Link copied!
Sign in / Sign up
6
Shares

এই ৮টি খাবার গর্ভাবস্থায় কঠোরভাবে এড়িয়ে চলুন এবং কেন জানুন!


ফল হলো উচ্চ ফাইবারযুক্ত ফলন যা আপনার পাচনতন্ত্র বজায় রাখা ও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাদের মধ্যে রয়েছে অনেক ভিটামিন এবং খনিজ যা আপনার শিশুর উন্নয়ন এবং আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু কিছু ফল আছে যা আপনাকে এড়ানো উচিত। আমরা তাদের কারণগুলি নীচে বরাবর তালিকাভুক্ত করেছি।

আঙ্গুর

যদি আপনার পাচক সমস্যা থাকে তবে আঙ্গুর খাওয়া থেকে বিরত থাকুন কারণ আঙ্গুরের একটি পুরু ত্বক রয়েছে যা হজম করা খুবই কঠিন এবং কব্জির কারণ হতে পারে।এছাড়াও, ত্বকের রেসিডরট্রোল রয়েছে যা হরমোনের ভারসাম্যহীন গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ক্ষতিকর। গর্ভাবস্থার পরবর্তী পর্যায়ে পাকস্থলীতে বিষাক্ত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

কাঁচা পেঁপে

অপ্রকাশিত পেঁপে বা আধা-পাকা পেঁপেতে এনজাইম রয়েছে যা গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর এবং গর্ভপাতে ক্ষতি হতে পারে। কাঁচা পেঁপেগুলি ল্যাটেক্সে সমৃদ্ধ এবং গর্ভাবস্থায় সংকোচনের সৃষ্টি করে। তবে পেঁপে অত্যন্ত উপকারী এবং এই ক্ষতিকারক এনজাইম ধারণ করে না। প্রকৃতপক্ষে, মাপসই করা পাকা পেঁপেগুলি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মহান।

আনারস

আনারসে একটি উচ্চ চিনির উপাদান আছে এবং গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে বিশেষত এড়ানো উচিত। এতে ব্রোমেলেন থাকে যা একটি এনজাইম যা গর্ভাশয়কে দুর্বল করে দেয় এবং অতীতের শ্রম বা গর্ভপাতের কারণ হতে পারে। এটি এমনকি গর্ভাধানের সংকোচনও হতে পারে যা এখন বর্ধিত গর্ভাশয়ে ক্ষতিকর।

সামুদ্রিক মাছ

সামুদ্রিক মাছ শরীরের জন্য উপকারি হলেও গর্ভাবস্থায় তা পরিহার করাই ভালো। কারন সামুদ্রিক মাছে উচ্চ মাত্রায় মার্কারি বা পারদ থাকে। এটা শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। গর্ভাবস্থায় সপ্তাহে ৩৪০ গ্রাম বেশি সামুদ্রিক মাছ গ্রহণ করা উচিত নয়।

সিদ্ধ করা মাংস


ভালোভাবে রান্না না করলে মাংসে থাকা ক্ষতিকর ‘ই-কোলাই’ ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয় না। এটা গর্ভস্থ ভ্রুণের জন্য খবই বিপদজনক।

কাঁচা ডিম ও দুধ


গর্ভাবস্থায় কাঁচা বা কম সিদ্ধ ডিম ও না ফুটিয়ে দুধ খাওয়া ঠিক নয়। তাছাড়া অপাস্তুরিত দুধের তৈরি পনিরও পরিহার করা ভালো। কারন এগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

ক্যাফেইন


গর্ভাবস্থায় দৈনিক ২০০ গ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করা উচিৎ নয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইনের কারনে কম ওজনের শিশুর জন্ম হয়। পাশাপাশি জন্ম পরবর্তী সময়ে অসুখের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া ক্যাফেইন গ্রহণের কারনে অকাল গর্ভপাতের ঝুঁকিও থাকে। প্রাকৃতিকভাবেই চা, কফি, চকলেট ইত্যাদি খাবারে ক্যাফেইন থাকে।

সিগারেট ও মদ


গর্ভকালীন সময়ে ধূমপান বা মদ্যপান করলে গর্ভস্থ সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া নিকোটিনের প্রভাবে গর্ভকালীন সময়ে মা ও অনাগত শিশুর বিভিন্ন ধরনের বিপদের আশংকা থাকে। বিশেষ করে ধূমপায়ী মায়েদের ক্ষেত্রে জন্মগত বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

সবচেয়ে নিরাপদ জিনিসটি কেবলমাত্র মৌসুমি ফল কিনতে হয়, যাতে আপনি জানেন যে তারা কীটনাশক বা অন্যান্য রাসায়নিকের অন্তর্ভুক্ত নয় যা আপনার শিশুর পক্ষ্যে ক্ষতিকারক হতে পারে। সব মায়েরা এবং মায়েদের সাথে এই নিবন্ধটি ভাগ করুন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon