Link copied!
Sign in / Sign up
12
Shares

জেনে নিন, কতটা লম্বা হতে পারে আপনার সন্তান?


একটা সন্তান জন্মের পর হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খায় মা-বাবা আর আত্মীয়স্বজনের মাথায়। এর মধ্যে বোধহয় সবচেয়ে চর্চিত বিষয়টি হল ‘কতটা লম্বা হবে আমাদের সন্তান?’ অনেকেই এই নিয়ে ঝুড়ি ঝুড়ি ভুল ভাবনা আর তথ্যের ডালা খুলে বসেন। অনেকেই দেগে দেন বাবা-মা যখন লম্বা তখন এই সন্তান ঢ্যাঙা না হয়েই যায় না। সেই রকমই বেঁটে দম্পতির জন্য রাখা থাকে বেঁটে সন্তানের ভাবনাটি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে মিলে যাওয়া এসব তথ্যের মধ্যে প্রথাগত ভাবনা বা মজা যাই থাক না কেন, বিজ্ঞানটা নেই। কিন্তু আপনার সন্তানের উচ্চতা কেমন হবে এবিষয়ে সঠিক এবং বিজ্ঞানসম্মত ভাবে আলোকপাত করতে পারেন শিশু চিকিৎসকেরা। কিছু তথ্য আর খানিকটা অঙ্ক কষে নিতে পারলেই শিশুর উচ্চতা বিষয়ে ধারণা তৈরি হয়ে যেতে পারে আপনার। শিশুর উচ্চতা বিষয়ক পরিমাপ করতে বেশ কয়েকটি পদ্ধতি মেনে চলা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে নিখুঁত পদ্ধতিটি হল ‘বোন এজ’ বা হাড়ের বয়স নির্ণয় বিষয়ক পদ্ধতিটি। এই পদ্ধতিতে শিশুটির উচ্চতা নির্ধারণের জন্য তার বাঁ হাতের একটা এক্স-রে করা হয়। এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি পদ্ধতি আছে যেগুলো শিশুটি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনি বাড়িতেই পরীক্ষা করে দেখে নিতে পারেন। যেমন –


‘দু- বছর’ পদ্ধতি

দু বছর বয়সে একটা শিশুর যা উচ্চতা হয় তা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় হতে চলা উচ্চতার অর্দ্ধেক বলে অনেকে মনে করেন। অর্থাৎ ধারণাটি হল ২ বছর বয়সের শিশুর উচ্চতাকে দ্বিগুণ করলেই বেরিয়ে আসবে ভবিষ্যতের মানুষটির উচ্চতা। যেহেতু মেয়েদের বৃদ্ধি ছেলেদের তুলনায় দ্রুত হয় তাই ১৮ মাস বয়সের কন্যা সন্তানের উচ্চতাকেই এক্ষেত্রে গণনা করা হয়। তবে লোকমাঝে প্রচলিত হলেও এর কোনও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা নেই।


‘মিড পেরেন্টাল’ পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে উচ্চতা মাপতে গেলে আপনাকে ছোটোখাটো একটা অঙ্ক কষে নিতে হবে। যেমন প্রথমে শিশুটির বাবা আর মায়ের উচ্চতাকে যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করে দিন। এতে বাবা-মায়ের গড় উচ্চতা পাওয়া যাবে। এবার পুত্র সন্তান হলে এই গড় উচ্চতার সঙ্গে আড়াই ইঞ্চি যোগ করে পেয়ে যাবেন পুত্র সন্তানের বড় বয়সের উচ্চতা। আর কন্যা সন্তান হলে বাবা-মায়ের গড় উচ্চতা থেকে আড়াই ইঞ্চি বিয়োগ করে পেয়ে যান সেই কাক্ষিত সংখ্যা। তবে এটি খুবই গড়পড়তা একটা হিসেব। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই হিসেবে ৪ ইঞ্চি মত ভুল থেকে যায়। সাধারণ বুদ্ধি বলছে বাবা-মা যদি লম্বা হয় হয় তা হলে এই হিসেবে সন্তান হবে লম্বা। আর বেঁটে হলে তাঁর ঠিক উল্টোটাই।


‘গ্রোথ চার্ট’ তৈরি করে হিসেব

শারীরবিজ্ঞানের হিসেব অনুযায়ী শিশুর সুষম পুষ্টি হলে তাঁর বৃদ্ধিও হবে যথাযথ। এজন্য নিয়মিত শিশুর উচ্চতা,ওজন,মাথার আকার ইত্যদি তথ্য একটা কাগজে ‘গ্রোথ চার্ট’ হিসেবে লিখে রাখা জরুরি। এই চার্ট দেখেই শিশু বিশেষজ্ঞরা বলে দিতে পারবেন আপনার সন্তানের বৃদ্ধি সঠিক পথে হচ্ছে কী না? এই তালিকা থেকে বয়ঃসন্ধিকালেরও একটা হিসেব দিতে পারেন চিকিৎসকেরা।


‘জিনগত ও পারিবারিক’ ইতিহাস

সব ক্ষেত্রে না হলেও অনেকক্ষেত্রেই সন্তানের উচ্চতার ক্ষেত্রে ‘পারিবারিক বা জিনগত’ প্রভাব কাজ করে। অর্থাৎ বাবা-মা লম্বা হলে তাঁর সন্তানও লম্বা বা তার ঠিক তার উল্টোটা হবে। এজন্য শিশু চিকিৎসকেরা হিসেব কষার সময় পিতামাতা ও পারিবারের অন্য সদস্যদের শারীরিক গঠনের হিসেবও নিয়ে নেন। জেনে নেন বয়ঃসন্ধির আগমনের তথ্যও।

যে যে কারণে শিশুর বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়ে

১। পুষ্টি – বেশি ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুরা সাধারণত একটু বেশি লম্বা হয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা বড় বয়সেও লম্বা থাকবে। অন্যদিকে কম ওজনের শিশুরা তুলনায় আকৃতিতে একটু ছোটো হয়।

২। ওষুধের প্রভাব – ওষুধের প্রভাবেও শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে তার ভবিষ্যতের বৃদ্ধিতে।

৩। হরমোনের প্রভাব – হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে প্রভাব পড়ে থাইরয়েড লেভেল-এ এবং এজন্য ব্যাহত হয় সঠিক বৃদ্ধি।

৪। জেনেটিক পরিস্থিতি – শিশুর ডাউন সিনড্রোম , টার্নার সিনড্রোম, নোরান সিনড্রোমের মত জেনেটিক সমস্যা থাকলে বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। আবার মারফান সিনড্রোম যুক্ত শিশুরা স্বাভাবিকের তুলনায় লম্বা হয়।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon