Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

খালি পায়ে হাঁটার কিছু বিশেষত্ব জানতেন কি?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জুতো আবিষ্কার কবিতাটি সকলেই পড়েছেন। কিভাবে খালি পায়ে হাঁটা অস্বস্তিকর হওয়ার পর থেকে জুতো আবিষ্কার হল? এটি কবিতা হলেও একথা সত্যি যে আগেকার দিনে খালি পায়ে হাঁটার চলটাই ছিল বেশি। বিশেষ করে ঘরের ভেতরে তো খালি পায়েই হাঁটা হাঁটি হত, এছাড়া আগে আগে সকালে উঠে অনেকেই ঘাসের পর খালি পায়ে হাঁটাচলা করতে পছন্দ করতেন। বর্তমানে নানা ডিজাইনের নানা জায়গায় পড়ার মত জুতো পাওয়া যায়, শোবার ঘরের একরকম, বাথরুমের এক রকম আবার রান্না ঘরের একরকম, কিন্তু একথা ভেবেছেন কি, যে খালি পায়ের হাঁটার পেছনে কোনো বিশেষত্ব আছে কি না? একটু মনে করুন, তখনকার মানুষেরা কিন্তু এখনকার তুলে অনেক বেশি সুস্থ ও কর্মঠ ছিলেন। তার পেছনে খালি পায়ে হাঁটাটাই কারণ নয় তো? তাহলে জানুন খালি পায়ে হাঁটার সাথে শরীরের ভাল থাকার একটি সরাসরি যোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের ভেতরের গঠন থেকে শুরু করে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি কণাকে সুস্থ রাখার জন্যে খালি পায়ে হাঁটার কোন বিকল্প নেই। তা বলে বাথরুম বা নোংরা জায়গায় খালি পায়ে হাঁটার কথা আসছেনা, কারণ তাতে উল্টো ফলস্বরূপ শরীরে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে,কিন্তু ঘরে পরিষ্কার মেঝেতে,বা বাগানের ঘাসের ওপর এই অভ্যেসটি করার নানা সুফল আছে।

 

১।  হার্টের শক্তি বাড়ে

খালি পায়ে হাঁটলে ব্লাড সেলগুলি প্রচন্ড সজীব হয়ে যায় ও শরীরে রক্তচলাচল স্বাভাবিকভাবে হয় যার ফলে  ব্লাড ক্লট এবং আর্টারিতে ময়লা জমার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। স্বাভাবিকভাবেই হার্টের নানারকম রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। 

২। অ্যাংজাইটি এবং মানসিক অবসাদের মত সমস্যা দূর হয়

নিয়মিত খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে মানুষের অবসাদ বা অ্যাংজাইটি লেভেল কমতে শুরু করে। এর কারণ হল খালি পায়ে হাঁটলে মস্তিষ্কের ভেতরে এন্ডোরফিন নামক একটি ইতিবাচক হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায় যা অবসাদ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 

৪। অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়

খালি পায়ে হাঁটার সময় শরীর থেকে নেতিবাচক শক্তি বা ভাবনা চিন্তা বেরিয়ে যায় যা মানসিক চাপ মুক্ত হতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়েও যায়; এই সব একসাথে হলে ঘুমের সমস্যা দূর হতে বাধ্য।

৫. দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয় 

প্রতিদিন ভোর বেলা, খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে পায়ের তলার একাধিক প্রেসার পয়েন্টে চাপ পরে যেগুলি চোখের সাথে সরাসরি যুক্ত। এতে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে।

 

৬. পেশী ও হাড় শক্তপোক্ত হয়

খালি পায়ে হাঁটার সময় যেহেতু ভেনাস রিটার্ন বেড়ে যায় তাই অনেক বেশি করে রক্ত পৌঁছে যায় হার্টে যা পেশী এবং হাড় আরও শক্তপক্তো করে। এতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সারা শরীরে রক্তচলাচল ঠিক মতো হতে শুরু করে দেয়। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত বেশি বেশি করে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছে গিয়ে তাদের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো হ্রাস পায়।

৭. অনুভূতি জোরদার হয়

পৃথিবী ও মানুষ এই দুটি জিনিসেরই অনুভূতি রয়েছে, যা একাত্ব হলে মানুষ পৃথিবী অর্থাৎ প্রকৃতির শক্তিগুলি নিজের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। খালি পায়ে হাঁটলে এটি অসাধারণ ভাবে সিদ্ধ হতে পারে। শুধু তা নয়, শরীরের সম্পূর্ণ ভার পায়ের ওপর থাকার ফলে দেহের গঠনও উন্নত হয়।

 

৮. অনাক্রম্যতা শক্তি বাড়ে 

 

আমাদের পায়ের তলায় যে অসংখ্য সেন্সারি নার্ভ থাকে সেগুলি খালি পায়ে হাঁটার সময় সতেজ হয়ে গিয়ে শরীরের ভিতরে ইতিবাচক শক্তি তৈরি করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৯. স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধি বৃদ্ধি ঘটে 

হালি পায়ে হাঁটলে মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা নিউরনগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে সতেজ হয়ে ওঠে যার ফলে একদিকে যেমন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে, তেমনি বুদ্ধির জোরও বাড়তে শুরু করবে। 

আমাদের এই পোস্ট আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে, তাই আমাদের পেজ ফলো করুন নানারকম তথ্যের জন্যে।

 

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon