Link copied!
Sign in / Sign up
3
Shares

যোনি চুলকানি থেকে মুক্তি ঘরোয়া উপায়


যোনিতে চুলকানি বা জ্বলুনি নানা কারণে হতে পারে। এবং এটি অনেক সময়ে সমস্যা এবং অসুবিধার সৃষ্টি করে। তবে এটি বড় কোনও রোগের উপসর্গ হতে পারে আবার তেমনই সাময়িক কোনও ইনফেকশনেও হয়। এই ধরনের কোনও কিছু অবহেলা করা উচিত নয়। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উচিত হবে।

আসুন জেনেনি তেমনি কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়

১. ফ্রিজ থেকে বরফ নিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে যোনিতে আলতো করে চেপে ধরে থাকুন এক ২মিনিট। ৩০ সেকেন্ড ছাড়া ছাড়া এটি ব্যবহার করুন। সাধারণ চুলকানি হলে সেরে যাবে। বরফ না থাকলে ঠান্ডা জল দিয়ে যোনি ধুয়ে নিন।

২. যে কোনও ব্যাকটেরিয়া বা ফাংগাল ইনফেকশনের শত্রু হল নুন। বাড়িতে বাথটাব থাকলে তাতে ইষদুষ্ণ জল ভরে আধ কাপ নুন ফেলে দিন। এই নুন জলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট বসে থাকুন। দিনে ২ থেকে ৩ বার করলে অনেকটা কমে যাবে চুলকানি। কিন্তু যোনির আশপাশে বা নিম্নাঙ্গের কোথাও কোনও ক্ষত থাকে তবে এই টোটকা একেবারেই চলবে না। যাঁদের বাথটাব নেই তাঁরা বালতির জলে নুন দিয়ে আস্তে আস্তে পরিষ্কার করবেন।

৩. বাড়িতে টক দই থাকলে একটি ইয়ারবাডের মাথায় ভাল করে দই মাখিয়ে আস্তে আস্তে যোনির ভিতরে প্রবেশ করান। পা দুটি ফাঁক করে এই পজিশনে যতক্ষণ পারেন শুয়ে থাকুন। তার পরে ইয়ারবাডটি বার করে ফেলে দিন। দিনে ২ থেকে ৩ বার করুন। জ্বলুনি কমে যাবে। ইস্ট ইনফেকশন ও ব্যাড ব্যাকটেরিয়া দূর করে টক দই।

৪. যোনিতে চুলকানি হলে এক চা-চামচ ভিটামিন ই অয়েলে কয়েক ফোঁটা রসুনের রস মিশিয়ে ওই জায়গায় লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। টানা কয়েকদিন করলে ভাল ফল পাবেন।

৫. পরিষ্কার জলে ২ থেকে ৩টি নিমপাতা ফেলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিন। পাতাগুলি তুলে নিয়ে ওই নিমের জল দিয়ে যোনি ভাল করে ধুয়ে নিন। দিনে একবার করলেই যথেষ্ট কিন্তু টানা বেশ কয়েকদিন করবেন। নিমপাতা না পেলে পরিষ্কার জলে কয়েক ফোঁটা নিম অয়েল ফেলে সেই দিয়ে যোনি ধুয়ে নিন।

৬. প্রিজারভেটিভ ছাড়া খাঁটি মধু নিয়ে যেখানে চুলকানি বা জ্বলুনি হচ্ছে সেখানে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পরে ইষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। দিনে ২ বার করলে ফল পাবেন তাড়াতাড়ি।

৭. এক গ্লাস জলে দুই চা-চামচ আনফিল্টার্ড অ্যাপল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিয়ে যোনি ও তার সংলগ্ন এলাকা ভাল করে ধুয়ে নিন।

৮. যোনিতে জ্বলুনির মূল কারণ মূত্রনালীতে ইনফেকশন। এর জন্য ওষুধ তো খেতেই হবে, পাশাপাশি কিছু খাবার রয়েছে যা ইনফেকশন তাড়াতে সাহায্য করবে। যেমন ক্র্যানবেরি জুস। প্রতিদিন ২ গ্লাস করে এই জুস খান এবং ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল খান বেশি করে। যতদিন না চুলকানি সারছে ততদিন চিনি খাওয়া কমিয়ে দিন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon