Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

মুলো! সমস্যার সমাধান!

অত্যন্ত উপকারি সবজি মুলো। মা ও বাচ্চার জন্যে পুষ্টিগুণে ভরপুর মুলো। খাবার হিসেবে এর স্বাদও অনন্য। মুলোর কিছু গুণ তুলে ধরা হলো এ লেখায়।

পুষ্টিগুণ

মুলোয় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। মুলোর মূল যেমন পুষ্টিসমৃদ্ধ তেমন এর পাতাতেও প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুলোর চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলোর পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়।

মুলোর পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলো পাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

মায়ের দুধ বৃদ্ধি

শিশুকে যে মায়েরা দুগ্ধপান করান তারা মুলো খেতে পারেন। নিয়মিত মুলো খাওয়ার অভ্যাস থাকলে শিশু পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

কোষ্টকাঠিন্য দূর

মুলোর হজমকারী ক্ষমতা গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও পাইলস রোগে আরাম দেয়। পাইলসের কারণে রক্ত পরা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়।

রক্ত পরিষ্কারক

মুলো বাচ্চা ও মায়েদের রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষণ এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলো কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী।

হজমে উপকার ও ক্ষুধা বৃদ্ধি

কাঁচা মুলো খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজম হয় দ্রুত এবং রুচি বাড়ে। তবে বাচ্চাদের এটি রস করে খাওয়ানোই ভাল। কচি মুলোর সালাদ মায়েদের ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

রোগীর পথ্য

বাচ্চা জ্বরে ও বিভিন্ন রোগে ভুগলে বা মুখের রুচি নষ্ট হয়ে গেলে মুলো কুচি করে কেটে সালাড বানিয়ে চিবিয়ে খাওয়ালে উপকার পাবে। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। পেটে ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা হলে মুলোর রসের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবে।

ত্বকের যত্নে

সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মায়েদের ত্বক পরিচর্যায়ও মুলো ব্যবহৃত হয়। এটি ভালো অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলোর পাতলা টুকরো ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলো প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon