Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

মাসিকের যন্ত্রণা দূর করবেন কোন ঘরোয়া উপায়ে


নারীদের পিরিয়ড কিংবা মাসিক মোটেই কোন লুকোনোর বিষয় নয়। প্রতি মাসেই একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে প্রতিটি পূর্ণবয়স্ক নারী এ অবস্থার মুখোমুখি হন। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে বেশিরভাগ নারীই অসহনীয় ব্যথা ও যন্ত্রণা সহ্য করে থাকেন। অনেক কিশোরী ও তরুণীর স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ঘরের কাজে মন বসাতে পারেন না অসংখ্য গৃহিণী। কিন্তু প্রতি মাসেই এমন যন্ত্রণা সহ্য করার চাইতে কীভাবে এটি উপশম ও প্রতিকার কি ভাবে করবেন জেনে নিন

১. সুষম খাবার

মাসিক চলাকালীন অবস্থায় অবশ্যই আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খেতে হবে। যেকোন ধরণের ফাস্টফুড, দুগ্ধজাত খাবার ও তেলেভাজা খাবার এ সময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। প্রচুর পরিমাণে ফল, আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি খেতে থাকুন। কোনভাবেই পেট খালি রাখবেন না। দুই ঘণ্টা পর পর খেতে থাকুন।

২. প্রচুর জল পান করা

অনেকের একটা ভুল ধারণা আছে যে মাসিক চলাকালীন সময়ে জল পান করা কমিয়ে দিতে হবে। এটি কিন্তু একদম ভুল ধারণা। এ অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে জল পান করা উচিৎ। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত এক গ্লাস জল পান করবেন। শুধু জল খেতে ইচ্ছে না করলে আপনি ফলের টাটকা শরবত পান করতে পারেন। তবে হ্যাঁ, বাজারে প্যাকেট জাত যেগুলো পাওয়া যায় ওগুলো এড়িয়ে চলাই উত্তম।

৩. মাল্টিভিটামিন

পিরিয়ডের ব্যথা যদি একদম অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায় তাহলে আপনি চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে মাল্টিভিটামিন বা মিনারেল খেতে পারেন। তবে বেশিরভাগ চিকিৎসক পরামর্শ দেন যে ওষুধ না খাওয়াই ভালো। নিজে নিজে চিন্তা করে কোনভাবেই ওষুধের আশ্রয় নেবেন না।

৪. হালকা ব্যায়াম

পিরিয়ড অবস্থায় কোন ধরণের ব্যায়াম করা যাবে না, এটি একদম ভ্রান্ত ধারণা। হালকা ব্যায়াম যেমন হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, যোগা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে করতে পারবেন আপনি। প্রথম দু’দিন খুব ভারী যেকোন কাজ কিংবা ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন। পরবর্তী দিনগুলোতে চাইলে করতে পারেন কিন্তু অবশ্যই শরীরের অবস্থা বুঝে।

৫. ভেষজ চা

মাসিক চলাকালীন অবস্থায় কড়া লিকারযুক্ত চা খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা কারণ এতে শরীর কষে যেতে পারে। কিন্তু চা-প্রেমী যারা আছেন তাদের জন্যেও সমাধান আছে। আপনি চাইলেই বিভিন্ন হার্বাল টি কিংবা ভেষজ চা পান করতে পারেন। খুব সহজেই গ্রিন টি, জেসমিন টি, তুলসি টি পেয়ে যাবেন বড় বড় সুপারশপ গুলোতে। গরম পানিতে একটি টি ব্যাগ ডুবিয়ে নিমিষেই পান করে ফেলুন ভেষজ চা। অনেকখানি ব্যথা উপশম হবে।

৬. তলপেটে ম্যাসাজ

ব্যথা যদি একদম তীব্রতর হতে থাকে সেক্ষেত্রে তলপেটে গরম জলের সেঁক দিতে পারেন খুব আলতোভাবে। এক্ষেত্রে গরম জলের বিশেষ এক ধরণের ব্যাগ আছে, সেটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া তলপেট ম্যাসাজ করতে পারেন। অনেকটুকু আরাম বোধ করবেন।

আশা করি, এ ঘরোয়া টিপসগুলো অনুসরণ করে আপনি পিরিয়ড চলাকালীন অবস্থাতেও নিশ্চিত থাকতে পারবেন। এগুলোতেও যদি কোনভাবে আপনার উপকার না হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। শুভকামনা আপনার জন্য।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon