Link copied!
Sign in / Sign up
3
Shares

রাতে কোন সময়ে খাচ্ছেন?


রাতে দেরি করে ঘুমোন? খাবার খাচ্ছেনও অনেক রাতে? ভুল করছেন কিন্তু। যত দেরি করে খাবেন, তত বিপদ। দেরি করে ডিনারে বারোটা বাজবে হার্টের। বাড়বে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের আশঙ্কা।

রাত ১০টার পর রাতের খাবার খেয়েছেন কি বিপদে পড়েছেন। রাতের খাবারের আদর্শ সময় ১০টা। তার পরে খেলেই বিপদ। ক্রনিক অম্বল, গ্যাসের সমস্যা। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। বাড়বে রক্তচাপ। স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বাড়বে। ফলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা।

প্রতিদিনের জীবনের সাথে বদলাচ্ছে নতুন প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাস । ঘুম থেকে উঠেই কেরিয়ারের পিছনে ছোটা। খাওয়ার রুটিন বদলে গেছে। কিন্তু শরীর, সে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। নিয়ম বদলালেই শরীরের দফারফা। তাই শরীর ঠিক রাখতে ঠিক সময়ে পরিমাণমতো খাওয়া আর রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি।

বেশি রাতে খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে খাবার হজম হয় না। ফলে, অম্বল, বুক জ্বালা, অস্বস্তি। বদহজমে বারবার ঘুমও ভেঙে যেতে পারে। ধীরে ধীরে ইনসমনিয়ার মতো রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। বেশি রাতে খাওয়ার ফলে পরেরদিন সকালে খিদে পাবে না। ফলে ব্রেকফাস্ট বাদ। একে বলে মর্নিং অ্যানোরেক্সিয়া। কিন্তু সারাদিনের খাওয়ার মধ্যে ব্রেকফাস্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রাতে জাঙ্ক খাবার, মিষ্টি বা নোনতা খাবার বা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা অনেকটা বেড়ে যায়।

ধীরে ধীরে শরীরে ফ্যাট জমা হবে। ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি রাতে খেয়েই ঘুম। ফলে ব্লাড প্রেশার বাড়বে। তাই রাত ১০টার মধ্যে খেয়ে নিতেই হবে। খেয়েই ঘুমিয়ে পড়া চলবে না। অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমোতে হবে।

কীভাবে কমানো যাবে বেশি রাতে খাওয়ার প্রবণতা?

ভরপেট খাবার না খেয়ে একটু স্যালাড, অল্প একটু গরম দুধ খাওয়া যেতে পারে। সহজপাচ্য শাক-সবজি খাওয়াই ভাল। রেড মিট, ভাজাভুজি, সোডা, ক্যান্ডি খাওয়া চলবেই না। রাতের খাবার আর শুতে যাওয়ার মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতেই হবে। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের মধ্যে সঠিক ব্যালান্স করতে হবে। একেবারে অনেকটা না খেয়ে সারাদিনে অল্প পরিমাণে খেতে হবে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon