Link copied!
Sign in / Sign up
18
Shares

কথায় কথায় সন্তানের কেঁদে ফেলে? এর পেছনে আছে এক দারুন সত্য!


মানুষ মাত্রই তাঁর অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কারওর বেশি থাকে, কারও বা কম। শিশুদের তো সেখানে আরো বেশি। কোনো কোনো বাচ্চা আবেগপ্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারে না। আবার অনেক বাচ্চাই আছে, যাদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে জল আসে। এক কথায় এরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ হয়। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই বড় হলে এদের দুর্বল বলে মনে করে। এছাড়াও, মেয়ে শিশুদের যায় বা ছাড় থাকে, শিশু ছেলে হলে তো কথাই নেই। তাকে বলা হয় "ছেলেরা কাঁদে না, কাঁদলে সে দুর্বল"।

মনোবিদরা কিন্তু অন্যরকম মনে করেন। সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যেসব শিশুরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদে তাদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে।

• শিশুর মনের মধ্যে কোনও কষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষতিকারক। উল্টোদিকে বাচ্চারা যদি কেঁদে নিজের কষ্ট বের করে ফেলতে পারে, তাদের পক্ষে সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূলক ভাবে সহজ। জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরের মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এরা সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে সহজে।

• অনেক অভিভাবকদের ধারণা যেসব শিশুরা কাঁদে তারা ভীতু হয়। কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাঁদের মতে, যারা কাঁদে, তারা সাহসী হয়। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তারা ভয় পায় না। অনেকে কান্না চেপে রাখে নিজেকে দুর্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চায় না তাই। কিন্তু যেসব বাচ্চারা সমস্ত দুঃখ-কষ্টকে মেনে নিয়ে কাঁদতে ভয় বা লজ্জ্বা পায়না তারাই সাহসী।

• যেসব শিশুরা বেশি কাঁদে তারা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। এরা জানে কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাদের সুবিধাই হবে। উল্টোদিকে যারা না কেঁদে, কষ্ট ভিতরে আটকে রাখে তাঁদের মাথায় ও জীবনে সেই কষ্ট বেশি প্রভাব ফেলে। 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon