Link copied!
Sign in / Sign up
3
Shares

মায়েরা ৩০ হবার পর হাড়ের যত্ন নিন


বয়স ৩০ হওয়ার পর থেকেই মানুষের হারের দ্রুতগতিতে ক্যালসিয়াম হারাতে থাকে। কিন্তু ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটানোর গতি ধীর হয়ে আসে। ফলে হাড়গুলো নরম, ছিদ্রযুক্ত এবং এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে অল্প চাপেও ভেঙে যায়। যেমন ধরুন টেবিলের বিপরীতে আঘাত লাগলে বা ঘুমানোর সময় বিছানা থেকে মেঝেতে পড়ে গেলে আপনার হাড় ভেঙে যেতে পারে। এখানে এমন কিছু উপায় বলা হলো যেগুলো অনুসরণ করে আপনি মধ্যবয়সেও স্বাস্থ্যবান হাড় গড়ে তুলতে পারবেন।

১. ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

স্নায়ু, মাংসপেশি এবং হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখার জন্য দেহের জন্য দরকার হয় ক্যালসিয়ামের। আর এ কারণেই হাড় থেকে ক্যালসিয়াম বের হয়ে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে তেমনই রক্ত থেকেও ক্যালসিয়াম নিয়ে হাড় তার নিজের ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম খেলে এই দেওয়া নেওয়া ঠিক থাকে। সুতরাং ৩০ বছরের পর বেশি বেশি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

২. ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট

অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নিতে সহায়তা করে ভিটামিন ডি। সুতরাং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশপাশি ভিটামিন ডি বড়িও সেবন করুন। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন ৫ মিনিট করে সূর্যের আলোতে দাঁড়ালেই প্রাকৃতিকভাবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি উৎপাদিত হবে আপনার শরীরে; তাহলে কিন্তু ভুল ভাবছেন।

৩. ব্যায়াম

অ্যারোবিকস, জগিং, ড্যান্সিং, খেলাধুলা এবং ভারোত্তোলন এর সবই ওয়েট-ট্রেনিং এক্সারসাইজ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব করলে আপনার হাড়ের ওপর চাপ পড়বে, আর হাড়ও তখন আরো বেশি করে ক্যালসিয়াম শুষে নেওয়ার বাড়তি চেষ্টা করবে।

৪. মদপান

মদপান করলে দেহে ভিটামিন ডি এর কার্যক্রম ব্যহত হয়। যার ফলে হাড়গুলোও দুর্বল হয়ে পড়ে। সুতরাং মদপান পুরোপুরি ত্যাগ করুন।

৫. ধূমপান

স্বাভাবিক ভাবে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ধূমপান। এতে শুধু ফুসফুসই নয় বরং এতে হাড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধূমপানের কারণে হাড় আপনার অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নিতে অক্ষম হয়ে পড়ে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon