Link copied!
Sign in / Sign up
7
Shares

মাছ আপনার সন্তানের জন্য কতটা গুরুত্ব পূর্ণ


প্রতিদিন মাছ খাওয়া শুরু করতে হবে। তাহলেই আর ৫০এর পর প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। নিয়মিত মাছ খেলে শরীর বিশেষ কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা এত মাত্রায় সুরক্ষা প্রদান করে ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬৩ শতাংশ কমে যায়। নিয়মিত মাছ খেলে যে শুধুমাত্র প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, এমন নয়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতাও। কিন্তু মাছের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রোজ খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি হয় না তো? মাছের শরীরের থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং প্রোটিন, মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি কণাকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে একাধিক মারণ রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। যেমন….

১. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়

বাজারে গেলে ব্যাগ ভর্তি করে রুই-কাতলা কিনতে ভুলবেন না যেন! মাছের শরীরে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ধীরে ধীরে চোখের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। তাই ভোলা বা ভেটকির মতো মাছও কিনতে পারেন। কারণ এদের শরীরেও প্রচুর পরিমাণে তেল থাকে।

২. ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বাড়ে

মাছের শরীরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের ভেতরে অন্দরে যাওয়া মাত্র ত্বক এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টির যোগান এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে তার প্রভাবে স্কিন টোনের যেমন উন্নতি ঘটতে শুরু করে, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগ ভুগছেন, তারা প্রতিদিনের ডায়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না।

৩. হার্টকে চাঙ্গা রাখে

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে যারা নিয়মিত মাছ খেয়ে থাকেন, তাদের হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। আসলে মাছের শরীরে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে থাকা ফ্যাটের মাত্রাকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৪. স্পার্ম কাউন্ট অনেক বাড়িয়ে দেয়

নিয়মিত মাছে খান, তাদের স্পার্ম কাউন্ট এতটাই ভাল হয়ে যায় যে বাচ্চা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যাই হয় না। প্রসঙ্গত, বর্তমানে আমাদের উত্তাল জীবনযাত্রার কারণে অনেকেরই স্পার্ম কাউন্ট কমতে শুরু করেছে, যে কারণে বাবা হাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। তাই আপনি যদি চান এমনটা আপনার সঙ্গে না হোক, তাহলে নিয়মিত মাছ খেতে ভুলবেন না যেন!

৫. মানসিক অবসাদ কমায়

বর্তমান সময়ে নানা কারণে মানসিক অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যাটা যেন ক্রমাগত বাড়ছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই কম বয়সি। এমন পরিস্থিতিতে মাছ খাওয়ার প্রয়োজন আরও বেড়েছে। কারণ স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদ কমাতে মাছের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এক্ষেত্রেও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়

মাছ খেলেই আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে থাকা নিউরনদের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, তেমনি স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে। যারা নিয়মিত মাছ খেতে থাকেন তাদের ব্রেণের একটি বিশেষ অংশের ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তির দিক থেকে তারা অনেকটাই পিছনে ফেলে দেয় মাছ না খাওয়া মানুষদের।

৭. ভিটামিন ডি এর ঘাটতি দূর করে

হাড়ের গঠনে এই ভিটামিনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই শরীরে যাতে কোনোভাবই ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে সামদ্রিক মাছেরা। কারণ এদের শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে মজুত থাকে ভিটামিন ডি, যা হাড়কে শক্তপোক্ত করার পাশাপাশি নানাবিধ হাড়ের রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon