Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

গর্ভাবস্থায় কোল্ড ড্রিংক! খেতে দারুন লাগে, কিন্তু তারপর?


ঠান্ডা পানীয় অর্থাৎ কোল্ড ড্রিংক সত্যিই লোভনীয় একটি জিনিস, কিন্তু এটি দেখতে বা খেতে যতটা সুস্বাদু, স্বাস্থ্যের জন্যে কিন্তু ততটাই ক্ষতিকারক। বিশেষ করে যারা গর্ভাবস্থায় আছেন অথবা মা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের জন্যে আজকের এই পোস্টটি হল শক্ত বার্তা। কারণটা খুবই সহজ। চিনির মাত্রা বেশি পরিমানে আছে এমন যেকোনো কোল্ড ড্রিংক পান করলেই একজন গর্ভবতী নারীর শারীরিক ক্ষতি তো হবেই, তার ওপর শিশুর জন্ম হওয়ার পর তার অ্যাস্থেমা বা শ্বাস কষ্ট হওয়ার মত রোগ ও হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। গর্ভাবস্তায় যেসব নারীরা অনেক বেশি মাত্রায় কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করে থাকেন,তাদের শিশুরা জন্ম নেওয়ার ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই নানা সংক্রামক ব্যাধি অথবা অ্যাস্থেমায় আক্রান্ত হয়। তাই বাচ্চাকে একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যত দিতে চাইলে  সময় কোল্ড ড্রিঙ্কস এর কথা সম্পূর্ণ ভুলে যান। এমনকি যদি আপনি মা হওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে অন্তত এক বছর এই জিনিসটি থেকে দূরে থাকুন। কোল্ড ড্রিঙ্কের সঙ্গে যে কেবল অ্যাস্থেমা রোগেই জড়িয়ে থাকে তা কিন্তু নয়। নিয়মিত এমন পানীয় থেকে হতে পারে আরও নানা ধরনের রোগ। 

একটি ৩০০মিলি বোতল কোল্ড ড্রিঙ্ক পান  করলে শরীরে প্রায় ১৫০ ক্যালরি প্রবেশ করে। এই পরিমাণ ক্যালরি খোয়ানোর জন্যে যে পরিমান ওয়ার্কআউট  করা প্রয়োজন, তা প্রায় কেউ করেনা বললেই চলে! এতে শরীরে জমে মেদ ও ফলস্বরূপ দেখা যায় ওজন বৃদ্ধি। বর্তমানে বেরিয়েছে ডায়েট সোডা যাতে নাকি চিনি থাকেনা; কিন্তু এই ধরণা একেবারে ভুল। ডায়েট সোডায় চিনি না থাকলেও থাকে এমন কিছু উপাদান শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকারক। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত পরিমাণে ডায়েট সোডা পান  করলেও শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়, এবং ভবিষ্যতে সন্তানের নানা জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। 

গর্ভাবস্থায় কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করার ফলে ক্ষতি

১. রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় 

ডায়েট সোডা এবং কোল্ড ড্রিঙ্কে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকার ফলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায় এবং  ব্লাড প্রেসার বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকে।যা গর্ভাবস্থার জন্যে একেবারেই ভালো না। হয় ব্লাড প্রেসারে গর্ভপাত হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। 


২. ওজন বৃদ্ধি করে

গর্ভাবস্থায় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি কারণ এই সময় এমনিতেই একটু ওজন বৃদ্ধি পায়, তবে বেশি ওজন সন্তান জন্মের জন্যে ক্ষতিকারক। একই সঙ্গে সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতাও  বিগড়ে  যেতে পারে। 

৩. কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যায়

গর্ভাবস্থায় বেশি মাত্রায় কোল্ড ড্রিঙ্ক কিডনি স্টোনের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনিতেই গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের পরিমান বেড়ে যায় তার ওপর এই ধরনের পানীয়, ইউরিনে অ্যাসিড এবং খনিজের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। 


৪. কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়

গর্ভাবস্থায় কোলেস্টরল বেড়ে যাওয়ার মত ক্ষতিকারক কিছু নেই যা কোল্ড ড্রিংক পান করলে অনায়াসেই বাড়তে পারে।

৫. ডায়াবেটিস 

গর্ভাবস্থায় কোল্ড ড্রিংক পান করা ডায়বেটিসের কারণ হতে পারে।


৮. শরীরের অস্বস্তি বেড়ে যায়

এমনিতেই এই সময় শরীরে নানা অসুস্থি কাজ করে, বেকার আরো অসুস্থি বাড়িয়ে লাভ কি? 

৯. হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে

কোল্ড ড্রিঙ্কের স্বাদ বাড়াতে তাতে ফসফরিক অ্যাসিড নামে একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা বাতের ব্যাথার মত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon