Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

সুস্থ মাসিক সুস্থশরীরের পরিচয়! এই সময়ের বিশেষ আহার


পিরিয়ড, মাসিক বা মাসিক ঋতুচক্র এটি প্রত্যেকটি নারীর জীবনের স্বাভাবিক বিষয়। আমাদের জীবন এটির ওপর নির্ভর করে থাকে। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের সমাজে, আমাদের মনে নানা কুসংস্কার কাজ করে থাকে। যার কারণে অনেক নারীই বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। অথচ অনেকে জানেন না এ সময়ে প্রতিটি মেয়েদের শরীরের জন্য অতিরিক্ত পুষ্টি এবং বিশ্রামের প্রয়োজন, এবং প্রয়োজন বিশেষ ধরণের কিছু খাবার গ্রহণ করার। মাসিক ঋতুচক্রের দিনগুলোতে রক্তক্ষরণের কারনে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিয়ে থাকে। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য এই সময়ে প্রতিটি নারীকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে বিশেষ কিছু খাবার গ্রহণ খুব জরুরি। আসুন জেনেনি জীবনের এই বিশেষ সময়ে কি কি ধরণের খাবার ঘ্রাণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। মাসিক ঋতুচক্র! এই সময় কোন খাবার খাবেন……….

১. আয়রন সমৃদ্ধ খাবার:


যেসব খাবারে প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকে মাসিকের সময় তা নিয়মিত খাবার অত্যন্ত জরুরি। যেমন ধরুন মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা, কচু শাক, পুঁই শাক, ডাঁটা শাক, ফুলকপির পাতা, ছোলা শাক, ধনে পাতা, তরমুজ, কালো জাম, খেজুর, পাকা তেঁতুল ও আমড়া। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি পূরণ করবে।

২. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: 

শরীরে আয়রনের ঠিকমত গ্রহণ ও সঠিক কার্যকারিতার জন্য ভিটামিন C খুব জরুরি। এই কারনে মাসিকের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন C যুক্ত খাবার খাওয়া খুব প্রয়োজন। বেশ কিছু পরিচিত ফলের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন C পাওয়া যায়। যেমন: পেয়ারা, আমড়া, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাকা টমেটো, কামরাঙা, পাকা পেঁপে, আনারস ইত্যাদি। আমাদের দেশ এসব ফল খুবই সহজলভ্য। মাসিকের সময় এ ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

৩. বিশেষ ধরনের শরবত ও ফলের জুস:

মাসিকের দিনগুলোতে বিশেষ করে বিভিন্ন ধরণের ফলের জুস ও শরবত শরীরকে সুস্থ রাখে। এখানে একটি রেসিপি সম্পর্কে আপনাদের জানাচ্ছি। এই ধরণের বানানো জুস দিনে ২ বার খেলে ভাল ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে মাসিকের দিনগুলিতে এই জুস শরীরকে সুস্থ রাখতে বেশ সাহায্য করে।

কি ভাবে বানাবেন: প্রথমে ১টি বড় কাপ বা জগ নিতে হবে। ১ টি সবুজ আপেলের নিয়ে জুস করে ঐ কাপে রাখতে হবে। এরপর এর সাথে ২টা গাজর জুস করে মিশাতে হবে। তারপর ২টা বীট জুস করে কাপে রাখতে হবে। সবশেষে অর্ধেকটা পাতি লেবুর রস ঐ কাপে মিশিয়ে পুরো মিক্সারটি ভালভাবে নাড়তে হবে। মাসিকের সময় এই জুসটি দিনে ২ বার করে পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

৪. জল: 

মাসিকের সময় রক্তপাতের পাশাপাশি শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে তরল বেরিয়ে যায়। এই তরলের অভাব পূরণ করার জন্য এই সময় প্রচুর জল পান করা প্রয়োজন। মনে রাখবেন, চা, কফি, কোল্ডড্রিঙ্কস ইত্যাদি দিয়ে এই ঘাটতি কখনোই পূরণ হবে না। সাধারণ জল শরীরের জলের অভাব দূর করতে সব চাইতে বেশি কার্যকর। ইচ্ছে হলে, হালকা গরম জল পান করা যেতে পারে। এর ফলে অনেক সময় পেট ব্যথা থাকলে তাতে আরাম পাওয়া যায়।

৫. বাদাম:

 বাদামে নানান রকম ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। সেই কারণে বাদাম মাসিকের সময় শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে নুন-তেলে ভাজা বা চিনি মেশানো বাদাম খাওয়া উচিত নয়। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি মাসিকের সময় শরীরের ঘাটতি পূরণে বেশ উপকারী।

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon