকি তা টাইফয়েড, জন্ডিস, নিউমোনিয়ার ইত্যাদির দিকে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon