Link copied!
Sign in / Sign up
38
Shares

জ়েদি, একগুয়ে শিশুর সঙ্গে আপনি কী রকম ব্যবহার করবেন বা কিভাবে সামলাবেন?


জেদাজেদি করাটা কী আপনার পরিবারের নিয়মিত ব্যাপার? সন্তানকে আপনি যখন কিছু পালনের নির্দেশ দেন বা সন্তান যখন আপনার থেকে কিছু চায় তখন কী উভয়েই খুব বদমেজাজ দেখান? অনেকক্ষেত্রেই কী এইরকম পরিস্থিতি সামাল দিতে একগুয়েমি বা জেদের বিষয়টাকে মেনে নিতে হয়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখানেই সাবধান। এরকমটা চললে আপনার পরিবারের বা সন্তানের বড়সর ক্ষতি হতে পারে।

শিশুসন্তান যখন বড় হয়ে ওঠে তখন তার মধ্যে একটা ‘জ়েদি’ ব্যাপার জন্ম নেয়। বিশেষ করে সে যখন একটু বড় হয় বা টিন-এজ বয়সে পৌঁছায়। এই রকম ঘটনা ঘটলে তার জেদের কাছে হার না মেনে কী ভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন জেনে নিন সেই তথ্যই।


১। পছন্দের সুযোগ দিন

জেদি বা একগুঁয়ে বাচ্চারা তাদের দাবির বিরুদ্ধে ‘না’ কথাটা শুনতে চায় না। যেটা আপনি ‘না’ বলবেন সেটা করার ক্ষেত্রেই তাদের মনোযোগ বেশী আকর্ষিত হবে। ফলে তাদের অন্য পছন্দের সুযোগ দিন। আপনি যদি তাকে পালং শাক খেতে বলেন তাহলে অবধারিতভাবে সে তা নাকচ করবে। কিন্তু আপনি যদি গাজর আর পালংশাক খাওয়ার কথা বলেন তাহলে সে ভাববে আমার পরে তো কোনো জোর খাটানো হচ্ছেই না বরং বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তখন সে ওই দুইয়ের মধ্যে একটা বেছে নিতেই পারে।

২। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন

অনেকেই সন্তানের জন্য অবশ্য পালনীয় কিছু নিয়ম তৈরি করেন কিন্তু তা পালন করা হছে কীনা সে বিষয়ে নজর দেন না। কিন্তু মনে রাখুন এটা কিন্তু খুব গুরুতবপূর্ণ ব্যাপার। আপনি যদি আপনার সন্তানকে খেলতে যাওয়ার আগে দুধ খেয়ে যেতে বলেন তবে সেটা যাতে সে পালন করে তা দেখতে হবে আপনাকেই। যদি সে তা না করে তবে আপনিও তার খেলার সময় কম করার শর্ত চাপাবেন। অর্থাৎ সে যদি দেখে মা যা বলছে তা না শুনলেও কোনো সমস্যা নেই তাহলেই কিন্ত ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দেবে।


৩। আলোচনার পরিবেশ তৈরি রাখুন

মা-বাবা হল শিশুদের কাছে সবচেয়ে বড় রোল মডেল। খুব ছোটোবেলা থেকেই বাচ্চারা মা-বাবার কাজকর্ম, আচার-আচরণের উপর নজর রাখে এবং নিজেরাও সেই মত ব্যবহার করে। আপনি যদি শিশুর সামনেই সবামীর সঙ্গে নিয়মিত কথা কাটাকাটি বা ঝগড়া করেন তাহলে শিশুও সেই পথেই হাটবে। ফলে বাড়ির মধ্যেই ফ্রেন্ডশিপের পরিবেশ তৈরি করুন।

৪। নিজেকে শান্ত রাখুন

জেদি শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজেকে অবশ্যই শান্ত রাখুন। কোনো কিছুর দাবিতে আপনার সন্তান চেঁচাচ্ছে আর আর তা না দেওয়ার যুক্তি তুলে আপনিও চেঁচাতে থাকেন তা হলে কিন্তু লাভের ঝুলি শূন্য। সন্তানের সঙ্গে বাস্তবতার নিরিখে কথা বলুন। শিশু সন্তান একগুঁয়ে বা জেদি হয় কারণ সে আপনার মত বাস্তব পরিস্থিতিটা জানে না। সেটা তাকে সঠিক এবং শান্তভাবে বোঝানোর দায় আপনারই।


৫। সম্মান দিন এবং সম্মান পান

বয়সে অতি ছোটো হলেও প্রতিটি শিশুরই আত্মসম্মান এবং আত্মমর্যাদা বোধ আছে। আপনি সব সময় বা সবার সামনে কান ধরে বা চুল ধরে নির্দেশ দিলেই যে সে পালন করবে তা নয়। বরং তার কথাকেও গুরুতব দিন। দেখবেন আপনি যা ভেবেছেন তার চেয়েও অনেক বেশি সদর্থক ভাবনা ভেবে রেখেছে সে। যা আপনাকেই অবাক করে দেবে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon